ঢাকা ০৪:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo মির্জাপুরে মহাসড়কের পাশে পড়ে আছে মেয়াদোত্তীর্ণ সরকারি ওষুধ Logo মিথিলার কণ্ঠে নতুন গান ‘ভালোবাসি আমি তোমায় বোঝাবো’ Logo চিকিৎসাসেবা বঞ্চিত পাঁচ লাখ মানুষ Logo ডেন্টাল হাইজিনিস্ট থেকে শিল্পী, ফ্লোরিডায় উদ্যোক্তা হিসেবে এগিয়ে চলেছেন সন্দ্বীপের জাহান রিমা Logo চট্টগ্রাম থেকে পরীমনির জন্য ফুল পাঠালেন কে? জয়ের প্রশ্নে নায়িকার জবাব Logo কোর্তোয়া কেন নেই, দেখে নিন এল ক্লাসিকোয় দুই দলের একাদশ Logo সুরের টানে জমজমাট সিডনি অপেরা হাউস Logo অ্যানফিল্ডে লিভারপুলের ‘প্রথম’ জয়, ম্যানইউনাইটেডের লজ্জার হার Logo ১০০-র পর ২০০ মিটারেও সোনা জিতলেন ইমরানুর ও শিরিন Logo পশ্চিমবঙ্গে দ্রুত বাড়ছে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের বিস্তার
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

পশ্চিমবঙ্গে দ্রুত বাড়ছে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের বিস্তার

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:৩০:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে নিজেদের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ বা আরএসএস। সম্প্রতি রাজ্যজুড়ে পরিচালিত একটি বিশেষ জনসংযোগ অভিযانের মাধ্যমে তারা নাটকীয়ভাবে তাদের কার্যপরিধি বিস্তার করেছে। সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, মাত্র দশ দিনের একটি বিশেষ কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করার পর নতুন করে পাঁচ হাজারের বেশি শাখা চালু করা হয়েছে।

এই নতুন শাখাগুলো যুক্ত হওয়ার ফলে বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে সংঘের মোট শাখার সংখ্যা প্রায় দশ হাজারে উন্নীত হয়েছে। সুদূর প্রসারী এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে প্রস্তুতি নিয়েছিল সংগঠনটির নীতিনির্ধারকরা। বিশেষ করে গ্রামীণ ও মফস্বল এলাকায় তরুণ প্রজন্মকে আকৃষ্ট করতে নানা ধরনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পূর্ব ভারতে নিজেদের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব বিস্তারের দীর্ঘমেয়াদী কৌশলের অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নিয়েছে সংঘ পরিবার। পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল রাজ্যে সংগঠনের এমন ব্যাপক বিস্তার স্থানীয় রাজনীতিতে একটি নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। তবে এই বিষয়ে অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে এখনও কোনো বড় প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

আগামী দিনগুলোতে এই নতুন শাখাগুলোর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সংগঠনের আদর্শ পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। স্থানীয় শাখাগুলো নিয়মিত সভা, শারীরিক কসরত এবং মতাদর্শগত আলোচনার মাধ্যমে নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনা করবে। সার্বিকভাবে, পশ্চিমবঙ্গে সংঘের এই দ্রুত বিস্তার রাজ্যটির সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ট্যাগস :

মির্জাপুরে মহাসড়কের পাশে পড়ে আছে মেয়াদোত্তীর্ণ সরকারি ওষুধ

পশ্চিমবঙ্গে দ্রুত বাড়ছে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের বিস্তার

আপডেট সময় ০২:৩০:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে নিজেদের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ বা আরএসএস। সম্প্রতি রাজ্যজুড়ে পরিচালিত একটি বিশেষ জনসংযোগ অভিযانের মাধ্যমে তারা নাটকীয়ভাবে তাদের কার্যপরিধি বিস্তার করেছে। সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, মাত্র দশ দিনের একটি বিশেষ কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করার পর নতুন করে পাঁচ হাজারের বেশি শাখা চালু করা হয়েছে।

এই নতুন শাখাগুলো যুক্ত হওয়ার ফলে বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে সংঘের মোট শাখার সংখ্যা প্রায় দশ হাজারে উন্নীত হয়েছে। সুদূর প্রসারী এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে প্রস্তুতি নিয়েছিল সংগঠনটির নীতিনির্ধারকরা। বিশেষ করে গ্রামীণ ও মফস্বল এলাকায় তরুণ প্রজন্মকে আকৃষ্ট করতে নানা ধরনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পূর্ব ভারতে নিজেদের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব বিস্তারের দীর্ঘমেয়াদী কৌশলের অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নিয়েছে সংঘ পরিবার। পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল রাজ্যে সংগঠনের এমন ব্যাপক বিস্তার স্থানীয় রাজনীতিতে একটি নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। তবে এই বিষয়ে অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে এখনও কোনো বড় প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

আগামী দিনগুলোতে এই নতুন শাখাগুলোর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সংগঠনের আদর্শ পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। স্থানীয় শাখাগুলো নিয়মিত সভা, শারীরিক কসরত এবং মতাদর্শগত আলোচনার মাধ্যমে নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনা করবে। সার্বিকভাবে, পশ্চিমবঙ্গে সংঘের এই দ্রুত বিস্তার রাজ্যটির সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।