আপডেট সময়
১১:০০:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
১
বার পড়া হয়েছে
ফের সোনার দামে বড় পতন, ভরিপ্রতি যত হলো
অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের বাজারে মূল্যবান ধাতু সোনার দামে বড় ধরনের পতন পরিলক্ষিত হয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার বা পাকা সোনার দাম হ্রাসের কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর দেশের জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা এই নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছেন। এর ফলে সাধারণ ক্রেতারা কিছুটা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলতে পারছেন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন বা বাজুস সম্প্রতি এক জরুরি বৈঠক শেষে সোনার দাম কমানোর এই ঘোষণা দেয়। সংগঠনটির স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নতুন এই দাম নির্ধারণ করা হয়। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী সকাল থেকেই সারা দেশের বাজারে এই নতুন মূল্যতালিকা কার্যকর হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই দাম বহাল থাকবে।নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম কমিয়ে দুই লাখ ২০ হাজার ৫০৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে এই মানের সোনার দাম কিছুটা বেশি ছিল, যা সাম্প্রতিক পতনের ফলে কমেছে। একইভাবে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা দুই লাখ ১০ হাজার ৯৪৩ টাকায় এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা এক লাখ ৮৩ হাজার ৫৩ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার দাম কমে এক লাখ ৪৮ হাজার ১৬ টাকায় নেমে এসেছে।সোনার বাজারে বড় পতন ঘটলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রেখেছে জুয়েলারি সমিতি। বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা তিন হাজার ৮৪৯ টাকায় এবং ২১ ক্যারেটের রুপা তিন হাজার ৬৭৪ টাকায় বিকোচ্ছে। এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের রুপার ভরি তিন হাজার ১৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার ভরি দুই হাজার ৩৯১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।বাজুসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গয়নার ক্ষেত্রে নির্ধারিত মূল্যের সঙ্গে ডিজাইন ভেদে মজুরি যোগ হবে। তবে বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় ক্রেতাদের কাছ থেকে আলাদা করে কোনো ভ্যাট নেওয়া যাবে না। পাশাপাশি পুরোনো গয়না পরিবর্তন বা বিক্রির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট হারে মূল্য বাদ দেওয়ার নিয়ম কঠোরভাবে অনুসরণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের বাজারে মূল্যবান ধাতু সোনার দামে বড় ধরনের পতন পরিলক্ষিত হয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার বা পাকা সোনার দাম হ্রাসের কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর দেশের জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা এই নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছেন। এর ফলে সাধারণ ক্রেতারা কিছুটা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলতে পারছেন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন বা বাজুস সম্প্রতি এক জরুরি বৈঠক শেষে সোনার দাম কমানোর এই ঘোষণা দেয়। সংগঠনটির স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নতুন এই দাম নির্ধারণ করা হয়। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী সকাল থেকেই সারা দেশের বাজারে এই নতুন মূল্যতালিকা কার্যকর হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই দাম বহাল থাকবে।
নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম কমিয়ে দুই লাখ ২০ হাজার ৫০৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে এই মানের সোনার দাম কিছুটা বেশি ছিল, যা সাম্প্রতিক পতনের ফলে কমেছে। একইভাবে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা দুই লাখ ১০ হাজার ৯৪৩ টাকায় এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা এক লাখ ৮৩ হাজার ৫৩ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার দাম কমে এক লাখ ৪৮ হাজার ১৬ টাকায় নেমে এসেছে।
সোনার বাজারে বড় পতন ঘটলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রেখেছে জুয়েলারি সমিতি। বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা তিন হাজার ৮৪৯ টাকায় এবং ২১ ক্যারেটের রুপা তিন হাজার ৬৭৪ টাকায় বিকোচ্ছে। এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের রুপার ভরি তিন হাজার ১৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার ভরি দুই হাজার ৩৯১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গয়নার ক্ষেত্রে নির্ধারিত মূল্যের সঙ্গে ডিজাইন ভেদে মজুরি যোগ হবে। তবে বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় ক্রেতাদের কাছ থেকে আলাদা করে কোনো ভ্যাট নেওয়া যাবে না। পাশাপাশি পুরোনো গয়না পরিবর্তন বা বিক্রির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট হারে মূল্য বাদ দেওয়ার নিয়ম কঠোরভাবে অনুসরণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।