আপডেট সময়
০২:১৫:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
৩
বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশে ফের বিদ্যুৎ পাঠানো শুরু করেছে নেপাল
অর্থনীতি ডেস্ক: ভোতেকোশি নদীর ভয়াবহ বন্যায় নেপালের একাধিক জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে দীর্ঘদিন বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। গত আগস্ট মাসের শেষ দিকে আঘাত হানা ওই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ত্রিশূলী ও চিলিম জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র দুটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এই কেন্দ্রগুলো থেকেই মূলত বাংলাদেশে বিদ্যুৎ পাঠানোর অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল এবং এই সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে দ্বিপাক্ষিক বিদ্যুৎ বাণিজ্যে সাময়িক অচলাবস্থা তৈরি হয়েছিল। তবে সমস্ত প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে নেপাল এখন ভারতীয় গ্রিড ব্যবহার করে পুনরায় বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি শুরু করেছে।নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দীর্ঘায়ু কুমার শ্রেষ্ঠ জানিয়েছেন, নতুন বিকল্প ব্যবস্থার মাধ্যমে এই বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু করা সম্ভব হয়েছে। ভারতের কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ অন্য কয়েকটি বিকল্প জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ পাঠানোর অনুমতি দেওয়ার পর এই অগ্রগতি হয়। নতুন এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে ত্রিশূলী ও চিলিমের পরিবর্তে সোলু খোলা এবং কাবেলি বি-ওয়ান জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র দুটি থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে।এর আগে চলতি বছরের অক্টোবর মাসে নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের মধ্যে পাঁচ বছরের একটি ঋতুভিত্তিক বিদ্যুৎ সরবরাহের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ওই চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, প্রতি বছর নির্দিষ্ট সময়ে নেপাল থেকে বাংলাদেশে ৪০ মেগাওয়াট করে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়ে থাকে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সাময়িকভাবে এই কার্যক্রম ব্যাহত হলেও নতুন কেন্দ্রগুলোর সংযোজনের ফলে চুক্তি অনুযায়ী সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্ষার মৌসুমে উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সুন্দরভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হচ্ছে। এর ফলে আঞ্চলিক পর্যায়ে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে, কেন্দ্রগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া সত্ত্বেও নেপাল ভারতের বাজারেও ভালো পরিমাণে বিদ্যুৎ বিক্রি করে উল্লেখযোগ্য আয় বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে, যা তাদের জ্বালানি অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক দিক।
অর্থনীতি ডেস্ক: ভোতেকোশি নদীর ভয়াবহ বন্যায় নেপালের একাধিক জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে দীর্ঘদিন বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। গত আগস্ট মাসের শেষ দিকে আঘাত হানা ওই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ত্রিশূলী ও চিলিম জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র দুটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এই কেন্দ্রগুলো থেকেই মূলত বাংলাদেশে বিদ্যুৎ পাঠানোর অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল এবং এই সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে দ্বিপাক্ষিক বিদ্যুৎ বাণিজ্যে সাময়িক অচলাবস্থা তৈরি হয়েছিল। তবে সমস্ত প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে নেপাল এখন ভারতীয় গ্রিড ব্যবহার করে পুনরায় বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি শুরু করেছে।
নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দীর্ঘায়ু কুমার শ্রেষ্ঠ জানিয়েছেন, নতুন বিকল্প ব্যবস্থার মাধ্যমে এই বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু করা সম্ভব হয়েছে। ভারতের কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ অন্য কয়েকটি বিকল্প জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ পাঠানোর অনুমতি দেওয়ার পর এই অগ্রগতি হয়। নতুন এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে ত্রিশূলী ও চিলিমের পরিবর্তে সোলু খোলা এবং কাবেলি বি-ওয়ান জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র দুটি থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে।
এর আগে চলতি বছরের অক্টোবর মাসে নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের মধ্যে পাঁচ বছরের একটি ঋতুভিত্তিক বিদ্যুৎ সরবরাহের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ওই চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, প্রতি বছর নির্দিষ্ট সময়ে নেপাল থেকে বাংলাদেশে ৪০ মেগাওয়াট করে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়ে থাকে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সাময়িকভাবে এই কার্যক্রম ব্যাহত হলেও নতুন কেন্দ্রগুলোর সংযোজনের ফলে চুক্তি অনুযায়ী সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্ষার মৌসুমে উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সুন্দরভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হচ্ছে। এর ফলে আঞ্চলিক পর্যায়ে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে, কেন্দ্রগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া সত্ত্বেও নেপাল ভারতের বাজারেও ভালো পরিমাণে বিদ্যুৎ বিক্রি করে উল্লেখযোগ্য আয় বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে, যা তাদের জ্বালানি অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক দিক।