আপডেট সময়
০৮:০০:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬
২
বার পড়া হয়েছে
জাতীয় সংসদ চত্বরকে ‘ধূমপানমুক্ত এলাকা’ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
জাতীয় ডেস্ক: জাতীয় সংসদ চত্বরকে সম্পূর্ণ ধূমপানমুক্ত এলাকা হিসেবে গড়ে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির পঞ্চম বৈঠকে তিনি এই ঘোষণা দেন। সংসদ সচিবালয় থেকে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই প্রস্তাব পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত সকল সদস্য স্বতঃস্ফূর্তভাবে এতে পূর্ণ সমর্থন জানান। এর ফলে দেশের সর্বোচ্চ এই আইনসভা চত্বরটি অচিরেই সম্পূর্ণ ধূমপানমুক্ত জোনে রূপান্তরিত হতে যাচ্ছে।জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকটি সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সংসদের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে সংসদের আধুনিকায়ন এবং প্রযুক্তিগত উন্নতির বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পায়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংসদ ভবনের সাউন্ড সিস্টেমের আধুনিকায়নের কাজের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানতে চান। এর জবাবে সংসদসচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া জানান যে গণপূর্ত অধিদপ্তরের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই আধুনিক সাউন্ড সিস্টেমের কার্যক্রম শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে।বৈঠকে জাতীয় সংসদের জ্বালানি সাশ্রয় ও পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি সংসদ ভবন চত্বরে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপনের কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। সংশ্লিষ্ট উপকমিটির আহ্বায়ক ও ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল তাঁকে জানান যে এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় সাত মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে সংসদ অধিবেশন চলাকালীন সাধারণত ছয় মেগাওয়াট বিদ্যুতের প্রয়োজন হয় এবং অন্য সময়ে এই চাহিদা আরও কম থাকে।উৎপাদিত উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ দেশের জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের পরিকল্পনা তুলে ধরা হয় বৈঠকে। এই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী উৎপাদিত সৌরবিদ্যুতের সঠিক সংরক্ষণের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখার সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা প্রদান করেন। পাশাপাশি বৈঠকে ডেপুটি স্পিকার ই-পার্লামেন্ট প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি এবং জাতীয় সংসদের বিভিন্ন শূন্যপদে নতুন জনবল নিয়োগের সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে কমিটিকে বিস্তারিতভাবে অবহিত করেন। সংসদের কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এই উদ্যোগগুলো ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।
জাতীয় ডেস্ক: জাতীয় সংসদ চত্বরকে সম্পূর্ণ ধূমপানমুক্ত এলাকা হিসেবে গড়ে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির পঞ্চম বৈঠকে তিনি এই ঘোষণা দেন। সংসদ সচিবালয় থেকে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই প্রস্তাব পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত সকল সদস্য স্বতঃস্ফূর্তভাবে এতে পূর্ণ সমর্থন জানান। এর ফলে দেশের সর্বোচ্চ এই আইনসভা চত্বরটি অচিরেই সম্পূর্ণ ধূমপানমুক্ত জোনে রূপান্তরিত হতে যাচ্ছে।
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকটি সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সংসদের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে সংসদের আধুনিকায়ন এবং প্রযুক্তিগত উন্নতির বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পায়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংসদ ভবনের সাউন্ড সিস্টেমের আধুনিকায়নের কাজের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানতে চান। এর জবাবে সংসদসচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া জানান যে গণপূর্ত অধিদপ্তরের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই আধুনিক সাউন্ড সিস্টেমের কার্যক্রম শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে।
বৈঠকে জাতীয় সংসদের জ্বালানি সাশ্রয় ও পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি সংসদ ভবন চত্বরে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপনের কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। সংশ্লিষ্ট উপকমিটির আহ্বায়ক ও ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল তাঁকে জানান যে এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় সাত মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে সংসদ অধিবেশন চলাকালীন সাধারণত ছয় মেগাওয়াট বিদ্যুতের প্রয়োজন হয় এবং অন্য সময়ে এই চাহিদা আরও কম থাকে।
উৎপাদিত উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ দেশের জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের পরিকল্পনা তুলে ধরা হয় বৈঠকে। এই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী উৎপাদিত সৌরবিদ্যুতের সঠিক সংরক্ষণের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখার সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা প্রদান করেন। পাশাপাশি বৈঠকে ডেপুটি স্পিকার ই-পার্লামেন্ট প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি এবং জাতীয় সংসদের বিভিন্ন শূন্যপদে নতুন জনবল নিয়োগের সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে কমিটিকে বিস্তারিতভাবে অবহিত করেন। সংসদের কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এই উদ্যোগগুলো ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।