আপডেট সময়
০৭:০২:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
৩
বার পড়া হয়েছে
দক্ষিণ কোরিয়ার খাদ্য কারখানায় বাংলাদেশিদের কাজের সুযোগ
প্রবাস ডেস্ক: দক্ষিণ কোরিয়ার খাদ্য প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান অটোগি করপোরেশনে বাংলাদেশি কর্মীদের নতুন করে কাজের সুযোগ সৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। দেশটির উমসং অঞ্চলে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটির দেপুং প্ল্যান্ট ঘুরে দেখার সময় বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের ব্যাপারে নিজেদের ইতিবাচক মনোভাবের কথা জানিয়েছে কারখানা কর্তৃপক্ষ। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক সম্প্রতি দক্ষিণ কোরিয়া সফরকালে এই প্ল্যান্ট পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সিউল থেকে পাঠানো মন্ত্রণালয়ের একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, এই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।খাদ্য খাতের পাশাপাশি দক্ষিণ কোরিয়ার শীর্ষস্থানীয় ব্যাটারি উপকরণ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান চুনবো কোম্পানিও বাংলাদেশ থেকে আরও শ্রমিক নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানে শতাধিক বাংলাদেশি কর্মী সুনামের সঙ্গে কাজ করছেন এবং সম্প্রতি প্রতিমন্ত্রী কারখানা পরিদর্শনের সময় তাঁদের খোঁজখবর নেন। প্রবাসী কর্মীদের কর্মদক্ষতা ও কাজের প্রতি নিষ্ঠা দেখে চুনবো কর্তৃপক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেছে এবং ভবিষ্যতে কোটা বাড়িয়ে কর্মী নিয়োগের কথা জানিয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশে তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিষয় নিয়েও উভয় পক্ষের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।দক্ষিণ কোরিয়া সফরের অংশ হিসেবে প্রতিমন্ত্রী দেশটির মানবসম্পদ উন্নয়ন সংস্থা এইচআরডি কোরিয়ার প্রধান লি বিয়ং-হুনের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন। ওই বৈঠকে কর্মসংস্থান অনুমতি ব্যবস্থা বা ইপিএস কাঠামোর আওতায় দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরালো করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। এছাড়া কর্মী নিয়োগের পুরো প্রক্রিয়াটিকে আরও সহজ করা এবং অপেক্ষমাণ বাংলাদেশিদের নির্ধারিত কোটা অনুযায়ী দ্রুত সময়ের মধ্যে কোরিয়ায় পাঠানোর বিষয়টিও আলোচনায় প্রাধান্য পায়।এদিকে চংজু সিটি, উমসং কাউন্টি ও গাংহওয়া কাউন্টির স্থানীয় মেয়রদের সঙ্গেও পৃথক বৈঠক করেছেন প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী। বিশেষ করে বিদেশি মৌসুমি কর্মী কর্মসূচির আওতায় কৃষি খাতে বাংলাদেশি শ্রমিক নিয়োগের পরিসর বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কৃষি খাতের শ্রম ঘাটতি মেটাতে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরকারী অঞ্চলের পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে সমন্বয় বৃদ্ধির বিষয়ে একমত হয়েছেন স্থানীয় প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা। কোরিয়ার বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি মহলের সঙ্গে এই ধারাবাহিক যোগাযোগ এবং সফল আলোচনার মধ্য দিয়ে দেশটির শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রবাস ডেস্ক: দক্ষিণ কোরিয়ার খাদ্য প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান অটোগি করপোরেশনে বাংলাদেশি কর্মীদের নতুন করে কাজের সুযোগ সৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। দেশটির উমসং অঞ্চলে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটির দেপুং প্ল্যান্ট ঘুরে দেখার সময় বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের ব্যাপারে নিজেদের ইতিবাচক মনোভাবের কথা জানিয়েছে কারখানা কর্তৃপক্ষ। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক সম্প্রতি দক্ষিণ কোরিয়া সফরকালে এই প্ল্যান্ট পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সিউল থেকে পাঠানো মন্ত্রণালয়ের একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, এই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
খাদ্য খাতের পাশাপাশি দক্ষিণ কোরিয়ার শীর্ষস্থানীয় ব্যাটারি উপকরণ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান চুনবো কোম্পানিও বাংলাদেশ থেকে আরও শ্রমিক নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানে শতাধিক বাংলাদেশি কর্মী সুনামের সঙ্গে কাজ করছেন এবং সম্প্রতি প্রতিমন্ত্রী কারখানা পরিদর্শনের সময় তাঁদের খোঁজখবর নেন। প্রবাসী কর্মীদের কর্মদক্ষতা ও কাজের প্রতি নিষ্ঠা দেখে চুনবো কর্তৃপক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেছে এবং ভবিষ্যতে কোটা বাড়িয়ে কর্মী নিয়োগের কথা জানিয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশে তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিষয় নিয়েও উভয় পক্ষের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।
দক্ষিণ কোরিয়া সফরের অংশ হিসেবে প্রতিমন্ত্রী দেশটির মানবসম্পদ উন্নয়ন সংস্থা এইচআরডি কোরিয়ার প্রধান লি বিয়ং-হুনের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন। ওই বৈঠকে কর্মসংস্থান অনুমতি ব্যবস্থা বা ইপিএস কাঠামোর আওতায় দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরালো করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। এছাড়া কর্মী নিয়োগের পুরো প্রক্রিয়াটিকে আরও সহজ করা এবং অপেক্ষমাণ বাংলাদেশিদের নির্ধারিত কোটা অনুযায়ী দ্রুত সময়ের মধ্যে কোরিয়ায় পাঠানোর বিষয়টিও আলোচনায় প্রাধান্য পায়।
এদিকে চংজু সিটি, উমসং কাউন্টি ও গাংহওয়া কাউন্টির স্থানীয় মেয়রদের সঙ্গেও পৃথক বৈঠক করেছেন প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী। বিশেষ করে বিদেশি মৌসুমি কর্মী কর্মসূচির আওতায় কৃষি খাতে বাংলাদেশি শ্রমিক নিয়োগের পরিসর বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কৃষি খাতের শ্রম ঘাটতি মেটাতে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরকারী অঞ্চলের পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে সমন্বয় বৃদ্ধির বিষয়ে একমত হয়েছেন স্থানীয় প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা। কোরিয়ার বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি মহলের সঙ্গে এই ধারাবাহিক যোগাযোগ এবং সফল আলোচনার মধ্য দিয়ে দেশটির শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।