ঢাকা ০৯:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

ডেঙ্গুর বদলে যাওয়া চেহারা, ঝুঁকি কী

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৭:১৭:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

স্বাস্থ্য ডেস্ক: সাধারণ মানুষের একটি বড় অংশের ধারণা জ্বর কমে গেলেই ডেঙ্গু রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠছেন। তবে চিকিৎসকরা বলছেন এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল এবং অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। মূলত শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক হওয়ার পরই ডেঙ্গুর আসল বিপদ বা সংবেদনশীল পর্যায় শুরু হয়। তাই জ্বর নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আত্মতুষ্টিতে ভোগার কোনো অবকাশ নেই, বরং এই সময়ে রোগীর ওপর বাড়তি নজরদারি প্রয়োজন।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার সাধারণত তৃতীয় থেকে সপ্তম দিনের মধ্যে এই সংকটজনক সময়টি আসে। এই নির্দিষ্ট সময়ে রোগীর শরীরে প্লাজমা লিক করা বা রক্তে অনুচক্রিকা আশঙ্কাজনক হারে কমে যাওয়ার মতো মারাত্মক জটিলতা দেখা দিতে পারে। অনেক সময় রোগীর রক্তচাপ হঠাৎ করে অনেক নিচে নেমে যায় যা শকের কারণ হতে পারে।

এই জটিল পরিস্থিতি এড়াতে জ্বর কমার পরও রোগীকে চিকিৎসকের নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখা অত্যন্ত জরুরি। জ্বর কমে যাওয়ার পরের দিনগুলোতে রোগীর শারীরিক দুর্বলতা, তীব্র পেট ব্যথা, বারবার বমি হওয়া কিংবা রক্তপাতের মতো লক্ষণগুলোর দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। এসব উপসর্গ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করাতে হবে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করেন ডেঙ্গু চিকিৎসায় সচেতনতাই সবচেয়ে বড় সুরক্ষা কবচ। শুধু হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নেওয়ার পাশাপাশি বাড়িতে থাকা অবস্থায় পর্যাপ্ত তরল খাবার গ্রহণ এবং পূর্ণ বিশ্রামে থাকা আবশ্যক। একটু সচেতনতা ও সঠিক সময়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিলে ডেঙ্গুর মারাত্মক ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব।

ট্যাগস :

সন্তানদের কখনো এই পেশায় আসতে দেব না—২১ বছরে ২৫ বার বদলি হওয়া আইএএস কর্মকর্তা

ডেঙ্গুর বদলে যাওয়া চেহারা, ঝুঁকি কী

আপডেট সময় ০৭:১৭:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

স্বাস্থ্য ডেস্ক: সাধারণ মানুষের একটি বড় অংশের ধারণা জ্বর কমে গেলেই ডেঙ্গু রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠছেন। তবে চিকিৎসকরা বলছেন এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল এবং অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। মূলত শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক হওয়ার পরই ডেঙ্গুর আসল বিপদ বা সংবেদনশীল পর্যায় শুরু হয়। তাই জ্বর নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আত্মতুষ্টিতে ভোগার কোনো অবকাশ নেই, বরং এই সময়ে রোগীর ওপর বাড়তি নজরদারি প্রয়োজন।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার সাধারণত তৃতীয় থেকে সপ্তম দিনের মধ্যে এই সংকটজনক সময়টি আসে। এই নির্দিষ্ট সময়ে রোগীর শরীরে প্লাজমা লিক করা বা রক্তে অনুচক্রিকা আশঙ্কাজনক হারে কমে যাওয়ার মতো মারাত্মক জটিলতা দেখা দিতে পারে। অনেক সময় রোগীর রক্তচাপ হঠাৎ করে অনেক নিচে নেমে যায় যা শকের কারণ হতে পারে।

এই জটিল পরিস্থিতি এড়াতে জ্বর কমার পরও রোগীকে চিকিৎসকের নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখা অত্যন্ত জরুরি। জ্বর কমে যাওয়ার পরের দিনগুলোতে রোগীর শারীরিক দুর্বলতা, তীব্র পেট ব্যথা, বারবার বমি হওয়া কিংবা রক্তপাতের মতো লক্ষণগুলোর দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। এসব উপসর্গ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করাতে হবে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করেন ডেঙ্গু চিকিৎসায় সচেতনতাই সবচেয়ে বড় সুরক্ষা কবচ। শুধু হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নেওয়ার পাশাপাশি বাড়িতে থাকা অবস্থায় পর্যাপ্ত তরল খাবার গ্রহণ এবং পূর্ণ বিশ্রামে থাকা আবশ্যক। একটু সচেতনতা ও সঠিক সময়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিলে ডেঙ্গুর মারাত্মক ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব।