আপডেট সময়
০৫:৪৫:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
৩
বার পড়া হয়েছে
শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা আজ
ধর্ম ডেস্ক: বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব প্রবারণা পূর্ণিমা আজ যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা ও নানা আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হচ্ছে। দিনটি উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন বৌদ্ধ বিহারে বিশেষ প্রার্থনা ও উপাসনার আয়োজন করা হয়েছে। সকাল থেকেই পুণ্যার্থীরা বিহারগুলোতে সমবেত হয়ে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে প্রার্থনা ও আচার পালন করছেন।এই পবিত্র দিনে বৌদ্ধ বিহারগুলোতে নানা ধরনের ধর্মীয় কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে বুদ্ধপূজা, সংঘদান, ভিক্ষুদের পিণ্ডদান এবং অষ্টপরিষ্কার দান। এছাড়া পুণ্যার্থীরা পঞ্চশীল গ্রহণ করে নিজেদের জীবনকে শুদ্ধ করার প্রার্থনা করেন এবং বিশেষ প্রদীপ প্রজ্বলন করে বুদ্ধের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।উৎসবের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হলো সন্ধ্যায় আকাশে রঙিন ফানুস ওড়ানো। প্রবারণা পূর্ণিমার এই দিনে আকাশ প্রদীপের আলোয় মুখরিত হয়ে ওঠে এবং ফানুস ওড়ানোর দৃশ্য দেখতে সব ধর্মের মানুষ বিহারের আশপাশে জড়ো হন। এর মধ্য দিয়ে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে পড়ে সব মহলে।উল্লেখ্য, দীর্ঘ তিন মাস বর্ষাবাস শেষে বৌদ্ধ ভিক্ষুরা এই প্রবারণা তিথিতে প্রবারণা বা আত্মশুদ্ধি লাভ করেন। এই উৎসবের মাধ্যমেই বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের কঠিন চীবর দান উৎসবের ক্ষণগণনা শুরু হয়, যা ধর্মীয় ও সামাজিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি অনুষ্ঠান হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।
ধর্ম ডেস্ক: বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব প্রবারণা পূর্ণিমা আজ যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা ও নানা আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হচ্ছে। দিনটি উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন বৌদ্ধ বিহারে বিশেষ প্রার্থনা ও উপাসনার আয়োজন করা হয়েছে। সকাল থেকেই পুণ্যার্থীরা বিহারগুলোতে সমবেত হয়ে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে প্রার্থনা ও আচার পালন করছেন।
এই পবিত্র দিনে বৌদ্ধ বিহারগুলোতে নানা ধরনের ধর্মীয় কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে বুদ্ধপূজা, সংঘদান, ভিক্ষুদের পিণ্ডদান এবং অষ্টপরিষ্কার দান। এছাড়া পুণ্যার্থীরা পঞ্চশীল গ্রহণ করে নিজেদের জীবনকে শুদ্ধ করার প্রার্থনা করেন এবং বিশেষ প্রদীপ প্রজ্বলন করে বুদ্ধের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
উৎসবের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হলো সন্ধ্যায় আকাশে রঙিন ফানুস ওড়ানো। প্রবারণা পূর্ণিমার এই দিনে আকাশ প্রদীপের আলোয় মুখরিত হয়ে ওঠে এবং ফানুস ওড়ানোর দৃশ্য দেখতে সব ধর্মের মানুষ বিহারের আশপাশে জড়ো হন। এর মধ্য দিয়ে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে পড়ে সব মহলে।
উল্লেখ্য, দীর্ঘ তিন মাস বর্ষাবাস শেষে বৌদ্ধ ভিক্ষুরা এই প্রবারণা তিথিতে প্রবারণা বা আত্মশুদ্ধি লাভ করেন। এই উৎসবের মাধ্যমেই বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের কঠিন চীবর দান উৎসবের ক্ষণগণনা শুরু হয়, যা ধর্মীয় ও সামাজিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি অনুষ্ঠান হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।