আপডেট সময়
০৭:৩১:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬
৩
বার পড়া হয়েছে
ত্রয়োদশ সংসদের চতুর্থ অধিবেশন বসছে কাল, চলবে ৮ কার্যদিবস
জাতীয় ডেস্ক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন আগামী সোমবার থেকে শুরু হতে যাচ্ছে এবং তা আগামী ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি এই তথ্য নিশ্চিত করেন। নিয়ম অনুযায়ী এবারের অধিবেশনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আইনগত ও নীতিগত বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। সংসদের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সব প্রস্তুতি ইতিমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। বিরোধী দল এবং সরকারি দলের যৌথ সম্মতিতে অধিবেশনের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।আসন্ন এই অধিবেশনে সরকারের পক্ষ থেকে মোট তিনটি অধ্যাদেশ উত্থাপন করা হবে বলে জানা গেছে। এছাড়া একটি বিল ইতোমধ্যে সংসদে জমা পড়েছে এবং প্রক্রিয়াধীন অবস্থায় আরও দুই-একটি বিল আসার সম্ভাবনা রয়েছে। সংসদ সদস্যদের প্রস্তুতি নেওয়ার সুবিধার্থে এসব অধ্যাদেশ ও বিলের অনুলিপি নির্ধারিত সময়ের আগেই তাদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত অধ্যাদেশ, মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট সংক্রান্ত অধ্যাদেশ এবং বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ—এই তিনটি বিশেষ অধ্যাদেশ এবারের অধিবেশনের মূল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে। আইন প্রণয়নের প্রাথমিক ধাপ হিসেবে এগুলো সংসদ সদস্যদের হাতে পৌঁছানোয় তারা পর্যাপ্ত সময় পাচ্ছেন।সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি জানান যে, সংসদের বাইরে কোনো জরুরি প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি যে অধ্যাদেশ জারি করেন, তা সংসদের প্রথম দিনেই উপস্থাপন করা সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা। সাধারণত সংসদ বসার পর থেকে ত্রিশ দিনের মধ্যে এই অধ্যাদেশগুলো পাস না হলে সেগুলোর কার্যকারিতা শেষ হয়ে যায়। উত্থাপিত অধ্যাদেশ ও বিলগুলো পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হবে। সেখানে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও পুঙ্খানুপুঙ্খ আলোচনা শেষে এক বা দুই দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়া সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। প্রয়োজনে এসব নথিপত্রের কিছু শব্দ বা ধারায় পরিবর্তনও আনা হতে পারে।অধিবেশনের কার্যপদ্ধতি সম্পর্কে আরও জানানো হয় যে, নির্ধারিত বিল ও অধ্যাদেশ আলোচনার পাশাপাশি এতে নিয়মিত প্রশ্নোত্তর পর্ব, ৭১ বিধির আওতায় আলোচনা এবং বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্থান পাবে। বিরোধীদলীয় নেতার বিদেশ ভ্রমণের বিষয়টিও অধিবেশনের মেয়াদ নির্ধারণের সময় বিশেষ বিবেচনায় রাখা হয়েছে। তাছাড়া নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব কার্যসূচি শেষ করা না গেলে বা আলোচনা দীর্ঘায়িত করার প্রয়োজন পড়লে কার্যদিবস আরও বাড়ানো হতে পারে বলে সংসদীয় বৈঠকে ঐকমত্য হয়েছে। সংসদীয় গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট আইন প্রণয়নে এই অধিবেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
জাতীয় ডেস্ক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন আগামী সোমবার থেকে শুরু হতে যাচ্ছে এবং তা আগামী ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি এই তথ্য নিশ্চিত করেন। নিয়ম অনুযায়ী এবারের অধিবেশনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আইনগত ও নীতিগত বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। সংসদের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সব প্রস্তুতি ইতিমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। বিরোধী দল এবং সরকারি দলের যৌথ সম্মতিতে অধিবেশনের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।
আসন্ন এই অধিবেশনে সরকারের পক্ষ থেকে মোট তিনটি অধ্যাদেশ উত্থাপন করা হবে বলে জানা গেছে। এছাড়া একটি বিল ইতোমধ্যে সংসদে জমা পড়েছে এবং প্রক্রিয়াধীন অবস্থায় আরও দুই-একটি বিল আসার সম্ভাবনা রয়েছে। সংসদ সদস্যদের প্রস্তুতি নেওয়ার সুবিধার্থে এসব অধ্যাদেশ ও বিলের অনুলিপি নির্ধারিত সময়ের আগেই তাদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত অধ্যাদেশ, মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট সংক্রান্ত অধ্যাদেশ এবং বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ—এই তিনটি বিশেষ অধ্যাদেশ এবারের অধিবেশনের মূল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে। আইন প্রণয়নের প্রাথমিক ধাপ হিসেবে এগুলো সংসদ সদস্যদের হাতে পৌঁছানোয় তারা পর্যাপ্ত সময় পাচ্ছেন।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি জানান যে, সংসদের বাইরে কোনো জরুরি প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি যে অধ্যাদেশ জারি করেন, তা সংসদের প্রথম দিনেই উপস্থাপন করা সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা। সাধারণত সংসদ বসার পর থেকে ত্রিশ দিনের মধ্যে এই অধ্যাদেশগুলো পাস না হলে সেগুলোর কার্যকারিতা শেষ হয়ে যায়। উত্থাপিত অধ্যাদেশ ও বিলগুলো পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হবে। সেখানে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও পুঙ্খানুপুঙ্খ আলোচনা শেষে এক বা দুই দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়া সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। প্রয়োজনে এসব নথিপত্রের কিছু শব্দ বা ধারায় পরিবর্তনও আনা হতে পারে।
অধিবেশনের কার্যপদ্ধতি সম্পর্কে আরও জানানো হয় যে, নির্ধারিত বিল ও অধ্যাদেশ আলোচনার পাশাপাশি এতে নিয়মিত প্রশ্নোত্তর পর্ব, ৭১ বিধির আওতায় আলোচনা এবং বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্থান পাবে। বিরোধীদলীয় নেতার বিদেশ ভ্রমণের বিষয়টিও অধিবেশনের মেয়াদ নির্ধারণের সময় বিশেষ বিবেচনায় রাখা হয়েছে। তাছাড়া নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব কার্যসূচি শেষ করা না গেলে বা আলোচনা দীর্ঘায়িত করার প্রয়োজন পড়লে কার্যদিবস আরও বাড়ানো হতে পারে বলে সংসদীয় বৈঠকে ঐকমত্য হয়েছে। সংসদীয় গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট আইন প্রণয়নে এই অধিবেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।