ঢাকা ০১:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo ‘যারা রক্ত দিয়েছেন তাদের বাদ দিয়ে ক্ষমতার জোরে সংবিধান সংশোধন টেকসই হবে না’ Logo রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ছায়ায় বুলগেরিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আজ Logo বিরোধী দলকে গালাগালি করা ছাড়া বিএনপির আর কোনো যোগ্যতা নেই Logo পদোন্নতির দাবিতে মাউশিতে প্রভাষকদের অবস্থান কর্মসূচি Logo ভূমিমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি Logo হজের ইতিহাস তুলে ধরতে বিশেষ জাদুঘর নির্মাণের পরিকল্পনা Logo দেশের ধনী পরিবারের শিশুদের রক্তে সিসার পরিমাণ বেশি Logo টানা ৮ দিন পর বেনাপোল স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু Logo ফের সোনার দামে বড় পতন, ভরিপ্রতি যত হলো Logo সাজেকে অবরোধ: মূল সমস্যা যেভাবে আড়ালে চলে যাচ্ছে
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

টানা ৮ দিন পর বেনাপোল স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:১৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

অর্থনীতি ডেস্ক: শারদীয় দুর্গাপূজা ও সাপ্তাহিক ছুটির দীর্ঘ বিরতি কাটিয়ে দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য পরিবহন পুনরায় চালু হয়েছে। একটানা আট দিন বাণিজ্য কার্যক্রম বন্ধ থাকার ফলে দুই দেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় শত শত পণ্যবাহী ট্রাক আটকে পড়েছিল, যা বন্দর সচল হওয়ার পর থেকেই ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। বন্দর পুনরায় চালু হওয়ায় আমদানি-রপ্তানিকারক এবং সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের পাশাপাশি কাস্টমস কর্মকর্তা ও শ্রমিকদের মাঝেও কর্মব্যস্ততা ফিরে এসেছে।

বেনাপোল স্থলবন্দরের উপপরিচালক রুহুল আমিন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, পূজার ছুটি শেষে বন্দর খোলার পর থেকে সামগ্রিক কার্যক্রমে গতি এসেছে এবং আজ থেকে পুরোপুরি স্বাভাবিকভাবে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। আটকে থাকা পণ্যগুলো দ্রুত খালাস করার জন্য বন্দর ব্যবহারকারী ও সংশ্লিষ্ট সব বিভাগকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ফলে ব্যবসায়ীরা এখন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের পণ্য বুঝে পাওয়ার আশা প্রকাশ করছেন।

বন্দর সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, এই রুট দিয়ে প্রতিদিন সাধারণত গড়ে প্রায় পাঁচ শ ট্রাক পণ্য আমদানি এবং দুই শ ট্রাক পণ্য রপ্তানি হয়ে থাকে। এছাড়া রেলপথেও নিয়মিত বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানি করা হয় এবং বন্দর এলাকা থেকে প্রতিদিন প্রায় পাঁচ থেকে ছয় শ ট্রাক পণ্য খালাস করা হয়। আমদানিকৃত এই সমস্ত পণ্য থেকে প্রতিদিন প্রায় ১০ কোটি টাকার রাজস্ব আদায় হয়ে থাকে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

এই বন্দর দিয়ে আমদানি করা পণ্যের তালিকায় রয়েছে শিল্পকারখানার কাঁচামাল, বিভিন্ন ধরনের গার্মেন্টস ও তৈরি পোশাক, মাছ, শিশুখাদ্য এবং নানা রকমের রাসায়নিক দ্রব্যাদি। অন্যদিকে বাংলাদেশ থেকে প্রধানত পাট ও পাটজাত পণ্য, তৈরি পোশাক, রাসায়নিক দ্রব্য, টিস্যু, মেলামাইন এবং মাছ ভারতে রপ্তানি করা হয়। তবে ভারত সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী গত দেড় বছর ধরে সড়কপথে পাটপণ্য ও পোশাক রপ্তানি বন্ধ রয়েছে এবং বাংলাদেশ সরকারের শর্তের কারণে সুতা আমদানিও স্থগিত রয়েছে।

ট্যাগস :

‘যারা রক্ত দিয়েছেন তাদের বাদ দিয়ে ক্ষমতার জোরে সংবিধান সংশোধন টেকসই হবে না’

টানা ৮ দিন পর বেনাপোল স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু

আপডেট সময় ১১:১৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: শারদীয় দুর্গাপূজা ও সাপ্তাহিক ছুটির দীর্ঘ বিরতি কাটিয়ে দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য পরিবহন পুনরায় চালু হয়েছে। একটানা আট দিন বাণিজ্য কার্যক্রম বন্ধ থাকার ফলে দুই দেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় শত শত পণ্যবাহী ট্রাক আটকে পড়েছিল, যা বন্দর সচল হওয়ার পর থেকেই ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। বন্দর পুনরায় চালু হওয়ায় আমদানি-রপ্তানিকারক এবং সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের পাশাপাশি কাস্টমস কর্মকর্তা ও শ্রমিকদের মাঝেও কর্মব্যস্ততা ফিরে এসেছে।

বেনাপোল স্থলবন্দরের উপপরিচালক রুহুল আমিন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, পূজার ছুটি শেষে বন্দর খোলার পর থেকে সামগ্রিক কার্যক্রমে গতি এসেছে এবং আজ থেকে পুরোপুরি স্বাভাবিকভাবে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। আটকে থাকা পণ্যগুলো দ্রুত খালাস করার জন্য বন্দর ব্যবহারকারী ও সংশ্লিষ্ট সব বিভাগকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ফলে ব্যবসায়ীরা এখন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের পণ্য বুঝে পাওয়ার আশা প্রকাশ করছেন।

বন্দর সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, এই রুট দিয়ে প্রতিদিন সাধারণত গড়ে প্রায় পাঁচ শ ট্রাক পণ্য আমদানি এবং দুই শ ট্রাক পণ্য রপ্তানি হয়ে থাকে। এছাড়া রেলপথেও নিয়মিত বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানি করা হয় এবং বন্দর এলাকা থেকে প্রতিদিন প্রায় পাঁচ থেকে ছয় শ ট্রাক পণ্য খালাস করা হয়। আমদানিকৃত এই সমস্ত পণ্য থেকে প্রতিদিন প্রায় ১০ কোটি টাকার রাজস্ব আদায় হয়ে থাকে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

এই বন্দর দিয়ে আমদানি করা পণ্যের তালিকায় রয়েছে শিল্পকারখানার কাঁচামাল, বিভিন্ন ধরনের গার্মেন্টস ও তৈরি পোশাক, মাছ, শিশুখাদ্য এবং নানা রকমের রাসায়নিক দ্রব্যাদি। অন্যদিকে বাংলাদেশ থেকে প্রধানত পাট ও পাটজাত পণ্য, তৈরি পোশাক, রাসায়নিক দ্রব্য, টিস্যু, মেলামাইন এবং মাছ ভারতে রপ্তানি করা হয়। তবে ভারত সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী গত দেড় বছর ধরে সড়কপথে পাটপণ্য ও পোশাক রপ্তানি বন্ধ রয়েছে এবং বাংলাদেশ সরকারের শর্তের কারণে সুতা আমদানিও স্থগিত রয়েছে।