আপডেট সময়
০১:৪৫:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
১
বার পড়া হয়েছে
পাকিস্তান থেকে আনা ১৫০ টন তামাক ঘিরে সন্দেহ, ক্ষতিকর রাসায়নিক আছে কি না, পরীক্ষা
অর্থনীতি ডেস্ক: পাকিস্তান থেকে আমদানি করা প্রায় ১৫০ টন কাঁচা তামাকের একটি বড় চালান চট্টগ্রাম বন্দরে আটকা পড়েছে। তামাকপাতার গুণগত মান এবং এতে কোনো ধরনের ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ মিশ্রিত আছে কি না, তা নিয়ে তীব্র সন্দেহ প্রকাশ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা অধিদপ্তর। সম্প্রতি এই চালানটি পরীক্ষা করার জন্য বিভিন্ন পরীক্ষাগারে নমুনা পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক পরীক্ষার সময় তামাকপাতায় সহজে আগুন না ধরায় গোয়েন্দাদের সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়।চট্টগ্রামে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক রেজভী আহমেদ এই বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি জানান যে প্রাথমিক পরীক্ষার অংশ হিসেবে টেবিল টেস্ট করার সময় তামাকপাতায় সাধারণ নিয়মে আগুন ধরেনি। খালি চোখে বিষয়টি শনাক্ত করা অসম্ভব হওয়ায় প্রতিটি কনটেইনার থেকে পর্যাপ্ত নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরে এসব নমুনা বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনসহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে।বন্ড সুবিধার আওতায় কুষ্টিয়ার গ্লোবাল লিফ টোব্যাকো কোম্পানি লিমিটেড এই ১০ কনটেইনার কাঁচা তামাক আমদানি করেছে। বাণিজ্যিক নথিপত্র অনুযায়ী এর সঙ্গে দুবাই ও পাকিস্তানের দুটি প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা রয়েছে। কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান যে গত অক্টোবরে চালানটি বন্দরে পৌঁছানোর পর শুল্কায়ন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগেই গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এর খালাস স্থগিত করা হয়। এছাড়া আমদানি মূল্যে গরমিল থাকায় প্রায় ২১ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি এবং এর নেপথ্যে অর্থ পাচারের কোনো সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।কাস্টমস গোয়েন্দার হিসাব অনুযায়ী, বন্দরে আটকে থাকা এই বিপুল পরিমাণ তামাক দিয়ে প্রায় ২১ কোটি ৪৩ লাখ শলাকা প্রিমিয়াম সিগারেট তৈরি করা সম্ভব হতো। যার সম্ভাব্য বাজারমূল্য প্রায় ৪৯৪ কোটি টাকা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই অনিয়মের অভিযোগে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির বন্ড লাইসেন্স ইতিমধ্যে সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে এবং তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া ও চূড়ান্ত তদন্তের প্রতিবেদন না আসা পর্যন্ত এই চালানের খালাস বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।অন্যদিকে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল লিফ টোব্যাকো কোম্পানির পক্ষ থেকে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। তাদের দাবি, কাঁচা তামাকের আর্দ্রতা বেশি থাকার কারণেই সহজে আগুন ধরায় সমস্যা হতে পারে এবং তারা যেকোনো ধরনের তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। প্রতিষ্ঠানটি দাবি করেছে যে তারা শতভাগ রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠান এবং বৈধ প্রক্রিয়ায় কাঁচামাল আমদানি করে বিদেশে তামাক রপ্তানি করে আসছে। তবে সার্বিক বিষয়টির সত্যতা যাচাইয়ের জন্য পরীক্ষাগারগুলোর চূড়ান্ত প্রতিবেদনের অপেক্ষায় রয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
অর্থনীতি ডেস্ক: পাকিস্তান থেকে আমদানি করা প্রায় ১৫০ টন কাঁচা তামাকের একটি বড় চালান চট্টগ্রাম বন্দরে আটকা পড়েছে। তামাকপাতার গুণগত মান এবং এতে কোনো ধরনের ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ মিশ্রিত আছে কি না, তা নিয়ে তীব্র সন্দেহ প্রকাশ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা অধিদপ্তর। সম্প্রতি এই চালানটি পরীক্ষা করার জন্য বিভিন্ন পরীক্ষাগারে নমুনা পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক পরীক্ষার সময় তামাকপাতায় সহজে আগুন না ধরায় গোয়েন্দাদের সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়।
চট্টগ্রামে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক রেজভী আহমেদ এই বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি জানান যে প্রাথমিক পরীক্ষার অংশ হিসেবে টেবিল টেস্ট করার সময় তামাকপাতায় সাধারণ নিয়মে আগুন ধরেনি। খালি চোখে বিষয়টি শনাক্ত করা অসম্ভব হওয়ায় প্রতিটি কনটেইনার থেকে পর্যাপ্ত নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরে এসব নমুনা বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনসহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে।
বন্ড সুবিধার আওতায় কুষ্টিয়ার গ্লোবাল লিফ টোব্যাকো কোম্পানি লিমিটেড এই ১০ কনটেইনার কাঁচা তামাক আমদানি করেছে। বাণিজ্যিক নথিপত্র অনুযায়ী এর সঙ্গে দুবাই ও পাকিস্তানের দুটি প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা রয়েছে। কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান যে গত অক্টোবরে চালানটি বন্দরে পৌঁছানোর পর শুল্কায়ন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগেই গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এর খালাস স্থগিত করা হয়। এছাড়া আমদানি মূল্যে গরমিল থাকায় প্রায় ২১ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি এবং এর নেপথ্যে অর্থ পাচারের কোনো সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
কাস্টমস গোয়েন্দার হিসাব অনুযায়ী, বন্দরে আটকে থাকা এই বিপুল পরিমাণ তামাক দিয়ে প্রায় ২১ কোটি ৪৩ লাখ শলাকা প্রিমিয়াম সিগারেট তৈরি করা সম্ভব হতো। যার সম্ভাব্য বাজারমূল্য প্রায় ৪৯৪ কোটি টাকা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই অনিয়মের অভিযোগে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির বন্ড লাইসেন্স ইতিমধ্যে সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে এবং তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া ও চূড়ান্ত তদন্তের প্রতিবেদন না আসা পর্যন্ত এই চালানের খালাস বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল লিফ টোব্যাকো কোম্পানির পক্ষ থেকে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। তাদের দাবি, কাঁচা তামাকের আর্দ্রতা বেশি থাকার কারণেই সহজে আগুন ধরায় সমস্যা হতে পারে এবং তারা যেকোনো ধরনের তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। প্রতিষ্ঠানটি দাবি করেছে যে তারা শতভাগ রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠান এবং বৈধ প্রক্রিয়ায় কাঁচামাল আমদানি করে বিদেশে তামাক রপ্তানি করে আসছে। তবে সার্বিক বিষয়টির সত্যতা যাচাইয়ের জন্য পরীক্ষাগারগুলোর চূড়ান্ত প্রতিবেদনের অপেক্ষায় রয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।