ঢাকা ০১:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ Logo কম্বোডিয়া থেকে ৯ মাসে বহিষ্কার তিন হাজারের বেশি বাংলাদেশি, আলোচনায় সাইবার স্ক্যাম Logo জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কারো অবৈধ সাম্রাজ্য টিকানোর দায়িত্ব পুলিশের নয়: হাসনাত আবদুল্লাহ Logo বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী Logo দেশের প্রথম ই-পারিবারিক আপিল আদালত চালু হচ্ছে কাল Logo সমুদ্রে মাছের অভয়াশ্রম তৈরি করা হচ্ছে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী Logo আইজিপির দায়িত্ব থেকে অতি দ্রুত সরে যাওয়া উচিত: নাহিদ ইসলাম Logo ভারি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত অন্ধ্রপ্রদেশের জনজীবন, প্রায় ২ লাখ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে Logo বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে ইউনিক্লোকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান Logo দর্শকের চেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যই যেন বেশি
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

কম্বোডিয়া থেকে ৯ মাসে বহিষ্কার তিন হাজারের বেশি বাংলাদেশি, আলোচনায় সাইবার স্ক্যাম

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:০১:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: অনলাইন প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে পরিচালিত জোরালো অভিযানে কম্বোডিয়া থেকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশিকে বহিষ্কার করা হয়েছে। চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে দেশটির অভিবাসন কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন দেশের ৫২ হাজারেরও বেশি নাগরিককে আটক ও নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশির সংখ্যা তিন হাজারের বেশি বলে দেশটির সরকারি প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত প্রতিবেদনের বরাতে জানা গেছে, দেশটিতে ক্রমবর্ধমান সাইবার অপরাধ চক্রের তৎপরতা রোধে এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

কম্বোডিয়ার জেনারেল ডিপার্টমেন্ট অব ইমিগ্রেশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নির্দিষ্ট এই সময়সীমার মধ্যে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলো দেশজুড়ে তিন হাজারের বেশি অভিযান পরিচালনা করে। এসব অভিযানে মোট ৮৭টি দেশের নাগরিক আটকের পর বহিষ্কারের শিকার হন। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এই বহিষ্কারের সংখ্যা নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা কম্বোডিয়া সরকারের সাইবার অপরাধ দমনের নীতিকেই জোরালোভাবে নির্দেশ করে। বহিষ্কৃতদের এই তালিকায় সবচেয়ে বড় অংশজুড়ে রয়েছে চীনা ও ইন্দোনেশীয় নাগরিকরা।

প্রকাশিত প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, বহিষ্কৃতদের মধ্যে প্রায় ২৩ হাজার চীনা নাগরিক এবং আট হাজারের বেশি ইন্দোনেশীয় নাগরিক রয়েছেন। এছাড়া চার হাজারের অধিক ভিয়েতনামি এবং তিন হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি নাগরিককে এই তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এর বাইরে পাকিস্তান, মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডের নাগরিকেরাও বহিষ্কৃতদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। তবে এই বিশাল জনগোষ্ঠীর ঠিক কতজন সরাসরি অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং কতজন মানবপাচারের শিকার হয়ে সেখানে আটকা পড়েছিলেন, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো আলাদা পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়নি।

এদিকে বহিষ্কৃতদের প্রকৃত অবস্থান ও আইনি সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মানবপাচার রোধে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠন। অনির্বাণ সারভাইভার ভয়েস ফাউন্ডেশন নামক একটি সংস্থা মনে করে, বহিষ্কৃত বাংলাদেশিদের মধ্যে অনেকেই মানবপাচারের শিকার হয়ে জোরপূর্বক এসব অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে থাকতে পারেন। তাই কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই ছাড়াই সবাইকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত না করে, ভুক্তভোগী ও অপরাধীদের আলাদা করতে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। একইসঙ্গে যারা প্রকৃতপক্ষে পাচারের শিকার হয়েছেন, তাদের যথাযথ সুরক্ষা ও পুনর্বাসনের জন্য রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে সংগঠনটি।

ট্যাগস :

মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

কম্বোডিয়া থেকে ৯ মাসে বহিষ্কার তিন হাজারের বেশি বাংলাদেশি, আলোচনায় সাইবার স্ক্যাম

আপডেট সময় ০১:০১:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: অনলাইন প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে পরিচালিত জোরালো অভিযানে কম্বোডিয়া থেকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশিকে বহিষ্কার করা হয়েছে। চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে দেশটির অভিবাসন কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন দেশের ৫২ হাজারেরও বেশি নাগরিককে আটক ও নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশির সংখ্যা তিন হাজারের বেশি বলে দেশটির সরকারি প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত প্রতিবেদনের বরাতে জানা গেছে, দেশটিতে ক্রমবর্ধমান সাইবার অপরাধ চক্রের তৎপরতা রোধে এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

কম্বোডিয়ার জেনারেল ডিপার্টমেন্ট অব ইমিগ্রেশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নির্দিষ্ট এই সময়সীমার মধ্যে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলো দেশজুড়ে তিন হাজারের বেশি অভিযান পরিচালনা করে। এসব অভিযানে মোট ৮৭টি দেশের নাগরিক আটকের পর বহিষ্কারের শিকার হন। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এই বহিষ্কারের সংখ্যা নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা কম্বোডিয়া সরকারের সাইবার অপরাধ দমনের নীতিকেই জোরালোভাবে নির্দেশ করে। বহিষ্কৃতদের এই তালিকায় সবচেয়ে বড় অংশজুড়ে রয়েছে চীনা ও ইন্দোনেশীয় নাগরিকরা।

প্রকাশিত প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, বহিষ্কৃতদের মধ্যে প্রায় ২৩ হাজার চীনা নাগরিক এবং আট হাজারের বেশি ইন্দোনেশীয় নাগরিক রয়েছেন। এছাড়া চার হাজারের অধিক ভিয়েতনামি এবং তিন হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি নাগরিককে এই তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এর বাইরে পাকিস্তান, মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডের নাগরিকেরাও বহিষ্কৃতদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। তবে এই বিশাল জনগোষ্ঠীর ঠিক কতজন সরাসরি অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং কতজন মানবপাচারের শিকার হয়ে সেখানে আটকা পড়েছিলেন, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো আলাদা পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়নি।

এদিকে বহিষ্কৃতদের প্রকৃত অবস্থান ও আইনি সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মানবপাচার রোধে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠন। অনির্বাণ সারভাইভার ভয়েস ফাউন্ডেশন নামক একটি সংস্থা মনে করে, বহিষ্কৃত বাংলাদেশিদের মধ্যে অনেকেই মানবপাচারের শিকার হয়ে জোরপূর্বক এসব অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে থাকতে পারেন। তাই কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই ছাড়াই সবাইকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত না করে, ভুক্তভোগী ও অপরাধীদের আলাদা করতে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। একইসঙ্গে যারা প্রকৃতপক্ষে পাচারের শিকার হয়েছেন, তাদের যথাযথ সুরক্ষা ও পুনর্বাসনের জন্য রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে সংগঠনটি।