ঢাকা ০১:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo ইতিহাসে এবারই প্রথম নিরাপদে দুর্গাপূজা সম্পন্ন, সরকারকে ধন্যবাদ: পূজা উদ্‌যাপন ফ্রন্ট Logo ‘যারা রক্ত দিয়েছেন তাদের বাদ দিয়ে ক্ষমতার জোরে সংবিধান সংশোধন টেকসই হবে না’ Logo রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ছায়ায় বুলগেরিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আজ Logo বিরোধী দলকে গালাগালি করা ছাড়া বিএনপির আর কোনো যোগ্যতা নেই Logo পদোন্নতির দাবিতে মাউশিতে প্রভাষকদের অবস্থান কর্মসূচি Logo ভূমিমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি Logo হজের ইতিহাস তুলে ধরতে বিশেষ জাদুঘর নির্মাণের পরিকল্পনা Logo দেশের ধনী পরিবারের শিশুদের রক্তে সিসার পরিমাণ বেশি Logo টানা ৮ দিন পর বেনাপোল স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু Logo ফের সোনার দামে বড় পতন, ভরিপ্রতি যত হলো
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

দেশের ধনী পরিবারের শিশুদের রক্তে সিসার পরিমাণ বেশি

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:৩০:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

স্বাস্থ্য ডেস্ক: সম্প্রতি পরিচালিত একটি জাতীয় জরিপের উপাত্ত বিশ্লেষণ করে গবেষকরা এক উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরেছেন। তাদের গবেষণায় দেখা গেছে যে, দেশের দরিদ্র পরিবারের শিশুদের তুলনায় ধনী পরিবারের শিশুদের রক্তে সিসার পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি রয়েছে। এই গবেষণার ফলাফল আমাদের প্রচলিত ধারণাকে অনেকটাই বদলে দিয়েছে, যেখানে সাধারণত নিম্নবিত্ত শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বেশি বলে মনে করা হতো।

বিশ্লেষণে দেখা গেছে যে, ধনী পরিবারের শিশুদের রক্তে উচ্চমাত্রায় সিসা পাওয়ার হার তুলনামূলকভাবে প্রায় ২১ দশমিক ৭ শতাংশীয় পয়েন্ট বেশি। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শিশুদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা, ব্যবহারের বিভিন্ন জিনিসপত্র এবং পরিবেশগত নানা উপাদানের কারণে সিসার এই দূষণ ঘটে থাকতে পারে। অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল পরিবারের শিশুদের ক্ষেত্রে সিসার উৎসগুলো কিছুটা ভিন্ন হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শিশুর রক্তে সিসার উপস্থিতি তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর বলে চিকিৎসকরা বারবার সতর্ক করে আসছেন। উচ্চমাত্রার সিসা শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশ বাধাগ্রস্ত করার পাশাপাশি তাদের বুদ্ধিমত্তা ও শিখনক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে। তাই ধনী কিংবা দরিদ্র নির্বিশেষে সকল স্তরের শিশুর সুরক্ষায় সিসা দূষণের উৎসগুলো চিহ্নিত করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।

সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন। তারা বলছেন, শিশুদের সিসার বিষক্রিয়া থেকে রক্ষা করতে নীতিনির্ধারক থেকে শুরু করে অভিভাবকদের আরও বেশি সচেতন হতে হবে। ভবিষ্যতে একটি সুস্থ প্রজন্ম গড়ে তুলতে পরিবেশের দূষণ রোধ এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার বিকল্প নেই।

ট্যাগস :

ইতিহাসে এবারই প্রথম নিরাপদে দুর্গাপূজা সম্পন্ন, সরকারকে ধন্যবাদ: পূজা উদ্‌যাপন ফ্রন্ট

দেশের ধনী পরিবারের শিশুদের রক্তে সিসার পরিমাণ বেশি

আপডেট সময় ১১:৩০:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

স্বাস্থ্য ডেস্ক: সম্প্রতি পরিচালিত একটি জাতীয় জরিপের উপাত্ত বিশ্লেষণ করে গবেষকরা এক উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরেছেন। তাদের গবেষণায় দেখা গেছে যে, দেশের দরিদ্র পরিবারের শিশুদের তুলনায় ধনী পরিবারের শিশুদের রক্তে সিসার পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি রয়েছে। এই গবেষণার ফলাফল আমাদের প্রচলিত ধারণাকে অনেকটাই বদলে দিয়েছে, যেখানে সাধারণত নিম্নবিত্ত শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বেশি বলে মনে করা হতো।

বিশ্লেষণে দেখা গেছে যে, ধনী পরিবারের শিশুদের রক্তে উচ্চমাত্রায় সিসা পাওয়ার হার তুলনামূলকভাবে প্রায় ২১ দশমিক ৭ শতাংশীয় পয়েন্ট বেশি। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শিশুদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা, ব্যবহারের বিভিন্ন জিনিসপত্র এবং পরিবেশগত নানা উপাদানের কারণে সিসার এই দূষণ ঘটে থাকতে পারে। অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল পরিবারের শিশুদের ক্ষেত্রে সিসার উৎসগুলো কিছুটা ভিন্ন হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শিশুর রক্তে সিসার উপস্থিতি তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর বলে চিকিৎসকরা বারবার সতর্ক করে আসছেন। উচ্চমাত্রার সিসা শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশ বাধাগ্রস্ত করার পাশাপাশি তাদের বুদ্ধিমত্তা ও শিখনক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে। তাই ধনী কিংবা দরিদ্র নির্বিশেষে সকল স্তরের শিশুর সুরক্ষায় সিসা দূষণের উৎসগুলো চিহ্নিত করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।

সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন। তারা বলছেন, শিশুদের সিসার বিষক্রিয়া থেকে রক্ষা করতে নীতিনির্ধারক থেকে শুরু করে অভিভাবকদের আরও বেশি সচেতন হতে হবে। ভবিষ্যতে একটি সুস্থ প্রজন্ম গড়ে তুলতে পরিবেশের দূষণ রোধ এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার বিকল্প নেই।