আপডেট সময়
০৫:১৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
৩
বার পড়া হয়েছে
আগস্টে ইইউতে বাংলাদেশের ডেনিম রপ্তানি ১২.৭১ শতাংশ বেড়েছে
অর্থনীতি ডেস্ক: ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে বাংলাদেশের ডেনিম পণ্যের রপ্তানিতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরিসংখ্যান সংস্থা ইউরোস্ট্যাটের তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি সমাপ্ত আগস্ট মাসে ডেনিম রপ্তানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১২ দশমিক ৭১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে ওই একক মাসে ইউরোপীয় বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩৪ দশমিক ০৮ মিলিয়ন ইউরোতে, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ১১৮ দশমিক ৯৬ মিলিয়ন ইউরো। আন্তর্জাতিক বাজারে সামগ্রিক আমদানির প্রবৃদ্ধির হারকে ছাড়িয়ে এই অগ্রগতি অর্জন করেছে দেশের পোশাক খাত।তবে বছরের প্রথম আট মাসের সামগ্রিক হিসাবে সামান্য পতন পরিলক্ষিত হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত সময়কালে ইউরোপীয় ইউনিয়নে বাংলাদেশের ডেনিম রপ্তানি ৫ দশমিক ৮৫ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ৮৬৯ দশমিক ১৩ মিলিয়ন ইউরোতে নেমে এসেছে। এর আগের বছর একই সময়ে এই অর্জনের পরিমাণ ছিল ৯২৩ দশমিক ১১ মিলিয়ন ইউরো। বিশ্ববাজার থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মোট আমদানির ধারাও এই সময়ে কিছুটা মন্থর ছিল, যার ফলে সামগ্রিক বাজারে বাংলাদেশের হিস্যা সামান্য কমে ২৯ দশমিক ৪০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।সামগ্রিক রপ্তানিতে কিছুটা ভাটার টান থাকলেও ইউরোপীয় অঞ্চলের বাজারে নিজেদের শীর্ষস্থান অক্ষুণ্ণ রাখতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের তুলনায় ডেনিম রপ্তানিতে বাংলাদেশ প্রায় ৩৪৪ মিলিয়ন ইউরোতে এগিয়ে রয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর মধ্যে পাকিস্তান ও তুরস্কের মতো বড় সরবরাহকারীরা বড় ধরনের পতনের মুখে পড়লেও বাংলাদেশের পতনের হার ছিল তুলনামূলকভাবে বেশ কম। তিউনিসিয়া, কম্বোডিয়া এবং মরক্কোর মতো ঐতিহ্যবাহী রপ্তানিকারকদের অবস্থাও ছিল নিম্নমুখী।এই সফলতার পেছনে সুপ্রতিষ্ঠিত সরবরাহ ব্যবস্থা ও উন্নত প্রযুক্তিগত সক্ষমতার বড় ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল জানান, দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টায় গড়ে ওঠা শক্তিশালী শিল্প ভিত্তির কারণে বৈশ্বিক মন্দা ও মূল্যস্ফীতির চ্যালেঞ্জের মধ্যেও বাংলাদেশ তার শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে। তবে ভবিষ্যতে দীর্ঘমেয়াদি সফলতা বজায় রাখতে উচ্চমূল্যের পণ্য উৎপাদন, স্থানীয় পর্যায়ে মূল্য সংযোজন বৃদ্ধি এবং ইউরোপীয় গ্রিন ডিলের মতো নতুন বাণিজ্য শর্ত পূরণের ওপর বিশেষ জোর দিতে হবে।
অর্থনীতি ডেস্ক: ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে বাংলাদেশের ডেনিম পণ্যের রপ্তানিতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরিসংখ্যান সংস্থা ইউরোস্ট্যাটের তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি সমাপ্ত আগস্ট মাসে ডেনিম রপ্তানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১২ দশমিক ৭১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে ওই একক মাসে ইউরোপীয় বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩৪ দশমিক ০৮ মিলিয়ন ইউরোতে, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ১১৮ দশমিক ৯৬ মিলিয়ন ইউরো। আন্তর্জাতিক বাজারে সামগ্রিক আমদানির প্রবৃদ্ধির হারকে ছাড়িয়ে এই অগ্রগতি অর্জন করেছে দেশের পোশাক খাত।
তবে বছরের প্রথম আট মাসের সামগ্রিক হিসাবে সামান্য পতন পরিলক্ষিত হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত সময়কালে ইউরোপীয় ইউনিয়নে বাংলাদেশের ডেনিম রপ্তানি ৫ দশমিক ৮৫ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ৮৬৯ দশমিক ১৩ মিলিয়ন ইউরোতে নেমে এসেছে। এর আগের বছর একই সময়ে এই অর্জনের পরিমাণ ছিল ৯২৩ দশমিক ১১ মিলিয়ন ইউরো। বিশ্ববাজার থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মোট আমদানির ধারাও এই সময়ে কিছুটা মন্থর ছিল, যার ফলে সামগ্রিক বাজারে বাংলাদেশের হিস্যা সামান্য কমে ২৯ দশমিক ৪০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
সামগ্রিক রপ্তানিতে কিছুটা ভাটার টান থাকলেও ইউরোপীয় অঞ্চলের বাজারে নিজেদের শীর্ষস্থান অক্ষুণ্ণ রাখতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের তুলনায় ডেনিম রপ্তানিতে বাংলাদেশ প্রায় ৩৪৪ মিলিয়ন ইউরোতে এগিয়ে রয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর মধ্যে পাকিস্তান ও তুরস্কের মতো বড় সরবরাহকারীরা বড় ধরনের পতনের মুখে পড়লেও বাংলাদেশের পতনের হার ছিল তুলনামূলকভাবে বেশ কম। তিউনিসিয়া, কম্বোডিয়া এবং মরক্কোর মতো ঐতিহ্যবাহী রপ্তানিকারকদের অবস্থাও ছিল নিম্নমুখী।
এই সফলতার পেছনে সুপ্রতিষ্ঠিত সরবরাহ ব্যবস্থা ও উন্নত প্রযুক্তিগত সক্ষমতার বড় ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল জানান, দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টায় গড়ে ওঠা শক্তিশালী শিল্প ভিত্তির কারণে বৈশ্বিক মন্দা ও মূল্যস্ফীতির চ্যালেঞ্জের মধ্যেও বাংলাদেশ তার শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে। তবে ভবিষ্যতে দীর্ঘমেয়াদি সফলতা বজায় রাখতে উচ্চমূল্যের পণ্য উৎপাদন, স্থানীয় পর্যায়ে মূল্য সংযোজন বৃদ্ধি এবং ইউরোপীয় গ্রিন ডিলের মতো নতুন বাণিজ্য শর্ত পূরণের ওপর বিশেষ জোর দিতে হবে।