আপডেট সময়
০৫:১৫:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
০
বার পড়া হয়েছে
নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পর সাজেকে যাচ্ছেন পর্যটকেরা, যান চলাচলও স্বাভাবিক
জাতীয় ডেস্ক: রাঙামাটির জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র সাজেক ভ্যালিতে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করায় আবারও পাহাড়ে পর্যটকদের পদচারণা শুরু হয়েছে। আঞ্চলিক কয়েকটি সংগঠনের ডাকা সড়ক অবরোধ কর্মসূচি স্থগিত হওয়ার পর থেকেই খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে। স্থানীয় প্রশাসন ও পরিবহন সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে চলা নিষেধাজ্ঞার কারণে পর্যটকদের যাতায়াত বন্ধ থাকলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় তাঁরা স্বাচ্ছন্দ্যে গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছেন।পরিবহন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, সড়ক উন্মুক্ত হওয়ার পর থেকেই সাজেকের উদ্দেশে শত শত পর্যটক রওনা হয়েছেন। বিভিন্ন যানবাহনে করে শতভিষেক পর্যটক ইতোমধ্যে পাহাড়ি এই উপত্যকায় প্রবেশ করেছেন। এর ফলে সাজেকের স্থানীয় রিসোর্ট, কটেজ ও হোটেলগুলোতে দীর্ঘদিন পর আবার প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। ব্যবসায়ীরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, সামনে পূজা ও ছুটির দিনগুলোতে পর্যটকদের আগমন আরও অনেকখানি বৃদ্ধি পাবে।এর আগে স্থানীয় দুটি সংগঠনের ডাকা অবরোধের কারণে সাজেক যাওয়ার প্রধান সড়কগুলোতে যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছিল। সড়ক অবরোধের সময় বেশ কিছু স্থানে টায়ার ও গাছের গুঁড়ি জ্বালিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়, যার ফলে সাজেকে আটকা পড়েন বহু পর্যটক। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সার্বিক নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে স্থানীয় জেলা প্রশাসন সাময়িকভাবে পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে বাধ্য হয়েছিল।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, পার্বত্য চট্টগ্রামের একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা ও সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ তুলে এই অবরোধের ডাক দেওয়া হয়েছিল। তবে অপর পক্ষ এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে একে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছে। বর্তমানে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হওয়ায় এবং নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ায় পর্যটকরা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছেন এবং ভ্রমণ খাত ঘুরে দাঁড়ানোর আশা দেখছে।
জাতীয় ডেস্ক: রাঙামাটির জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র সাজেক ভ্যালিতে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করায় আবারও পাহাড়ে পর্যটকদের পদচারণা শুরু হয়েছে। আঞ্চলিক কয়েকটি সংগঠনের ডাকা সড়ক অবরোধ কর্মসূচি স্থগিত হওয়ার পর থেকেই খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে। স্থানীয় প্রশাসন ও পরিবহন সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে চলা নিষেধাজ্ঞার কারণে পর্যটকদের যাতায়াত বন্ধ থাকলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় তাঁরা স্বাচ্ছন্দ্যে গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছেন।
পরিবহন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, সড়ক উন্মুক্ত হওয়ার পর থেকেই সাজেকের উদ্দেশে শত শত পর্যটক রওনা হয়েছেন। বিভিন্ন যানবাহনে করে শতভিষেক পর্যটক ইতোমধ্যে পাহাড়ি এই উপত্যকায় প্রবেশ করেছেন। এর ফলে সাজেকের স্থানীয় রিসোর্ট, কটেজ ও হোটেলগুলোতে দীর্ঘদিন পর আবার প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। ব্যবসায়ীরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, সামনে পূজা ও ছুটির দিনগুলোতে পর্যটকদের আগমন আরও অনেকখানি বৃদ্ধি পাবে।
এর আগে স্থানীয় দুটি সংগঠনের ডাকা অবরোধের কারণে সাজেক যাওয়ার প্রধান সড়কগুলোতে যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছিল। সড়ক অবরোধের সময় বেশ কিছু স্থানে টায়ার ও গাছের গুঁড়ি জ্বালিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়, যার ফলে সাজেকে আটকা পড়েন বহু পর্যটক। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সার্বিক নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে স্থানীয় জেলা প্রশাসন সাময়িকভাবে পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে বাধ্য হয়েছিল।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, পার্বত্য চট্টগ্রামের একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা ও সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ তুলে এই অবরোধের ডাক দেওয়া হয়েছিল। তবে অপর পক্ষ এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে একে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছে। বর্তমানে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হওয়ায় এবং নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ায় পর্যটকরা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছেন এবং ভ্রমণ খাত ঘুরে দাঁড়ানোর আশা দেখছে।