ঢাকা ১০:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo গবেষণা ও উন্নয়ন ব্যয়ে শীর্ষ দশে এক মুসলিম-প্রধান দেশ Logo দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে প্রতিমন্ত্রীর বৈঠক Logo টানা ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল Logo ফুডপান্ডার পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুই মামলার কার্যক্রম হাইকোর্টে স্থগিত Logo ভ্রমণের জন্য চাকরি ছেড়ে অনুতপ্ত তরুণীকে কিছু পরামর্শ Logo অর্থনীতির নোবেল ২০২৬: সংকট, প্রত্যাশা ও বিশ্বাসযোগ্য নীতির পাঠ Logo যুগান্তরের বার্তা বহন: খবরের রাজ্যে দেবী দুর্গা Logo বিদেশে পড়াশোনা শেষে চাকরি, প্রস্তুতি শুরু করবেন যেভাবে Logo রিকশাচিত্রে স্বাস্থ্যশিক্ষা, রামপালের এক উদ্ভাবনী উদ্যোগ Logo নীরব বসন্তের কালে অপরাধী ধরা যায়, ছোঁয়া যায় না
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

বিদেশে পড়াশোনা শেষে চাকরি, প্রস্তুতি শুরু করবেন যেভাবে

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৮:১৫:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

শিক্ষা ডেস্ক: বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করার পর সেখানে স্থায়ীভাবে কিংবা পেশাগত জীবন শুরু করা অনেক শিক্ষার্থীরই মূল স্বপ্ন থাকে। তবে এই লক্ষ্য অর্জনে কেবল ভালো ফলাফল অর্জনই যথেষ্ট নয়, বরং বিদেশের শ্রমবাজারের সুনির্দিষ্ট চাহিদা সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকাও অত্যন্ত জরুরি। পড়াশোনার শেষ সময়ে এসে হুট করে চাকরির খোঁজ শুরু না করে, বরং শুরু থেকেই একটি সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা নিয়ে এগোলে সাফল্য পাওয়ার সম্ভাবনা বহুগুণ বেড়ে যায়।

পড়াশোনা চলাকালেই সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রের চাকরির বাজারের বাস্তব চিত্র উপলব্ধি করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। কোন কোন পেশার চাহিদা বেশি রয়েছে এবং নিয়োগকর্তারা প্রার্থীদের মধ্যে ঠিক কী ধরনের দক্ষতা খুঁজছেন, তা নিয়ে আগে থেকেই গবেষণা করা প্রয়োজন। এর পাশাপাশি, তাত্ত্বিক পড়াশোনার পাশাপাশি খণ্ডকালীন কাজ, ইন্টার্নশিপ কিংবা স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমে অংশ নিয়ে পেশাগত অভিজ্ঞতা ঝালিয়ে নেওয়া উচিত।

উচ্চশিক্ষার সমাপনী পর্যায়ে পৌঁছানোর আগেই নিজের জীবনবৃত্তান্ত বা সিভি আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে তৈরি করে ফেলতে হবে। বিদেশি সংস্কৃতির কর্মপরিবেশে কীভাবে নিজেকে মানিয়ে নিতে হয় এবং ইন্টারভিউতে কীভাবে নিজের দক্ষতা সফলভাবে উপস্থাপন করা যায়, সে বিষয়েও আগাম প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি। এছাড়া বিভিন্ন পেশাজীবী নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট খাতের অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়ে তুললে চাকরির নতুন সুযোগ পাওয়ার পথ আরও সুগম হতে পারে।

পরিশেষে, বিদেশের মাটিতে ক্যারিয়ার গড়ার এই যাত্রায় ধৈর্য এবং নাছোড়বান্দা মনোভাব বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম দিকে কিছু প্রতিবন্ধকতা বা প্রত্যাখ্যান আসলেও ভেঙে না পড়ে নিজের দক্ষতা বৃদ্ধির চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ এবং আত্মবিশ্বাসই কেবল একজন শিক্ষার্থীকে বিদেশে তার কাঙ্ক্ষিত পেশাগত লক্ষ্য অর্জনে সফল করতে পারে।

ট্যাগস :

গবেষণা ও উন্নয়ন ব্যয়ে শীর্ষ দশে এক মুসলিম-প্রধান দেশ

বিদেশে পড়াশোনা শেষে চাকরি, প্রস্তুতি শুরু করবেন যেভাবে

আপডেট সময় ০৮:১৫:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

শিক্ষা ডেস্ক: বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করার পর সেখানে স্থায়ীভাবে কিংবা পেশাগত জীবন শুরু করা অনেক শিক্ষার্থীরই মূল স্বপ্ন থাকে। তবে এই লক্ষ্য অর্জনে কেবল ভালো ফলাফল অর্জনই যথেষ্ট নয়, বরং বিদেশের শ্রমবাজারের সুনির্দিষ্ট চাহিদা সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকাও অত্যন্ত জরুরি। পড়াশোনার শেষ সময়ে এসে হুট করে চাকরির খোঁজ শুরু না করে, বরং শুরু থেকেই একটি সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা নিয়ে এগোলে সাফল্য পাওয়ার সম্ভাবনা বহুগুণ বেড়ে যায়।

পড়াশোনা চলাকালেই সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রের চাকরির বাজারের বাস্তব চিত্র উপলব্ধি করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। কোন কোন পেশার চাহিদা বেশি রয়েছে এবং নিয়োগকর্তারা প্রার্থীদের মধ্যে ঠিক কী ধরনের দক্ষতা খুঁজছেন, তা নিয়ে আগে থেকেই গবেষণা করা প্রয়োজন। এর পাশাপাশি, তাত্ত্বিক পড়াশোনার পাশাপাশি খণ্ডকালীন কাজ, ইন্টার্নশিপ কিংবা স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমে অংশ নিয়ে পেশাগত অভিজ্ঞতা ঝালিয়ে নেওয়া উচিত।

উচ্চশিক্ষার সমাপনী পর্যায়ে পৌঁছানোর আগেই নিজের জীবনবৃত্তান্ত বা সিভি আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে তৈরি করে ফেলতে হবে। বিদেশি সংস্কৃতির কর্মপরিবেশে কীভাবে নিজেকে মানিয়ে নিতে হয় এবং ইন্টারভিউতে কীভাবে নিজের দক্ষতা সফলভাবে উপস্থাপন করা যায়, সে বিষয়েও আগাম প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি। এছাড়া বিভিন্ন পেশাজীবী নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট খাতের অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়ে তুললে চাকরির নতুন সুযোগ পাওয়ার পথ আরও সুগম হতে পারে।

পরিশেষে, বিদেশের মাটিতে ক্যারিয়ার গড়ার এই যাত্রায় ধৈর্য এবং নাছোড়বান্দা মনোভাব বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম দিকে কিছু প্রতিবন্ধকতা বা প্রত্যাখ্যান আসলেও ভেঙে না পড়ে নিজের দক্ষতা বৃদ্ধির চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ এবং আত্মবিশ্বাসই কেবল একজন শিক্ষার্থীকে বিদেশে তার কাঙ্ক্ষিত পেশাগত লক্ষ্য অর্জনে সফল করতে পারে।