ঢাকা ০৫:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo যুক্তরাষ্ট্রের মাদার অব অল বম্বসের জবাবে ফাদার অব অল বম্বস আনছে ইরান Logo ইসরাইলের বসতি নীতির বিরোধী, জনগণের সঙ্গে বিরোধ নেই: যুক্তরাজ্য Logo ফ্রান্সের অস্থিরতা নিয়ে ট্রাম্পসহ বিদেশি নেতাদের মন্তব্য মূর্খতাপূর্ণ: ম্যাক্রোঁ Logo ইরানের প্রতিরক্ষা কৌশলে পরিবর্তন, শত্রুকে তার ভূখণ্ডেই জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি Logo চট্টগ্রামের ‘রিপু রজনী’ মণ্ডপ ঘুরে যা বললেন অভিনেত্রী পূজা চেরী Logo এপস্টিনের সঙ্গে ভারতের মন্ত্রী পুরির বৈঠকের ছবি প্রকাশ্যে, সরব বিরোধীরা Logo তথ্যের গোপনীয়তা নিয়ে বিভ্রান্তি, মেটাকে ২ হাজার ৫০০ কোটি ডলার জরিমানা Logo সাইবার হামলার শঙ্কায় বিশ্বজুড়ে বহু ওয়েবসাইট বন্ধ Logo অস্ট্রেলিয়াকে ফলো-অন করিয়ে চালকের আসনে দক্ষিণ আফ্রিকা Logo ডিআইজির বাসায় অভিযান, মাদক উদ্ধার নিয়ে প্রশ্ন
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সবার সমান অধিকার নিশ্চিত করতে চায় সরকার: শেখ রবিউল আলম

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:৪৫:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক: ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক বিভাজন ও অনৈক্য দূর করে একটি ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছে বর্তমান সরকার। সম্প্রতি শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনের অংশ হিসেবে ঢাকা-১০ সংসদীয় এলাকার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে এমন মন্তব্য করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, এ দেশের মাটিতে বসবাসকারী প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার ও মর্যাদা রয়েছে, যা কোনো দয়া বা করুণার বিষয় নয়। রাষ্ট্র সবার জন্য উন্মুক্ত এবং এখানে ধর্মের ভিত্তিতে কোনো ধরনের বৈষম্য বা বিভাজন তৈরি করতে দেওয়া হবে না বলে জানান তিনি।

পরিদর্শনকালে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে গিয়ে মন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, দেশের প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা তাদের মৌলিক অধিকারের অংশ। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান যে, সরকার কোনো ধরনের সংঘাত বা অশান্তি চায় না, বরং সব সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখাই তাদের মূল লক্ষ্য। স্থানীয় সংসদ সদস্য হিসেবে জনগণের নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষা করা তার নৈতিক দায়িত্ব উল্লেখ করে তিনি বলেন, এলাকার সাধারণ মানুষ তাকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন, তা তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে যাবেন।

পূজা উদযাপনের সার্বিক পরিবেশ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে বলতে গিয়ে মন্ত্রী জানান যে, সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যাতে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে তাদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারেন, সে বিষয়ে প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রাখা হয়েছে। পূজামণ্ডপগুলোতে যাতে কোনো ধরনের বিঘ্ন না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। পাশাপাশি, উৎসব চলাকালীন যে কোনো ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হলে সরাসরি তাকে বিষয়টি অবহিত করার জন্য স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনকে আহ্বান জানান তিনি।

ঢাকা-১০ এলাকার সামগ্রিক উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মন্ত্রী জানান যে, সরকারের বর্তমান মেয়াদের অল্প সময়ের মধ্যেই বিভিন্ন অবকাঠামোগত সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী দিনগুলোতে এলাকার সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে আরও দৃশ্যমান পরিবর্তন আনার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন তিনি। পরিশেষে, দেশের চলমান সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সুদৃঢ় রাখতে এবং ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সুন্দর, নিরাপদ ও সমৃদ্ধ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

ট্যাগস :

যুক্তরাষ্ট্রের মাদার অব অল বম্বসের জবাবে ফাদার অব অল বম্বস আনছে ইরান

ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সবার সমান অধিকার নিশ্চিত করতে চায় সরকার: শেখ রবিউল আলম

আপডেট সময় ১২:৪৫:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক বিভাজন ও অনৈক্য দূর করে একটি ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছে বর্তমান সরকার। সম্প্রতি শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনের অংশ হিসেবে ঢাকা-১০ সংসদীয় এলাকার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে এমন মন্তব্য করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, এ দেশের মাটিতে বসবাসকারী প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার ও মর্যাদা রয়েছে, যা কোনো দয়া বা করুণার বিষয় নয়। রাষ্ট্র সবার জন্য উন্মুক্ত এবং এখানে ধর্মের ভিত্তিতে কোনো ধরনের বৈষম্য বা বিভাজন তৈরি করতে দেওয়া হবে না বলে জানান তিনি।

পরিদর্শনকালে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে গিয়ে মন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, দেশের প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা তাদের মৌলিক অধিকারের অংশ। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান যে, সরকার কোনো ধরনের সংঘাত বা অশান্তি চায় না, বরং সব সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখাই তাদের মূল লক্ষ্য। স্থানীয় সংসদ সদস্য হিসেবে জনগণের নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষা করা তার নৈতিক দায়িত্ব উল্লেখ করে তিনি বলেন, এলাকার সাধারণ মানুষ তাকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন, তা তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে যাবেন।

পূজা উদযাপনের সার্বিক পরিবেশ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে বলতে গিয়ে মন্ত্রী জানান যে, সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যাতে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে তাদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারেন, সে বিষয়ে প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রাখা হয়েছে। পূজামণ্ডপগুলোতে যাতে কোনো ধরনের বিঘ্ন না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। পাশাপাশি, উৎসব চলাকালীন যে কোনো ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হলে সরাসরি তাকে বিষয়টি অবহিত করার জন্য স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনকে আহ্বান জানান তিনি।

ঢাকা-১০ এলাকার সামগ্রিক উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মন্ত্রী জানান যে, সরকারের বর্তমান মেয়াদের অল্প সময়ের মধ্যেই বিভিন্ন অবকাঠামোগত সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী দিনগুলোতে এলাকার সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে আরও দৃশ্যমান পরিবর্তন আনার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন তিনি। পরিশেষে, দেশের চলমান সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সুদৃঢ় রাখতে এবং ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সুন্দর, নিরাপদ ও সমৃদ্ধ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।