ঢাকা ০৩:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo বীমা কোম্পানির সিএফও হতে লাগবে ৭ যোগ্যতা Logo পুলিশের বিরুদ্ধে সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ Logo নেতানিয়াহুকে সরাতে আরব দলগুলোর সঙ্গে ঐক্যের ডাক গোলানের Logo গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানেরও ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই Logo চার জুটির চার রকম প্রেম, তিন নতুন মুখের অভিষেক Logo নভেম্বরে ইন্ডিয়া জোটের সমাবেশ, সমর্থন জানাল ককরোচ পার্টি Logo ১২৬৯ ভবনের মালিককে রাজউকের চূড়ান্ত নোটিশ, নির্দেশনা না মানলে ব্যবস্থা Logo দাঁড়িয়ে গেলেন পঞ্চাশোর্ধ্ব নারী, অথচ বসে থাকলেন তরুণ ও মধ্যবয়সী পুরুষেরা Logo আগৈলঝাড়ায় সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি গ্রেপ্তার Logo তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ছাড়া গত্যন্তর নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

পুলিশের বিরুদ্ধে সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:৪৬:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানীর মিরপুর এলাকায় ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযান চলাকালীন সংবাদ সংগ্রহের সময় পুলিশের বিরুদ্ধে এক জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার মাল্টিমিডিয়া বিভাগের প্রধান এবং মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এমআরএ) সভাপতি ফখরুল ইসলামের সঙ্গে এই অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। গত বুধবার রাতে মিরপুরের ডেল্টা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে এই ঘটনাটি সংঘটিত হয়। পেশাগত কাজে নিয়োজিত একজন গণমাধ্যমকর্মীর ওপর এমন আচরণে সাংবাদিক মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক ফখরুল ইসলাম জানান, সেদিন রাতে কর্মস্থল থেকে নিজের গন্তব্যে ফেরার পথে তিনি ডেল্টা মেডিকেল কলেজের সামনে ফুটপাত দখলমুক্ত করার একটি অভিযান দেখতে পান। কৌতূহল ও পেশাগত তাগিদ থেকেই তিনি নিজের মোটরসাইকেল থামা এবং ওই ঘটনার ভিডিও ধারণ করার চেষ্টা করেন। ঠিক সেই মুহূর্তেই দায়িত্বরত পুলিশের এক সদস্য তার কাছে এসে পরিচয় জানতে চান। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে নিজের পেশাগত পরিচয় দেওয়ার পর পরই পুলিশ সদস্যরা তার হাত থেকে মোবাইল ফোনটি জোরপূর্বক কেড়ে নেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সাংবাদিকতার পরিচয় দেওয়ার পরও পুলিশি হয়রানি থামেনি বরং পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করে। ফখরুল ইসলাম তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি সেখানে উপস্থিত পুলিশের এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে অবহিত করেন এবং তার মোবাইলটি ফেরত চান। কিন্তু ওই কর্মকর্তা মোবাইল ফেরত দেওয়া তো দূরে থাক, উল্টো তার সঙ্গে অত্যন্ত অপেশাদার ও দুর্ব্যবহারমূলক আচরণ করেন। পুলিশের ওই কর্মকর্তা প্রশ্ন তোলেন যে, কেন তিনি পূর্বানুমতি ছাড়াই ভিডিও ধারণ করলেন এবং তিনি আদৌ সাংবাদিকতা পেশার নিয়মকানুন জানেন কি না।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ভুক্তভোগী সাংবাদিক কোনো ধরনের অপরাধমূলক কাজ করেননি জানিয়ে ফোন কেড়ে নেওয়ার যৌক্তিক কারণ জানতে চান। উভয়ের মধ্যে এই নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে পুলিশের একটি গাড়ির চালক এসে তাকে সজোরে ধাক্কা দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। নিজের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে এবং অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে শেষ পর্যন্ত মোবাইল ফোনটি ছাড়াই তাকে ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়। এই ন্যক্কারজনক ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগস :

বীমা কোম্পানির সিএফও হতে লাগবে ৭ যোগ্যতা

পুলিশের বিরুদ্ধে সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ

আপডেট সময় ০২:৪৬:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানীর মিরপুর এলাকায় ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযান চলাকালীন সংবাদ সংগ্রহের সময় পুলিশের বিরুদ্ধে এক জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার মাল্টিমিডিয়া বিভাগের প্রধান এবং মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এমআরএ) সভাপতি ফখরুল ইসলামের সঙ্গে এই অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। গত বুধবার রাতে মিরপুরের ডেল্টা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে এই ঘটনাটি সংঘটিত হয়। পেশাগত কাজে নিয়োজিত একজন গণমাধ্যমকর্মীর ওপর এমন আচরণে সাংবাদিক মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক ফখরুল ইসলাম জানান, সেদিন রাতে কর্মস্থল থেকে নিজের গন্তব্যে ফেরার পথে তিনি ডেল্টা মেডিকেল কলেজের সামনে ফুটপাত দখলমুক্ত করার একটি অভিযান দেখতে পান। কৌতূহল ও পেশাগত তাগিদ থেকেই তিনি নিজের মোটরসাইকেল থামা এবং ওই ঘটনার ভিডিও ধারণ করার চেষ্টা করেন। ঠিক সেই মুহূর্তেই দায়িত্বরত পুলিশের এক সদস্য তার কাছে এসে পরিচয় জানতে চান। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে নিজের পেশাগত পরিচয় দেওয়ার পর পরই পুলিশ সদস্যরা তার হাত থেকে মোবাইল ফোনটি জোরপূর্বক কেড়ে নেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সাংবাদিকতার পরিচয় দেওয়ার পরও পুলিশি হয়রানি থামেনি বরং পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করে। ফখরুল ইসলাম তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি সেখানে উপস্থিত পুলিশের এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে অবহিত করেন এবং তার মোবাইলটি ফেরত চান। কিন্তু ওই কর্মকর্তা মোবাইল ফেরত দেওয়া তো দূরে থাক, উল্টো তার সঙ্গে অত্যন্ত অপেশাদার ও দুর্ব্যবহারমূলক আচরণ করেন। পুলিশের ওই কর্মকর্তা প্রশ্ন তোলেন যে, কেন তিনি পূর্বানুমতি ছাড়াই ভিডিও ধারণ করলেন এবং তিনি আদৌ সাংবাদিকতা পেশার নিয়মকানুন জানেন কি না।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ভুক্তভোগী সাংবাদিক কোনো ধরনের অপরাধমূলক কাজ করেননি জানিয়ে ফোন কেড়ে নেওয়ার যৌক্তিক কারণ জানতে চান। উভয়ের মধ্যে এই নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে পুলিশের একটি গাড়ির চালক এসে তাকে সজোরে ধাক্কা দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। নিজের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে এবং অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে শেষ পর্যন্ত মোবাইল ফোনটি ছাড়াই তাকে ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়। এই ন্যক্কারজনক ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।