আপডেট সময়
০৫:৪৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
৪
বার পড়া হয়েছে
শ্রীমঙ্গলে লোকালয়ে অজগর ও বিপন্ন শঙ্খিনী সাপ উদ্ধার
জাতীয় ডেস্ক: মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় দুটি ভিন্ন স্থান থেকে একটি অজগর এবং একটি বিপন্ন প্রজাতির শঙ্খিনী সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের উদ্ধারকর্মীরা স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় সাপ দুটিকে অক্ষত অবস্থায় ধরে আনতে সক্ষম হন। পরবর্তী সময়ে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের দায়িত্বে নিয়োজিত বন বিভাগের কাছে উদ্ধারকৃত প্রাণীগুলো হস্তান্তর করা হয়।ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, পূর্ব নওয়াগাঁও এলাকার একটি রাস্তার পাশে জালে জড়িয়ে পড়েছিল একটি অজগর সাপ। স্থানীয় এক সাংবাদিক বিষয়টি দেখতে পেয়ে দ্রুত বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনে খবর পাঠান। খবর পাওয়া মাত্রই সংগঠনের পরিচালক স্বপন দেব সজলের নেতৃত্বে একদল পরিবেশকর্মী দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং প্রায় কুড়ি মিনিটের চেষ্টায় জাল কেটে সাপটিকে মুক্ত করেন।অন্যদিকে, একই দিনে রামনগর মণিপুরি পাড়া এলাকার একটি বসতবাড়ির পাশ থেকে আরেকটি বিরল প্রজাতির সাপ উদ্ধার করা হয়। খলিলুর রহমান নামের এক ব্যক্তির ঘরের পাশে সাপটি দেখতে পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বাড়ির বাসিন্দারা। পরে তারা বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনে খবর দিলে উদ্ধারকর্মীরা সেখানে পৌঁছে সাপটিকে বিপন্ন শঙ্খিনী হিসেবে শনাক্ত করেন।শ্রীমঙ্গল বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা কাজী নাজমুল ইসলাম জানান, শঙ্খিনী অত্যন্ত বিষধর প্রকৃতির হলেও এটি সাধারণত লাজুক স্বভাবের কারণে মানুষের সামনে সচরাচর আসে না। উদ্ধার করা এই দুটি সাপকে পরবর্তীতে নিরাপদ প্রাকৃতিক পরিবেশে অবমুক্ত করা হবে বলে বন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
জাতীয় ডেস্ক: মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় দুটি ভিন্ন স্থান থেকে একটি অজগর এবং একটি বিপন্ন প্রজাতির শঙ্খিনী সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের উদ্ধারকর্মীরা স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় সাপ দুটিকে অক্ষত অবস্থায় ধরে আনতে সক্ষম হন। পরবর্তী সময়ে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের দায়িত্বে নিয়োজিত বন বিভাগের কাছে উদ্ধারকৃত প্রাণীগুলো হস্তান্তর করা হয়।
ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, পূর্ব নওয়াগাঁও এলাকার একটি রাস্তার পাশে জালে জড়িয়ে পড়েছিল একটি অজগর সাপ। স্থানীয় এক সাংবাদিক বিষয়টি দেখতে পেয়ে দ্রুত বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনে খবর পাঠান। খবর পাওয়া মাত্রই সংগঠনের পরিচালক স্বপন দেব সজলের নেতৃত্বে একদল পরিবেশকর্মী দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং প্রায় কুড়ি মিনিটের চেষ্টায় জাল কেটে সাপটিকে মুক্ত করেন।
অন্যদিকে, একই দিনে রামনগর মণিপুরি পাড়া এলাকার একটি বসতবাড়ির পাশ থেকে আরেকটি বিরল প্রজাতির সাপ উদ্ধার করা হয়। খলিলুর রহমান নামের এক ব্যক্তির ঘরের পাশে সাপটি দেখতে পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বাড়ির বাসিন্দারা। পরে তারা বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনে খবর দিলে উদ্ধারকর্মীরা সেখানে পৌঁছে সাপটিকে বিপন্ন শঙ্খিনী হিসেবে শনাক্ত করেন।
শ্রীমঙ্গল বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা কাজী নাজমুল ইসলাম জানান, শঙ্খিনী অত্যন্ত বিষধর প্রকৃতির হলেও এটি সাধারণত লাজুক স্বভাবের কারণে মানুষের সামনে সচরাচর আসে না। উদ্ধার করা এই দুটি সাপকে পরবর্তীতে নিরাপদ প্রাকৃতিক পরিবেশে অবমুক্ত করা হবে বলে বন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।