আপডেট সময়
০৩:৩০:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
১
বার পড়া হয়েছে
বিয়ের জন্য পাত্র-পাত্রী নির্বাচনে মহানবী (সা.) যে ৩ শর্ত বলেছেন
ধর্ম ডেস্ক: বর্তমান সমাজে বিয়ের জন্য পাত্র বা পাত্রী নির্বাচনের সময় বাহ্যিক সৌন্দর্য এবং আর্থিক সচ্ছলতাকেই প্রধান মাপকাঠি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে ইসলাম ধর্ম এবং মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই প্রচলিত ধারণার বাইরে গিয়ে সম্পূর্ণ বাস্তবমুখী ও দূরদর্শী কিছু মানদণ্ড নির্ধারণ করে দিয়েছেন। মানুষের সাময়িক রূপ বা ক্ষণস্থায়ী সম্পদের চেয়েও তিনি মানুষের অভ্যন্তরীণ গুণাবলি এবং চরিত্রকে অনেক বেশি প্রাধান্য দিয়েছেন।ইসলামের সোনালী ইতিহাস এবং হাদিসের বাণী বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, একটি সফল ও শান্তিপূর্ণ পরিবার গঠনের জন্য বাহ্যিক রূপের চেয়ে মানসিক মেলবন্ধন ও আত্মিক প্রশান্তি অত্যন্ত জরুরি। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জীবনসঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রে মূলত তিনটি বিশেষ গুণের ওপর জোর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। এই নির্দেশনার মূল উদ্দেশ্য হলো বৈবাহিক জীবনে দীর্ঘস্থায়ী সুখ, পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং একটি আদর্শ নৈতিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা।পাত্রী বা পাত্র নির্বাচনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে প্রথম এবং প্রধান শর্ত হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে ধর্মীয় অনুশাসন ও ভালো চরিত্রকে। কারণ পার্থিব সৌন্দর্য ও অর্থ একসময় ফুরিয়ে যেতে পারে, কিন্তু ধার্মিকতা ও নৈতিকতা সারাজীবন মানুষের জীবনকে সুন্দর ও সুরক্ষিত রাখে। একজন সৎ ও খোদাভীরু মানুষ কখনোই তার জীবনসঙ্গীর প্রতি অবিচার করতে পারে না, যা পারিবারিক জীবনকে সবসময় শান্তিময় করে তোলে।দ্বিতীয়ত, বংশমর্যাদা বা পারিবারিক ঐতিহ্য এবং সামাজিক মর্যাদার বিষয়টিও ইসলামের দৃষ্টিতে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। একটি ভালো পরিবারে বেড়ে ওঠা মানুষ সাধারণত সামাজিক মূল্যবোধ, শিষ্টাচার এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকে। এই পারিবারিক পটভূমি বা পরিবেশ দম্পতির ভবিষ্যৎ জীবন এবং তাদের সন্তান সন্ততির লালন-পালনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।সর্বোপরি, এই গুণগুলোর পাশাপাশি পাত্র-পাত্রীর পারস্পরিক পছন্দ এবং মনের মিলের বিষয়টিও সমানভাবে গুরুত্ব পায়। বাহ্যিক রূপ বা সম্পদের মোহ ত্যাগ করে যদি এই মূলনীতিগুলো মেনে জীবনসঙ্গী নির্বাচন করা হয়, তবে সেই পরিবারে আল্লাহর রহমত বজায় থাকে। ইসলামি জীবনব্যবস্থায় এভাবেই একটি সুখী, সমৃদ্ধ এবং স্থিতিশীল পরিবার গঠনের পথনির্দেশনা স্পষ্টভাবে দেওয়া হয়েছে।
ধর্ম ডেস্ক: বর্তমান সমাজে বিয়ের জন্য পাত্র বা পাত্রী নির্বাচনের সময় বাহ্যিক সৌন্দর্য এবং আর্থিক সচ্ছলতাকেই প্রধান মাপকাঠি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে ইসলাম ধর্ম এবং মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই প্রচলিত ধারণার বাইরে গিয়ে সম্পূর্ণ বাস্তবমুখী ও দূরদর্শী কিছু মানদণ্ড নির্ধারণ করে দিয়েছেন। মানুষের সাময়িক রূপ বা ক্ষণস্থায়ী সম্পদের চেয়েও তিনি মানুষের অভ্যন্তরীণ গুণাবলি এবং চরিত্রকে অনেক বেশি প্রাধান্য দিয়েছেন।
ইসলামের সোনালী ইতিহাস এবং হাদিসের বাণী বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, একটি সফল ও শান্তিপূর্ণ পরিবার গঠনের জন্য বাহ্যিক রূপের চেয়ে মানসিক মেলবন্ধন ও আত্মিক প্রশান্তি অত্যন্ত জরুরি। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জীবনসঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রে মূলত তিনটি বিশেষ গুণের ওপর জোর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। এই নির্দেশনার মূল উদ্দেশ্য হলো বৈবাহিক জীবনে দীর্ঘস্থায়ী সুখ, পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং একটি আদর্শ নৈতিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা।
পাত্রী বা পাত্র নির্বাচনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে প্রথম এবং প্রধান শর্ত হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে ধর্মীয় অনুশাসন ও ভালো চরিত্রকে। কারণ পার্থিব সৌন্দর্য ও অর্থ একসময় ফুরিয়ে যেতে পারে, কিন্তু ধার্মিকতা ও নৈতিকতা সারাজীবন মানুষের জীবনকে সুন্দর ও সুরক্ষিত রাখে। একজন সৎ ও খোদাভীরু মানুষ কখনোই তার জীবনসঙ্গীর প্রতি অবিচার করতে পারে না, যা পারিবারিক জীবনকে সবসময় শান্তিময় করে তোলে।
দ্বিতীয়ত, বংশমর্যাদা বা পারিবারিক ঐতিহ্য এবং সামাজিক মর্যাদার বিষয়টিও ইসলামের দৃষ্টিতে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। একটি ভালো পরিবারে বেড়ে ওঠা মানুষ সাধারণত সামাজিক মূল্যবোধ, শিষ্টাচার এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকে। এই পারিবারিক পটভূমি বা পরিবেশ দম্পতির ভবিষ্যৎ জীবন এবং তাদের সন্তান সন্ততির লালন-পালনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
সর্বোপরি, এই গুণগুলোর পাশাপাশি পাত্র-পাত্রীর পারস্পরিক পছন্দ এবং মনের মিলের বিষয়টিও সমানভাবে গুরুত্ব পায়। বাহ্যিক রূপ বা সম্পদের মোহ ত্যাগ করে যদি এই মূলনীতিগুলো মেনে জীবনসঙ্গী নির্বাচন করা হয়, তবে সেই পরিবারে আল্লাহর রহমত বজায় থাকে। ইসলামি জীবনব্যবস্থায় এভাবেই একটি সুখী, সমৃদ্ধ এবং স্থিতিশীল পরিবার গঠনের পথনির্দেশনা স্পষ্টভাবে দেওয়া হয়েছে।