ঢাকা ১২:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo রোনালদোর ৭ নম্বর জার্সির কী হবে Logo এনবিআরের ঢালাও ব্যাংক হিসাব জব্দে ব্যবসায়ী মহলে উৎকন্ঠা Logo ডিসেম্বরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ফেরার সুযোগ নেই, মাঠে থাকবে এনসিপি: নাহিদ ইসলাম Logo যুক্তরাষ্ট্রের বাজারেও এ দেশের ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে Logo পুরো সংস্কার প্রক্রিয়াকে ভন্ডুল করে দিতে চাচ্ছে সরকার: নাহিদ ইসলাম Logo নিজের উপার্জনে নিজের জায়গা Logo ৬৮ হাজার গ্রামে পাঠাগার গড়ার স্বপ্ন, যাত্রা শুরু করল বাংলাদেশ পাঠাগার আন্দোলন Logo উত্তরায় প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো দানোত্তম কঠিন চীবর দান Logo ‘হাসানের বোলিং ভালো না লাগার কোনো কারণই নেই’ Logo জিম্বাবুয়ে ৫০৬, চাপে আফগানিস্তান
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

উত্তরায় প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো দানোত্তম কঠিন চীবর দান

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:৩০:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

ধর্ম ডেস্ক: রাজধানীর উত্তরা এলাকার ১৭ নম্বর সেক্টরে অবস্থিত বিএসএসপি বিশ্বশান্তি কুটিরে প্রথমবারের মতো অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী দানোত্তম কঠিন চীবর দান। সম্প্রতি দিনব্যাপী আয়োজিত এই ধর্মীয় উৎসবে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিপুলসংখ্যক বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী উপাসক-উপাসিকা অংশগ্রহণ করেন। নতুন এই ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে এমন একটি তাৎপর্যপূর্ণ অনুষ্ঠান আয়োজন স্থানীয় সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার সৃষ্টি করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান ভিক্ষুসংঘের গুরু হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভদন্ত শাসনরক্ষিত মহাথের এবং তাঁর সাথে অন্যান্য বৌদ্ধ ভিক্ষুরা। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমাসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ঢাকায় এসে বসবাস করা বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মানুষের উদ্যোগে এই কুটিরটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যা তাদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক চর্চাকে আরও সুদৃঢ় করবে।

বৌদ্ধ ধর্মীয় অনুশাসন অনুযায়ী, কঠিন চীবর দানকে সব দানের মধ্যে শ্রেষ্ঠ বলে বিবেচনা করা হয়। সাধারণত তিন মাসের বর্ষাবাস সমাপ্তির পর প্রবারণা পূর্ণিমা থেকে কার্তিকী পূর্ণিমা পর্যন্ত নির্দিষ্ট কিছু নিয়মের মধ্য দিয়ে এই বিশেষ দানানুষ্ঠান সম্পন্ন করা হয়। বৌদ্ধ বিশ্বাস অনুযায়ী, এই পূণ্যময় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের মাধ্যমে অসীম পুণ্য অর্জিত হয় এবং আত্মশুদ্ধি লাভ করা সম্ভব হয়।

সারাদিনব্যাপী বিভিন্ন মাঙ্গলিক আনুষ্ঠানিকতা ও প্রার্থনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয়। পরিশেষে সমগ্র মানবজাতির সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও বিশ্বকল্যাণ কামনা করে এই ধর্মীয় উৎসবের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

রোনালদোর ৭ নম্বর জার্সির কী হবে

উত্তরায় প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো দানোত্তম কঠিন চীবর দান

আপডেট সময় ১০:৩০:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

ধর্ম ডেস্ক: রাজধানীর উত্তরা এলাকার ১৭ নম্বর সেক্টরে অবস্থিত বিএসএসপি বিশ্বশান্তি কুটিরে প্রথমবারের মতো অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী দানোত্তম কঠিন চীবর দান। সম্প্রতি দিনব্যাপী আয়োজিত এই ধর্মীয় উৎসবে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিপুলসংখ্যক বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী উপাসক-উপাসিকা অংশগ্রহণ করেন। নতুন এই ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে এমন একটি তাৎপর্যপূর্ণ অনুষ্ঠান আয়োজন স্থানীয় সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার সৃষ্টি করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান ভিক্ষুসংঘের গুরু হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভদন্ত শাসনরক্ষিত মহাথের এবং তাঁর সাথে অন্যান্য বৌদ্ধ ভিক্ষুরা। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমাসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ঢাকায় এসে বসবাস করা বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মানুষের উদ্যোগে এই কুটিরটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যা তাদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক চর্চাকে আরও সুদৃঢ় করবে।

বৌদ্ধ ধর্মীয় অনুশাসন অনুযায়ী, কঠিন চীবর দানকে সব দানের মধ্যে শ্রেষ্ঠ বলে বিবেচনা করা হয়। সাধারণত তিন মাসের বর্ষাবাস সমাপ্তির পর প্রবারণা পূর্ণিমা থেকে কার্তিকী পূর্ণিমা পর্যন্ত নির্দিষ্ট কিছু নিয়মের মধ্য দিয়ে এই বিশেষ দানানুষ্ঠান সম্পন্ন করা হয়। বৌদ্ধ বিশ্বাস অনুযায়ী, এই পূণ্যময় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের মাধ্যমে অসীম পুণ্য অর্জিত হয় এবং আত্মশুদ্ধি লাভ করা সম্ভব হয়।

সারাদিনব্যাপী বিভিন্ন মাঙ্গলিক আনুষ্ঠানিকতা ও প্রার্থনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয়। পরিশেষে সমগ্র মানবজাতির সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও বিশ্বকল্যাণ কামনা করে এই ধর্মীয় উৎসবের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।