ঢাকা ১২:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী Logo দেশের প্রথম ই-পারিবারিক আপিল আদালত চালু হচ্ছে কাল Logo সমুদ্রে মাছের অভয়াশ্রম তৈরি করা হচ্ছে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী Logo আইজিপির দায়িত্ব থেকে অতি দ্রুত সরে যাওয়া উচিত: নাহিদ ইসলাম Logo ভারি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত অন্ধ্রপ্রদেশের জনজীবন, প্রায় ২ লাখ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে Logo বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে ইউনিক্লোকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান Logo দর্শকের চেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যই যেন বেশি Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গভর্নরের বৈঠক, ঢাকায় কার্যালয় খোলার আলোচনা Logo বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ উন্নয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী Logo ঠাকুরগাঁও উপ-নির্বাচন: জামায়াত-বিএনপির পাল্টাপাল্টি অভিযোগ আচরণবিধি লঙ্ঘন ও পক্ষপাতিত্বের
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

দেশের প্রথম ই-পারিবারিক আপিল আদালত চালু হচ্ছে কাল

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:১৫:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

আইন-আদালত ডেস্ক: কাগজবিহীন বিচারিক কার্যক্রমের পরিধি আরও বিস্তৃত করতে রাজধানীতে খুব শীঘ্রই চালু হতে যাচ্ছে দেশের প্রথম ই-পারিবারিক আপিল আদালত। এই ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে বিচারপ্রার্থীরা এখন থেকে অনলাইনে মামলা দায়ের করা থেকে শুরু করে শুনানিতে অংশ নেওয়া এবং সাক্ষ্য ও জেরা প্রক্রিয়ায় যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন। সরকারের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমিয়ে পারিবারিক বিচারিক সেবাকে আরও দ্রুত, সহজ এবং সম্পূর্ণ স্বচ্ছ করে তোলা।

এর আগে গত বছরের শেষের দিকে ঢাকা ও চট্টগ্রামে পরীক্ষামূলকভাবে দুটি ই-পারিবারিক আদালত চালু করা হয়েছিল। সেই সফল অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করেই এবার ঢাকায় আরও একটি নতুন ই-পারিবারিক আদালত এবং এই আপিল আদালত চালুর সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার একটি ই-পারিবারিক আদালতেই ইতোমধ্যে প্রায় দেড় শতাধিক মামলা দায়ের হয়েছে এবং এর একটি উল্লেখযোগ্য অংশের সফল নিষ্পত্তিও হয়েছে।

ডিজিটাল এই বিচার ব্যবস্থার ফলে বিচারপ্রার্থীদের দীর্ঘসূত্রতার মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে না। প্রচলিত নিয়মে আদেশের সার্টিফাইড কপির জন্য সপ্তাহের বেশি সময় অপেক্ষা করতে হলেও বর্তমানে নামমাত্র ফি দিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সেটি সংগ্রহ করা যাচ্ছে। পাশাপাশি, ডিজিটাল কপির সত্যতা যাচাইয়ে কিউআর কোডের ব্যবহার এবং সরাসরি সরকারি কোষাগারে ফি জমা হওয়ার ব্যবস্থা প্রক্রিয়াটিকে আরও দুর্নীতিমুক্ত ও আস্থার জায়গা তৈরি করেছে।

নতুন এই আদালত পরিচালনায় চারজন অভিজ্ঞ বিচারক ছাড়াও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিচারিক কার্যক্রমে সহজে অভ্যস্ত করে তুলতে ঢাকা ও চট্টগ্রামের সহস্রাধিক আইনজীবীকেও বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান করেছে আইন মন্ত্রণালয়। অন্যদিকে, স্মার্টফোন ব্যবহারে অক্ষম বা প্রযুক্তি সম্পর্কে কম ধারণা রাখা সাধারণ মানুষ সরকারি লিগ্যাল এইড সেবার মাধ্যমে খুব সহজেই এই ডিজিটাল সুবিধার আওতায় আসতে পারবেন।

ট্যাগস :

বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী

দেশের প্রথম ই-পারিবারিক আপিল আদালত চালু হচ্ছে কাল

আপডেট সময় ১২:১৫:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

আইন-আদালত ডেস্ক: কাগজবিহীন বিচারিক কার্যক্রমের পরিধি আরও বিস্তৃত করতে রাজধানীতে খুব শীঘ্রই চালু হতে যাচ্ছে দেশের প্রথম ই-পারিবারিক আপিল আদালত। এই ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে বিচারপ্রার্থীরা এখন থেকে অনলাইনে মামলা দায়ের করা থেকে শুরু করে শুনানিতে অংশ নেওয়া এবং সাক্ষ্য ও জেরা প্রক্রিয়ায় যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন। সরকারের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমিয়ে পারিবারিক বিচারিক সেবাকে আরও দ্রুত, সহজ এবং সম্পূর্ণ স্বচ্ছ করে তোলা।

এর আগে গত বছরের শেষের দিকে ঢাকা ও চট্টগ্রামে পরীক্ষামূলকভাবে দুটি ই-পারিবারিক আদালত চালু করা হয়েছিল। সেই সফল অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করেই এবার ঢাকায় আরও একটি নতুন ই-পারিবারিক আদালত এবং এই আপিল আদালত চালুর সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার একটি ই-পারিবারিক আদালতেই ইতোমধ্যে প্রায় দেড় শতাধিক মামলা দায়ের হয়েছে এবং এর একটি উল্লেখযোগ্য অংশের সফল নিষ্পত্তিও হয়েছে।

ডিজিটাল এই বিচার ব্যবস্থার ফলে বিচারপ্রার্থীদের দীর্ঘসূত্রতার মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে না। প্রচলিত নিয়মে আদেশের সার্টিফাইড কপির জন্য সপ্তাহের বেশি সময় অপেক্ষা করতে হলেও বর্তমানে নামমাত্র ফি দিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সেটি সংগ্রহ করা যাচ্ছে। পাশাপাশি, ডিজিটাল কপির সত্যতা যাচাইয়ে কিউআর কোডের ব্যবহার এবং সরাসরি সরকারি কোষাগারে ফি জমা হওয়ার ব্যবস্থা প্রক্রিয়াটিকে আরও দুর্নীতিমুক্ত ও আস্থার জায়গা তৈরি করেছে।

নতুন এই আদালত পরিচালনায় চারজন অভিজ্ঞ বিচারক ছাড়াও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিচারিক কার্যক্রমে সহজে অভ্যস্ত করে তুলতে ঢাকা ও চট্টগ্রামের সহস্রাধিক আইনজীবীকেও বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান করেছে আইন মন্ত্রণালয়। অন্যদিকে, স্মার্টফোন ব্যবহারে অক্ষম বা প্রযুক্তি সম্পর্কে কম ধারণা রাখা সাধারণ মানুষ সরকারি লিগ্যাল এইড সেবার মাধ্যমে খুব সহজেই এই ডিজিটাল সুবিধার আওতায় আসতে পারবেন।