ঢাকা ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo বৃহত্তর জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান নেতানিয়াহুর, আজ বৈঠকে বসছেন বিরোধীরা Logo বসতঘরের মেঝেতে ‘জেগে উঠল’ দুই কবর, জমজমাট ঝাড়ফুঁকের আসর Logo আয়–উপার্জনে বরকত পেতে নবীজির শেখানো ৫ আমল Logo প্রতিষ্ঠার এক বছরে ৩০ জেলায় এইচআরডিএস-এর কার্যক্রম বিস্তৃত Logo ক্ষমতাসীনেরা মধ্যবর্তী নির্বাচনে জেতে না, তবে আমরা জোর চেষ্টা চালাচ্ছি: ট্রাম্প Logo প্রকৌশলীর কারসাজিতে যুবলীগ নেতার প্রতিষ্ঠানকে দেড়শ কোটি টাকার কাজ Logo ৩৬ ঘণ্টা সরবরাহ বন্ধ থাকবে, চট্টগ্রামে কমতে পারে গ্যাসের চাপ Logo দলীয় নেতার সমর্থন হারানোর দিনই আল–সাইয়েদের তহবিলে রেকর্ড অর্থ Logo সিসিটি পরিচালনায় সাইফ পাওয়ারটেকের মেয়াদ বাড়ল আরো তিন সপ্তাহ Logo পিএসজি-রিয়ালের চেয়ে পিছিয়ে নেই বার্সেলোনা, দাবি গর্ডনের
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

আয়–উপার্জনে বরকত পেতে নবীজির শেখানো ৫ আমল

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:৪৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

ধর্ম ডেস্ক: দৈনন্দিন জীবিকায় বরকত ও প্রাচুর্য অর্জনের জন্য ইসলাম ধর্মে বেশ কিছু আমলের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মহানবী হজরত মুহাম্মদ সা. তাঁর উম্মতদের এমন কিছু সুনির্দিষ্ট আমল শিখিয়েছেন, যা নিয়মিত চর্চা করলে উপার্জনের পথ সুগম হয় এবং অভাব দূর হয়। বিশ্বনবীর বাতলে দেওয়া এসব আমল শুধু পরকালের মুক্তির জন্যই নয়, বরং পার্থিব জীবনে সচ্ছলতা ও মনের প্রশান্তি আনতেও দারুণভাবে কার্যকর।

উপার্জনে বরকত লাভের অন্যতম প্রধান একটি আমল হলো নিয়মিত ও যথাযথভাবে ইস্তিগফার বা ক্ষমা প্রার্থনা করা। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে বর্ণিত হয়েছে যে, নিয়মিত তওবা করলে এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইলে রিজিকের দরজা খুলে যায় ও সব ধরনের সংকট কেটে যায়। প্রাত্যহিক জীবনের ব্যস্ততার মাঝেও বেশি বেশি আস্তাগফিরুল্লাহ পাঠ করা উচিত, যা বান্দা ও আল্লাহর মধ্যে আত্মিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করে।

রিজিকে বরকত পাওয়ার দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হলো মহান আল্লাহর প্রতি পূর্ণ তাওয়াক্কুল বা ভরসা রাখা। মানুষ তার সাধ্যমতো চেষ্টা ও শ্রম ব্যয় করবে, তবে সাফল্যের মালিক একমাত্র আল্লাহ—এই বিশ্বাস মনে ধারণ করতে হবে। যিনি একমাত্র আল্লাহর ওপর ভরসা করে জীবিকা অন্বেষণ করেন, আল্লাহ তাঁকে এমন উৎস থেকে রিজিক দান করেন যা তাঁর ধারণার বাইরে থাকে।

আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা এবং নিয়মিত আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করা উপার্জনে বরকতের পথ প্রশস্ত করে। নবী করিম সা. বলেছেন যে ব্যক্তি তার আয়ু বৃদ্ধি ও রিজিক প্রশস্ত করতে চায়, সে যেন তার আত্মীয়দের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করে। এটি কেবল সামাজিক বন্ধনই সুদৃঢ় করে না, বরং আল্লাহর রহমত ও বরকতকেও ত্বরান্বিত করে।

