আপডেট সময়
০৪:৪৫:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
১
বার পড়া হয়েছে
মির্জাপুরে মহাসড়কের পাশে পড়ে আছে মেয়াদোত্তীর্ণ সরকারি ওষুধ
জাতীয় ডেস্ক: টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশ থেকে বিপুল পরিমাণ মেয়াদোত্তীর্ণ সরকারি ওষুধ উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় সাধারণ মানুষ সকালে মহাসড়কের পাশে ওষুধের বেশ কয়েকটি প্যাকেট পড়ে থাকতে দেখেন। পরে কাছে গিয়ে দেখা যায়, ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা এসব ওষুধের প্রায় প্রতিটিই ব্যবহারের মেয়াদ পেরিয়ে গেছে। কে বা কারা এবং ঠিক কোন উদ্দেশ্যে এই ওষুধগুলো সেখানে ফেলে গেছে, তা নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।এই ঘটনার পর স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে বহু সময় রোগীরা প্রয়োজনীয় ওষুধ পান না এবং তাদের বাইরে থেকে চিকিৎসাপত্র কিনে নিতে হয়। অথচ এমন সংকটজনক পরিস্থিতির মধ্যেও সরকারি ওষুধ এভাবে যত্রতত্র ফেলে নষ্ট করা হচ্ছে। বিষয়টি জনস্বাস্থ্য খাতের ওষুধ সংরক্ষণ ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনার স্বচ্ছতা নিয়ে বড় ধরনের সন্দেহের জন্ম দিয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল অবিলম্বে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।এ বিষয়ে মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোড় ফরিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, তাদের নিজস্ব হাসপাতালে কোনো ধরনের মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ মজুদ নেই। মহাসড়কের পাশে পড়ে থাকা এই ওষুধগুলোর উৎস সম্পর্কেও তিনি বা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রাথমিকভাবে কিছু জানেন না। বিষয়টি জানার পর তিনি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছেন এবং হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছেন।উল্লেখ্য, এর আগে টাঙ্গাইলেরই ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ স্থানীয় একটি নদীর পানিতে ফেলে দেওয়ার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছিল। সেই পুরনো ঘটনার রেশ পুরোপুরি কাটতে না কাটতেই মির্জাপুরে সড়ককাসে সরকারি ওষুধ ফেলে দেওয়ার আরেকটি ঘটনা সামনে আসায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। স্বাস্থ্য খাতের এমন অব্যবস্থাপনা রোধে সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
জাতীয় ডেস্ক: টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশ থেকে বিপুল পরিমাণ মেয়াদোত্তীর্ণ সরকারি ওষুধ উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় সাধারণ মানুষ সকালে মহাসড়কের পাশে ওষুধের বেশ কয়েকটি প্যাকেট পড়ে থাকতে দেখেন। পরে কাছে গিয়ে দেখা যায়, ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা এসব ওষুধের প্রায় প্রতিটিই ব্যবহারের মেয়াদ পেরিয়ে গেছে। কে বা কারা এবং ঠিক কোন উদ্দেশ্যে এই ওষুধগুলো সেখানে ফেলে গেছে, তা নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
এই ঘটনার পর স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে বহু সময় রোগীরা প্রয়োজনীয় ওষুধ পান না এবং তাদের বাইরে থেকে চিকিৎসাপত্র কিনে নিতে হয়। অথচ এমন সংকটজনক পরিস্থিতির মধ্যেও সরকারি ওষুধ এভাবে যত্রতত্র ফেলে নষ্ট করা হচ্ছে। বিষয়টি জনস্বাস্থ্য খাতের ওষুধ সংরক্ষণ ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনার স্বচ্ছতা নিয়ে বড় ধরনের সন্দেহের জন্ম দিয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল অবিলম্বে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোড় ফরিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, তাদের নিজস্ব হাসপাতালে কোনো ধরনের মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ মজুদ নেই। মহাসড়কের পাশে পড়ে থাকা এই ওষুধগুলোর উৎস সম্পর্কেও তিনি বা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রাথমিকভাবে কিছু জানেন না। বিষয়টি জানার পর তিনি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছেন এবং হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছেন।
উল্লেখ্য, এর আগে টাঙ্গাইলেরই ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ স্থানীয় একটি নদীর পানিতে ফেলে দেওয়ার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছিল। সেই পুরনো ঘটনার রেশ পুরোপুরি কাটতে না কাটতেই মির্জাপুরে সড়ককাসে সরকারি ওষুধ ফেলে দেওয়ার আরেকটি ঘটনা সামনে আসায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। স্বাস্থ্য খাতের এমন অব্যবস্থাপনা রোধে সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।