আপডেট সময়
০২:০০:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
২
বার পড়া হয়েছে
তেহরান-মস্কোর কৌশলগত অংশীদারত্ব জোরদারে দুই প্রেসিডেন্টের বৈঠক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরান ও রাশিয়ার মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন খুব শীঘ্রই মস্কোয় এক বৈঠকে মিলিত হতে যাচ্ছেন। সম্প্রতি তেহরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দুই দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানো এবং চলমান আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করাই এই শীর্ষ বৈঠকের প্রধান উদ্দেশ্য হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।এর আগে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের তেহরান সফরের সময় দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই আলোচনার সূত্র ধরেই মূলত দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের এই আসন্ন মস্কো সফর ও বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। বৈঠকে রাজনৈতিক অংশীদারত্ব শক্তিশালী করার পাশাপাশি বিগত চুক্তিগুলোর যথাযথ বাস্তবায়ন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করা হবে।উল্লেখ্য যে, এর আগে পেজেশকিয়ানের মস্কো সফরের সময় তেহরান ও মস্কোর মধ্যে একটি ব্যাপকভিত্তিক কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এই চুক্তির আওতায় নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, জ্বালানি, অর্থনীতি এবং পরিবহন খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোতে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর সুনির্দিষ্ট কাঠামো তৈরি করা হয়েছে। তাছাড়া আঞ্চলিক শান্তি বজায় রাখতে এবং অভিন্ন স্বার্থ সুরক্ষায় দুই দেশ নিয়মিত কূটনৈতিক যোগাযোগ রক্ষা করে চলছে।বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক তৎপরতা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান নানা উত্তেজনার মধ্যেই মস্কো ও তেহরান তাদের কৌশলগত সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। সার্বিক পরিস্থিতিতে এই দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরান ও রাশিয়ার মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন খুব শীঘ্রই মস্কোয় এক বৈঠকে মিলিত হতে যাচ্ছেন। সম্প্রতি তেহরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দুই দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানো এবং চলমান আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করাই এই শীর্ষ বৈঠকের প্রধান উদ্দেশ্য হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।
এর আগে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের তেহরান সফরের সময় দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই আলোচনার সূত্র ধরেই মূলত দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের এই আসন্ন মস্কো সফর ও বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। বৈঠকে রাজনৈতিক অংশীদারত্ব শক্তিশালী করার পাশাপাশি বিগত চুক্তিগুলোর যথাযথ বাস্তবায়ন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করা হবে।
উল্লেখ্য যে, এর আগে পেজেশকিয়ানের মস্কো সফরের সময় তেহরান ও মস্কোর মধ্যে একটি ব্যাপকভিত্তিক কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এই চুক্তির আওতায় নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, জ্বালানি, অর্থনীতি এবং পরিবহন খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোতে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর সুনির্দিষ্ট কাঠামো তৈরি করা হয়েছে। তাছাড়া আঞ্চলিক শান্তি বজায় রাখতে এবং অভিন্ন স্বার্থ সুরক্ষায় দুই দেশ নিয়মিত কূটনৈতিক যোগাযোগ রক্ষা করে চলছে।
বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক তৎপরতা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান নানা উত্তেজনার মধ্যেই মস্কো ও তেহরান তাদের কৌশলগত সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। সার্বিক পরিস্থিতিতে এই দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।