আপডেট সময়
০৬:৩০:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
১
বার পড়া হয়েছে
ইউরোস্ট্যাটের আগস্ট প্রতিবেদন: উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ইইউর বাজার
অর্থনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির সবচেয়ে বড় গন্তব্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে বড় ধরনের ধস নেমেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরিসংখ্যান সংস্থা ইউরোস্ট্যাটের তথ্য বিশ্লেষণ করে জানা গেছে, চলতি বছরের প্রথম আট মাসে এই বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি থেকে আয় উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে। মূলত মোট রপ্তানি আয়ের পাশাপাশি পোশাকের একক মূল্যও হ্রাস পাওয়ার কারণে সামগ্রিক বাণিজ্যে এই নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। দেশের মোট রপ্তানির সিংহভাগ এই বাজারে যাওয়ার কারণে দীর্ঘদিনের এই ধারাবাহিকতায় ছেদ পড়ায় স্থানীয় রপ্তানিকারকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।ইউরোস্ট্যাটের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম আট মাসে ইইউর বাজারে পোশাক রপ্তানি বাবদ আয় হয়েছে ১ হাজার ১৯৩ কোটি ইউরো, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ হাজার ৩৫০ কোটি ইউরো। এক বছরের ব্যবধানে এই বাজারে রপ্তানি আয় হ্রাসের হার প্রায় সাড়ে ১১ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। শুধু আর্থিক পরিমাণই নয়, বরং প্রতি কেজি পোশাকের গড় মূল্যও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমেছে। এর ফলে সার্বিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে বড় ধরনের ধাক্কা খাচ্ছেন পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা।রপ্তানি আয় হ্রাসের এই নিম্নমুখী ধারার পাশাপাশি নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে ইউরোপের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি। ফ্রান্স ও ইতালিদ্সহ বিভিন্ন প্রধান দেশে হঠাৎ শুরু হওয়া বিক্ষোভ, ভাঙচুর ও লুটপাটের মতো অস্থিরতা ইউরোপীয় ইউনিয়নের সার্বিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে শ্লথগতি তৈরি করছে। এর ফলে স্থানীয় ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাসের পাশাপাশি পোশাকের নতুন চাহিদা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এই পরিস্থিতিতে ইউরোপের বাজার ধরে রাখা নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা।এদিকে আন্তর্জাতিক বাজারের এই অস্থিরতার পাশাপাশি দেশের ভেতরেও উৎপাদন খরচ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। কারখানাসমূহে দীর্ঘমেয়াদী জ্বালানি সংকট ও উচ্চ মূল্য পরিশোধের চাপের সঙ্গে সম্প্রতি ফ্যাব্রিকসের সুতা আমদানিতে সরকারের নতুন বিধিনিষেধ খরচ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের প্রধান নির্বাহী মহিউদ্দিন রুবেল জানিয়েছেন, উৎপাদন ব্যয় বাড়লেও ইউরোপীয় ক্রেতারা পণ্যের বাড়তি দাম দিতে নারাজ, বরং তারা আরও কমে পোশাক সরবরাহ করার জন্য চাপ সৃষ্টি করছেন। ফলে দুই দিক থেকে তৈরি হওয়া এই তীব্র চাপের মুখে দেশের পোশাক শিল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
অর্থনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির সবচেয়ে বড় গন্তব্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে বড় ধরনের ধস নেমেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরিসংখ্যান সংস্থা ইউরোস্ট্যাটের তথ্য বিশ্লেষণ করে জানা গেছে, চলতি বছরের প্রথম আট মাসে এই বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি থেকে আয় উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে। মূলত মোট রপ্তানি আয়ের পাশাপাশি পোশাকের একক মূল্যও হ্রাস পাওয়ার কারণে সামগ্রিক বাণিজ্যে এই নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। দেশের মোট রপ্তানির সিংহভাগ এই বাজারে যাওয়ার কারণে দীর্ঘদিনের এই ধারাবাহিকতায় ছেদ পড়ায় স্থানীয় রপ্তানিকারকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।
ইউরোস্ট্যাটের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম আট মাসে ইইউর বাজারে পোশাক রপ্তানি বাবদ আয় হয়েছে ১ হাজার ১৯৩ কোটি ইউরো, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ হাজার ৩৫০ কোটি ইউরো। এক বছরের ব্যবধানে এই বাজারে রপ্তানি আয় হ্রাসের হার প্রায় সাড়ে ১১ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। শুধু আর্থিক পরিমাণই নয়, বরং প্রতি কেজি পোশাকের গড় মূল্যও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমেছে। এর ফলে সার্বিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে বড় ধরনের ধাক্কা খাচ্ছেন পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা।
রপ্তানি আয় হ্রাসের এই নিম্নমুখী ধারার পাশাপাশি নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে ইউরোপের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি। ফ্রান্স ও ইতালিদ্সহ বিভিন্ন প্রধান দেশে হঠাৎ শুরু হওয়া বিক্ষোভ, ভাঙচুর ও লুটপাটের মতো অস্থিরতা ইউরোপীয় ইউনিয়নের সার্বিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে শ্লথগতি তৈরি করছে। এর ফলে স্থানীয় ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাসের পাশাপাশি পোশাকের নতুন চাহিদা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এই পরিস্থিতিতে ইউরোপের বাজার ধরে রাখা নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা।
এদিকে আন্তর্জাতিক বাজারের এই অস্থিরতার পাশাপাশি দেশের ভেতরেও উৎপাদন খরচ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। কারখানাসমূহে দীর্ঘমেয়াদী জ্বালানি সংকট ও উচ্চ মূল্য পরিশোধের চাপের সঙ্গে সম্প্রতি ফ্যাব্রিকসের সুতা আমদানিতে সরকারের নতুন বিধিনিষেধ খরচ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের প্রধান নির্বাহী মহিউদ্দিন রুবেল জানিয়েছেন, উৎপাদন ব্যয় বাড়লেও ইউরোপীয় ক্রেতারা পণ্যের বাড়তি দাম দিতে নারাজ, বরং তারা আরও কমে পোশাক সরবরাহ করার জন্য চাপ সৃষ্টি করছেন। ফলে দুই দিক থেকে তৈরি হওয়া এই তীব্র চাপের মুখে দেশের পোশাক শিল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।