আপডেট সময়
১০:১৫:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
২
বার পড়া হয়েছে
প্রতিবছর ইসরাইলকে দেওয়া ৪০০ কোটি ডলার সহায়তা বন্ধের ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরাইলকে প্রতিবছর প্রদান করা চার শ কোটি ডলারের আর্থিক সহায়তা চলতি বছরের শেষ নাগাদ বন্ধ করে দেওয়ার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই তথ্য জানান এবং দাবি করেন যে এই বিষয়ে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার ইতিমধ্যে সমঝোতা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ইসরাইলের প্রধান সামরিক ও আর্থিক সহযোগী হিসেবে ওয়াশিংটন এই অনুদান দিয়ে আসছে, যা দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্কের একটি বড় ভিত্তি ছিল।মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান যে এই অর্থায়ন বন্ধের বিষয়টি নিয়ে উভয় দেশের শীর্ষপর্যায়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে এবং কয়েক মাস আগেই এ বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছানো গেছে। ট্রাম্পের বক্তব্য অনুযায়ী, ইসরাইল আর এই মার্কিন সহায়তার ওপর নির্ভর করতে চায় না এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে এই অনুদান অব্যাহত রাখার কোনো যৌক্তিকতাও দেখছেন না তিনি। তাই নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই এই আর্থিক সহায়তার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটবে বলে মনে করা হচ্ছে।সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী ইসরাইলকে দেওয়া মার্কিন সহায়তা বন্ধের এই প্রস্তাবটি প্রথম উত্থাপন করেছিলেন স্বয়ং বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী মনে করেন যে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে সরাসরি আর্থিক সাহায্য গ্রহণ না করাই তাদের দেশের জন্য অধিকতর সমীচীন হবে। দুই নেতার এই পারস্পরিক বোঝাপড়ার ফলে ঐতিহ্যবাহী মার্কিন অনুদানের ধারা পরিবর্তনের পথে এক ধাপ এগিয়ে গেল।বার্ষিক আর্থিক অনুদান বন্ধ হয়ে গেলেও ইসরাইলের নিরাপত্তার প্রশ্নে ওয়াশিংটনের সমর্থন অটুট থাকবে বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি ইসরাইলকে যুক্তরাষ্ট্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মিত্র হিসেবে অভিহিত করে জানান যে ভবিষ্যৎ প্রয়োজনে দেশটি অর্থ না পেলেও বাণিজ্যিক চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র থেকে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম কিনতে পারবে। ট্রাম্পের এই নীতিগত ঘোষণা বাস্তবায়ন হলে দুই দেশের দীর্ঘদিনের পারস্পরিক সহায়তা কাঠামোয় একটি সুদূরপ্রসারী পরিবর্তন সূচিত হবে।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরাইলকে প্রতিবছর প্রদান করা চার শ কোটি ডলারের আর্থিক সহায়তা চলতি বছরের শেষ নাগাদ বন্ধ করে দেওয়ার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই তথ্য জানান এবং দাবি করেন যে এই বিষয়ে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার ইতিমধ্যে সমঝোতা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ইসরাইলের প্রধান সামরিক ও আর্থিক সহযোগী হিসেবে ওয়াশিংটন এই অনুদান দিয়ে আসছে, যা দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্কের একটি বড় ভিত্তি ছিল।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান যে এই অর্থায়ন বন্ধের বিষয়টি নিয়ে উভয় দেশের শীর্ষপর্যায়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে এবং কয়েক মাস আগেই এ বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছানো গেছে। ট্রাম্পের বক্তব্য অনুযায়ী, ইসরাইল আর এই মার্কিন সহায়তার ওপর নির্ভর করতে চায় না এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে এই অনুদান অব্যাহত রাখার কোনো যৌক্তিকতাও দেখছেন না তিনি। তাই নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই এই আর্থিক সহায়তার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটবে বলে মনে করা হচ্ছে।
সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী ইসরাইলকে দেওয়া মার্কিন সহায়তা বন্ধের এই প্রস্তাবটি প্রথম উত্থাপন করেছিলেন স্বয়ং বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী মনে করেন যে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে সরাসরি আর্থিক সাহায্য গ্রহণ না করাই তাদের দেশের জন্য অধিকতর সমীচীন হবে। দুই নেতার এই পারস্পরিক বোঝাপড়ার ফলে ঐতিহ্যবাহী মার্কিন অনুদানের ধারা পরিবর্তনের পথে এক ধাপ এগিয়ে গেল।
বার্ষিক আর্থিক অনুদান বন্ধ হয়ে গেলেও ইসরাইলের নিরাপত্তার প্রশ্নে ওয়াশিংটনের সমর্থন অটুট থাকবে বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি ইসরাইলকে যুক্তরাষ্ট্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মিত্র হিসেবে অভিহিত করে জানান যে ভবিষ্যৎ প্রয়োজনে দেশটি অর্থ না পেলেও বাণিজ্যিক চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র থেকে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম কিনতে পারবে। ট্রাম্পের এই নীতিগত ঘোষণা বাস্তবায়ন হলে দুই দেশের দীর্ঘদিনের পারস্পরিক সহায়তা কাঠামোয় একটি সুদূরপ্রসারী পরিবর্তন সূচিত হবে।