আপডেট সময়
০৩:০০:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
২
বার পড়া হয়েছে
স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা জাতীয়করণের দাবি
জাতীয় ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চনার শিকার স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসাগুলো অবিলম্বে জাতীয়করণ এবং এমপিওভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন দেশের শিক্ষক নেতারা। সম্প্রতি জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক বিশেষ সেমিনারে এই জোরালো দাবি উত্থাপন করেন স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা জাতীয় শিক্ষক ঐক্যফ্রন্টের নেতৃবৃন্দ। ইসলামি শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধ গঠনে এসব প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা তুলে ধরে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা শিক্ষক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ১৯৯৪ সালে মাত্র এক হাজার ৫১৯টি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা অনুদানভুক্ত করা হয়েছিল এবং পরবর্তীতে এই ধারা আর সেভাবে এগিয়ে যায়নি। অথচ সাধারণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো একই পাঠ্যক্রমে পাঠদান পরিচালনা করা হলেও ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকরা চরম আর্থিক বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে এই বৈষম্য দূর করে শিক্ষকদের জীবনমান উন্নয়নের জন্য দ্রুত সরকারি সহায়তার প্রয়োজন রয়েছে বলে তাঁরা মত প্রকাশ করেন।সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মো. ইকরামুল বারী টিপু শিক্ষকদের দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে, এমপিওভুক্তির প্রক্রিয়া একটি নির্দিষ্ট নীতিমালার অধীনে পরিচালিত হয় এবং এ সংক্রান্ত দাপ্তরিক কাজ চলমান রয়েছে। তাই নীতিমালার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে কিছুটা সময় লাগলেও শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি পূরণে সংশ্লিষ্ট মহলের আন্তরিক সহযোগিতা থাকবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।ঐক্যফ্রন্টের চেয়ারম্যান মো. শামছুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ শাহাদাত হোসাইন এবং মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক খোন্দকার মুহাম্মদ সাদেকুর রহমান। সভার শেষ পর্যায়ে ২০২৫ সালের সংশোধিত নীতিমালা অনুযায়ী প্রাথমিক তালিকাভুক্ত মাদ্রাসাগুলোর জাতীয়করণ বা এমপিওর গেজেট প্রকাশ এবং যোগ্য অনুদানবিহীন প্রতিষ্ঠানগুলোর এমপিওভুক্তির জন্য গণবিজ্ঞপ্তি জারির সুনির্দিষ্ট দাবি জানানো হয়।
জাতীয় ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চনার শিকার স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসাগুলো অবিলম্বে জাতীয়করণ এবং এমপিওভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন দেশের শিক্ষক নেতারা। সম্প্রতি জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক বিশেষ সেমিনারে এই জোরালো দাবি উত্থাপন করেন স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা জাতীয় শিক্ষক ঐক্যফ্রন্টের নেতৃবৃন্দ। ইসলামি শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধ গঠনে এসব প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা তুলে ধরে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা শিক্ষক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ১৯৯৪ সালে মাত্র এক হাজার ৫১৯টি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা অনুদানভুক্ত করা হয়েছিল এবং পরবর্তীতে এই ধারা আর সেভাবে এগিয়ে যায়নি। অথচ সাধারণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো একই পাঠ্যক্রমে পাঠদান পরিচালনা করা হলেও ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকরা চরম আর্থিক বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে এই বৈষম্য দূর করে শিক্ষকদের জীবনমান উন্নয়নের জন্য দ্রুত সরকারি সহায়তার প্রয়োজন রয়েছে বলে তাঁরা মত প্রকাশ করেন।
সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মো. ইকরামুল বারী টিপু শিক্ষকদের দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে, এমপিওভুক্তির প্রক্রিয়া একটি নির্দিষ্ট নীতিমালার অধীনে পরিচালিত হয় এবং এ সংক্রান্ত দাপ্তরিক কাজ চলমান রয়েছে। তাই নীতিমালার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে কিছুটা সময় লাগলেও শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি পূরণে সংশ্লিষ্ট মহলের আন্তরিক সহযোগিতা থাকবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
ঐক্যফ্রন্টের চেয়ারম্যান মো. শামছুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ শাহাদাত হোসাইন এবং মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক খোন্দকার মুহাম্মদ সাদেকুর রহমান। সভার শেষ পর্যায়ে ২০২৫ সালের সংশোধিত নীতিমালা অনুযায়ী প্রাথমিক তালিকাভুক্ত মাদ্রাসাগুলোর জাতীয়করণ বা এমপিওর গেজেট প্রকাশ এবং যোগ্য অনুদানবিহীন প্রতিষ্ঠানগুলোর এমপিওভুক্তির জন্য গণবিজ্ঞপ্তি জারির সুনির্দিষ্ট দাবি জানানো হয়।