জীবিকার ক্ষেত্রে উপার্জনের মাধ্যম যেন সবসময় হালাল ও পবিত্র হয়, সেদিকে কঠোরভাবে নজর দেওয়া উচিত। হারাম উপার্জনের মধ্যে কোনো বরকত থাকে না এবং তা দোয়া কবুলের ক্ষেত্রেও বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। পরিশেষে, সর্বদা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করা এবং দানশীলতা বজায় রাখলে উপার্জনে বরকত বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান নেতানিয়াহুর, আজ বৈঠকে বসছেন বিরোধীরা

আয়–উপার্জনে বরকত পেতে নবীজির শেখানো ৫ আমল

আপডেট সময় ০৪:৪৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

ধর্ম ডেস্ক: দৈনন্দিন জীবিকায় বরকত ও প্রাচুর্য অর্জনের জন্য ইসলাম ধর্মে বেশ কিছু আমলের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মহানবী হজরত মুহাম্মদ সা. তাঁর উম্মতদের এমন কিছু সুনির্দিষ্ট আমল শিখিয়েছেন, যা নিয়মিত চর্চা করলে উপার্জনের পথ সুগম হয় এবং অভাব দূর হয়। বিশ্বনবীর বাতলে দেওয়া এসব আমল শুধু পরকালের মুক্তির জন্যই নয়, বরং পার্থিব জীবনে সচ্ছলতা ও মনের প্রশান্তি আনতেও দারুণভাবে কার্যকর।

উপার্জনে বরকত লাভের অন্যতম প্রধান একটি আমল হলো নিয়মিত ও যথাযথভাবে ইস্তিগফার বা ক্ষমা প্রার্থনা করা। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে বর্ণিত হয়েছে যে, নিয়মিত তওবা করলে এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইলে রিজিকের দরজা খুলে যায় ও সব ধরনের সংকট কেটে যায়। প্রাত্যহিক জীবনের ব্যস্ততার মাঝেও বেশি বেশি আস্তাগফিরুল্লাহ পাঠ করা উচিত, যা বান্দা ও আল্লাহর মধ্যে আত্মিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করে।

রিজিকে বরকত পাওয়ার দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হলো মহান আল্লাহর প্রতি পূর্ণ তাওয়াক্কুল বা ভরসা রাখা। মানুষ তার সাধ্যমতো চেষ্টা ও শ্রম ব্যয় করবে, তবে সাফল্যের মালিক একমাত্র আল্লাহ—এই বিশ্বাস মনে ধারণ করতে হবে। যিনি একমাত্র আল্লাহর ওপর ভরসা করে জীবিকা অন্বেষণ করেন, আল্লাহ তাঁকে এমন উৎস থেকে রিজিক দান করেন যা তাঁর ধারণার বাইরে থাকে।

আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা এবং নিয়মিত আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করা উপার্জনে বরকতের পথ প্রশস্ত করে। নবী করিম সা. বলেছেন যে ব্যক্তি তার আয়ু বৃদ্ধি ও রিজিক প্রশস্ত করতে চায়, সে যেন তার আত্মীয়দের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করে। এটি কেবল সামাজিক বন্ধনই সুদৃঢ় করে না, বরং আল্লাহর রহমত ও বরকতকেও ত্বরান্বিত করে।

জীবিকার ক্ষেত্রে উপার্জনের মাধ্যম যেন সবসময় হালাল ও পবিত্র হয়, সেদিকে কঠোরভাবে নজর দেওয়া উচিত। হারাম উপার্জনের মধ্যে কোনো বরকত থাকে না এবং তা দোয়া কবুলের ক্ষেত্রেও বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। পরিশেষে, সর্বদা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করা এবং দানশীলতা বজায় রাখলে উপার্জনে বরকত বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।