ঢাকা ০৭:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo ৮-১০ লাখে যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁস, গ্রেপ্তার ৭ জনের ৫ জনই সরকারি কর্মচারী Logo অনলাইনে আকর্ষণীয় পণ্যের বিজ্ঞাপন দিয়ে বিশ্বজুড়ে গুপ্তচরবৃত্তি চালিয়েছে ইসরায়েলি কোম্পানি Logo মানারাতে দুই দিনব্যাপী স্টেম ফেস্ট শুরু, অংশ নিচ্ছে ৮ শতাধিক শিক্ষার্থী Logo নরেন্দ্র মোদির কণ্ঠে চার দেশের সামরিক সুরক্ষায় শেখ হাসিনার ফেরার বার্তাটি এআই নির্মিত Logo স্কুল ছুটির পর যে কারণে শিশুকে রাস্তার খাবার দেবেন না Logo সাইবার সিকিউরিটি আইন প্রয়োজন, তবে সাংবাদিকতা ব্যাহত করা যাবে না: প্রেস সচিব Logo ৫২ বছর বয়সে তৃতীয় সন্তান, অভিনেত্রী বললেন, ‘ডিসেম্বরেই মুক্তি পাচ্ছে’ Logo এনআরবিসি ব্যাংকে নিয়োগ, আবেদন অনলাইনে Logo ইংল্যান্ড নারী কাবাডি দলের অধিনায়ক হলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আনিসা খান Logo নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পর সাজেকে যাচ্ছেন পর্যটকেরা, যান চলাচলও স্বাভাবিক
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

সাইবার সিকিউরিটি আইন প্রয়োজন, তবে সাংবাদিকতা ব্যাহত করা যাবে না: প্রেস সচিব

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:১৫:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক: ডিজিটাল ও সাইবার জগতে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং অপরাধ দমনে কঠোর আইনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এ এ এম সালেহ শিবলী। তবে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, কোনো অবস্থাতেই এই আইনি প্রক্রিয়ার কারণে যেন মূলধারার সাংবাদিকতা এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাভাবিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত না হয়। রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবির মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ মত প্রকাশ করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার রোধ এবং ভুয়া তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা ঠেকাতে একটি সুসংহত আইনি কাঠামোর ওপর জোর দেন প্রেস সচিব। তিনি উল্লেখ করেন, আইন তৈরির সময় সংবাদকর্মীদের স্বাধীনতা এবং তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত। প্রয়োজনে পরবর্তীতে পরিস্থিতি সাপেক্ষে এই আইনে পরিবর্তন, পরিবর্ধন বা সংশোধন আনা সম্ভব বলে তিনি মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে রাষ্ট্র ও সমাজে নৈতিক মূল্যবোধ রক্ষা এবং সাধারণ মানুষকে সাইবার হয়রানি থেকে সুরক্ষা দিতে সরকারের দায়বদ্ধতার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোতে ছড়িয়ে পড়া গুজব প্রতিরোধে মূলধারার গণমাধ্যমগুলোকে আরও বেশি জোরালো ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান এই সরকারি কর্মকর্তা। প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় নিয়মিত তথ্য যাচাই বা ফ্যাক্ট-চেক ভিত্তিক বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচারের পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, এর ফলে সাধারণ মানুষ ঘরে বসেই তথ্যের সত্যতা সম্পর্কে জানতে পারবে। এতে সমাজে ভুয়া খবরের বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে এবং জনগণ সচেতন হয়ে উঠবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি আবু সালেহ আকনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয়। স্বাগত বক্তব্যে ডিআরইউর সাংগঠনিক সম্পাদক এম এম জসিম জানান, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কর্মরত চার শতাধিক সাংবাদিক সদস্যপদের জন্য আবেদন করলেও যাচাই-বাছাই শেষে কেবল যোগ্য ৪০ জনকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নবীন সদস্যদের বরণের মাধ্যমে সংগঠনের পরিধি আরও প্রসারিত হলো বলে অনুষ্ঠানে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ সন্তোষ প্রকাশ করেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

৮-১০ লাখে যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁস, গ্রেপ্তার ৭ জনের ৫ জনই সরকারি কর্মচারী

সাইবার সিকিউরিটি আইন প্রয়োজন, তবে সাংবাদিকতা ব্যাহত করা যাবে না: প্রেস সচিব

আপডেট সময় ০৬:১৫:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: ডিজিটাল ও সাইবার জগতে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং অপরাধ দমনে কঠোর আইনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এ এ এম সালেহ শিবলী। তবে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, কোনো অবস্থাতেই এই আইনি প্রক্রিয়ার কারণে যেন মূলধারার সাংবাদিকতা এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাভাবিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত না হয়। রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবির মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ মত প্রকাশ করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার রোধ এবং ভুয়া তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা ঠেকাতে একটি সুসংহত আইনি কাঠামোর ওপর জোর দেন প্রেস সচিব। তিনি উল্লেখ করেন, আইন তৈরির সময় সংবাদকর্মীদের স্বাধীনতা এবং তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত। প্রয়োজনে পরবর্তীতে পরিস্থিতি সাপেক্ষে এই আইনে পরিবর্তন, পরিবর্ধন বা সংশোধন আনা সম্ভব বলে তিনি মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে রাষ্ট্র ও সমাজে নৈতিক মূল্যবোধ রক্ষা এবং সাধারণ মানুষকে সাইবার হয়রানি থেকে সুরক্ষা দিতে সরকারের দায়বদ্ধতার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোতে ছড়িয়ে পড়া গুজব প্রতিরোধে মূলধারার গণমাধ্যমগুলোকে আরও বেশি জোরালো ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান এই সরকারি কর্মকর্তা। প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় নিয়মিত তথ্য যাচাই বা ফ্যাক্ট-চেক ভিত্তিক বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচারের পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, এর ফলে সাধারণ মানুষ ঘরে বসেই তথ্যের সত্যতা সম্পর্কে জানতে পারবে। এতে সমাজে ভুয়া খবরের বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে এবং জনগণ সচেতন হয়ে উঠবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি আবু সালেহ আকনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয়। স্বাগত বক্তব্যে ডিআরইউর সাংগঠনিক সম্পাদক এম এম জসিম জানান, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কর্মরত চার শতাধিক সাংবাদিক সদস্যপদের জন্য আবেদন করলেও যাচাই-বাছাই শেষে কেবল যোগ্য ৪০ জনকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নবীন সদস্যদের বরণের মাধ্যমে সংগঠনের পরিধি আরও প্রসারিত হলো বলে অনুষ্ঠানে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ সন্তোষ প্রকাশ করেন।