ঢাকা ০৬:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে আনতে যা যা করা প্রয়োজন, সবই করছে বিএনপি: নাহিদ Logo জন্মদিনে শিউলি ফুলের থিম,পরীমণি মানেই অন্যরকম আকর্ষণ Logo ইবতেদায়ি মাদ্রাসা এমপিওভুক্তি নিয়ে সুখবর দিলেন সংসদ সদস্য টিপু Logo ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে কাউকে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা দিইনি: মীর শাহে আলম Logo বেসরকারি সদস্যদের বিলের ত্রুটি জানাতে হবে এক সপ্তাহের মধ্যে Logo হাসপাতালের ৯ কোটি টাকার ই-টেন্ডার হ্যাক, স্থানীয়রা বলছেন অনিয়ম Logo বিদেশি পর্যটকদের কার্ড পেমেন্টের ১৫% বৈদেশিক মুদ্রা রাখতে পারবে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান Logo মেয়র থেকে প্রশাসক হলেন ডা. শাহাদাত হোসেন Logo গ্যাস সংকটে আবারও বন্ধ হয়ে গেল যমুনা সার কারখানা Logo সীমান্ত দিয়ে টাকা ঢোকা ঠেকাতে পারেন না কেন—সরকারকে প্রশ্ন জামায়াত আমিরের
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

হাসপাতালের ৯ কোটি টাকার ই-টেন্ডার হ্যাক, স্থানীয়রা বলছেন অনিয়ম

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:০০:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক: মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের প্রায় নয় কোটি টাকার চিকিৎসা সামগ্রী ক্রয়ের ই-টেন্ডার প্রক্রিয়া হ্যাকিংয়ের কবলে পড়েছে। এর ফলে কোনো ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানই এই অনলাইন দরপত্রে অংশ নিতে পারছে না। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট কৌশলে পুরো প্রক্রিয়াটি জিম্মি করে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখার চেষ্টা করছে। দীর্ঘদিন ধরে এই সিন্ডিকেটটি কাজটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার জন্য নানামুখী পাঁয়তারা চালিয়ে আসছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট অর্থবছরের চিকিৎসা সামগ্রী কেনার জন্য প্রথম দফায় গত ১৫ সেপ্টেম্বর অনলাইনে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল। কিন্তু দরপত্র প্রকাশের পরপরই দুর্বৃত্তরা ওয়েবসাইটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে হ্যাক করে। এই পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রথম দরপত্র বাতিল করে গত ১০ অক্টোবর দ্বিতীয় দফায় আবারও ই-টেন্ডার আহ্বান করে। তবে দ্বিতীয় দফায়ও একই কায়দায় সাইট হ্যাক করা হয়, যার ফলে সাধারণ ঠিকাদাররা দরপত্র জমা দেওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন।

নিয়মিত টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়ায় বর্তমানে হাসপাতালে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রী ও ওষুধের মারাত্মক সংকট দেখা দিয়েছে। গত বছরের জুন পর্যন্ত কেনা সামগ্রীর মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। প্রতিদিন দূরদূরান্ত থেকে চিকিৎসা নিতে আসা সাধারণ রোগীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মতে, জরুরি ভিত্তিতে এই সমস্যার সমাধান না হলে স্বাস্থ্যসেবা মুখ থুবড়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে গুরুত্বপূর্ণ এই রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়ায় জালিয়াতি ও হ্যাকিংয়ের ঘটনা ঘটলেও এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক আইনি পদক্ষেপ বা সাধারণ ডায়েরি করা হয়নি। এমনকি এই চাঞ্চল্যকর ঘটনার মধ্যেই সিভিল সার্জন ডা. মো. শরীফুল আবেদীন কমল ১৫ দিনের ছুটিতে চলে গেছেন। ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. খলিলুজ্জামান জানিয়েছেন, তিনি হ্যাকিংয়ের বিষয়টি সম্পর্কে অবগত থাকলেও এর নেপথ্য নায়কদের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে পারছেন না। মূল সিভিল সার্জন কর্মস্থলে ফেরার পরই এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে বলে তিনি মন্তব্য করেছেন।

ট্যাগস :

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে আনতে যা যা করা প্রয়োজন, সবই করছে বিএনপি: নাহিদ

হাসপাতালের ৯ কোটি টাকার ই-টেন্ডার হ্যাক, স্থানীয়রা বলছেন অনিয়ম

আপডেট সময় ০৫:০০:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের প্রায় নয় কোটি টাকার চিকিৎসা সামগ্রী ক্রয়ের ই-টেন্ডার প্রক্রিয়া হ্যাকিংয়ের কবলে পড়েছে। এর ফলে কোনো ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানই এই অনলাইন দরপত্রে অংশ নিতে পারছে না। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট কৌশলে পুরো প্রক্রিয়াটি জিম্মি করে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখার চেষ্টা করছে। দীর্ঘদিন ধরে এই সিন্ডিকেটটি কাজটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার জন্য নানামুখী পাঁয়তারা চালিয়ে আসছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট অর্থবছরের চিকিৎসা সামগ্রী কেনার জন্য প্রথম দফায় গত ১৫ সেপ্টেম্বর অনলাইনে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল। কিন্তু দরপত্র প্রকাশের পরপরই দুর্বৃত্তরা ওয়েবসাইটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে হ্যাক করে। এই পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রথম দরপত্র বাতিল করে গত ১০ অক্টোবর দ্বিতীয় দফায় আবারও ই-টেন্ডার আহ্বান করে। তবে দ্বিতীয় দফায়ও একই কায়দায় সাইট হ্যাক করা হয়, যার ফলে সাধারণ ঠিকাদাররা দরপত্র জমা দেওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন।

নিয়মিত টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়ায় বর্তমানে হাসপাতালে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রী ও ওষুধের মারাত্মক সংকট দেখা দিয়েছে। গত বছরের জুন পর্যন্ত কেনা সামগ্রীর মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। প্রতিদিন দূরদূরান্ত থেকে চিকিৎসা নিতে আসা সাধারণ রোগীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মতে, জরুরি ভিত্তিতে এই সমস্যার সমাধান না হলে স্বাস্থ্যসেবা মুখ থুবড়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে গুরুত্বপূর্ণ এই রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়ায় জালিয়াতি ও হ্যাকিংয়ের ঘটনা ঘটলেও এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক আইনি পদক্ষেপ বা সাধারণ ডায়েরি করা হয়নি। এমনকি এই চাঞ্চল্যকর ঘটনার মধ্যেই সিভিল সার্জন ডা. মো. শরীফুল আবেদীন কমল ১৫ দিনের ছুটিতে চলে গেছেন। ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. খলিলুজ্জামান জানিয়েছেন, তিনি হ্যাকিংয়ের বিষয়টি সম্পর্কে অবগত থাকলেও এর নেপথ্য নায়কদের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে পারছেন না। মূল সিভিল সার্জন কর্মস্থলে ফেরার পরই এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে বলে তিনি মন্তব্য করেছেন।