আপডেট সময়
০১:৩০:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
২
বার পড়া হয়েছে
সৌদি আরবগামী ১৪১ ফ্লাইট বিঘ্ন, ২২ হাজার যাত্রী ক্ষতিগ্রস্ত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিদের অব্যাহত হামলার হুমকিতে সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে কঠোর নিরাপত্তা বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। এই নিরাপত্তার কড়াকড়ির সরাসরি প্রভাব পড়েছে বিমান চলাচলের ওপর, যার ফলে গত ১১ অক্টোবর থেকে ঢাকা ও রিয়াদের মধ্যে ফ্লাইট পরিচালনা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের এই অঞ্চলের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট এই অচলাবস্থায় বিপাকে পড়েছেন বিমানযাত্রীরা।সৌদি আরবগামী ফ্লাইটগুলোতে এই জটিলতা তৈরি হওয়ায় শেষ পর্যন্ত প্রায় ১৪১টি ফ্লাইটের সিডিউল ও যাতায়াত ব্যাহত হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে ফ্লাইট চলাচল না করায় যাত্রীদের ভ্রমণের পরিকল্পনা সম্পূর্ণ পণ্ড হয়ে গেছে এবং অনেকে দীর্ঘ সময় বিমানবন্দরে অপেক্ষা করতে বাধ্য হচ্ছেন। আকস্মিক এই ফ্লাইট বিপর্যয়ের কারণে উভয় দেশের বিমান চলাচলের কার্যক্রমে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে।ফ্লাইট বাতিলের এই অনভিপ্রেত ঘটনার জেরে সব মিলিয়ে প্রায় ২২ হাজার যাত্রী চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। নির্দিষ্ট সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে না পেরে প্রবাসী কর্মী এবং বিভিন্ন কাজে ভ্রমণকারী যাত্রীরা বড় ধরনের অনিশ্চয়তা ও মানসিক চাপের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। বিশেষ করে অনেক প্রবাসীর ভিসার মেয়াদ ও ছুটির বিষয়টি নিয়ে গভীর সংকট তৈরি হয়েছে।সংশ্লিষ্ট বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এবং এয়ারলাইনসগুলো উদ্ভূত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এবং আটকে পড়া যাত্রীদের বিকল্প ব্যবস্থায় গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাতময় পরিস্থিতির কারণে বিমান চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গিয়ে ফ্লাইট শিডিউল পুরোপুরি স্বাভাবিক করতে কিছুটা সময় লাগবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিদের অব্যাহত হামলার হুমকিতে সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে কঠোর নিরাপত্তা বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। এই নিরাপত্তার কড়াকড়ির সরাসরি প্রভাব পড়েছে বিমান চলাচলের ওপর, যার ফলে গত ১১ অক্টোবর থেকে ঢাকা ও রিয়াদের মধ্যে ফ্লাইট পরিচালনা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের এই অঞ্চলের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট এই অচলাবস্থায় বিপাকে পড়েছেন বিমানযাত্রীরা।
সৌদি আরবগামী ফ্লাইটগুলোতে এই জটিলতা তৈরি হওয়ায় শেষ পর্যন্ত প্রায় ১৪১টি ফ্লাইটের সিডিউল ও যাতায়াত ব্যাহত হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে ফ্লাইট চলাচল না করায় যাত্রীদের ভ্রমণের পরিকল্পনা সম্পূর্ণ পণ্ড হয়ে গেছে এবং অনেকে দীর্ঘ সময় বিমানবন্দরে অপেক্ষা করতে বাধ্য হচ্ছেন। আকস্মিক এই ফ্লাইট বিপর্যয়ের কারণে উভয় দেশের বিমান চলাচলের কার্যক্রমে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে।
ফ্লাইট বাতিলের এই অনভিপ্রেত ঘটনার জেরে সব মিলিয়ে প্রায় ২২ হাজার যাত্রী চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। নির্দিষ্ট সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে না পেরে প্রবাসী কর্মী এবং বিভিন্ন কাজে ভ্রমণকারী যাত্রীরা বড় ধরনের অনিশ্চয়তা ও মানসিক চাপের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। বিশেষ করে অনেক প্রবাসীর ভিসার মেয়াদ ও ছুটির বিষয়টি নিয়ে গভীর সংকট তৈরি হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এবং এয়ারলাইনসগুলো উদ্ভূত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এবং আটকে পড়া যাত্রীদের বিকল্প ব্যবস্থায় গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাতময় পরিস্থিতির কারণে বিমান চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গিয়ে ফ্লাইট শিডিউল পুরোপুরি স্বাভাবিক করতে কিছুটা সময় লাগবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।