ঢাকা ০৮:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

দুই ঘণ্টা কমল শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখার সময়

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:৪৮:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

অর্থনীতি ডেস্ক: শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শপিংমল, মার্কেট ও দোকানপাট খোলা রাখার ক্ষেত্রে যে বিশেষ সময়সীমা দেওয়া হয়েছিল তার মেয়াদ সম্প্রতি শেষ হয়েছে। এর ফলে পূর্বের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী এখন থেকে দেশের সব বিপণন বিতান ও দোকানপাট রাত আটটার পরিবর্তে নির্দিষ্ট সময়েই বন্ধ করতে হবে। মূলত পূজার ছুটির দিনগুলোতে ক্রেতাদের কেনাকাটার সুবিধার্থে সময় কিছুটা বাড়িয়ে রাত দশটা পর্যন্ত করা হয়েছিল। নির্দিষ্ট সেই সময়সীমা পার হওয়ায় আজ থেকে স্বাভাবিক নিয়মে ফিরে গেছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো।

বিদ্যুৎ সাশ্রয় এবং দেশের সার্বিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর ও সুশৃঙ্খল রাখার উদ্দেশ্যে সরকার চলতি বছর বেশ কয়েকবার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার সময় পরিবর্তন করেছে। সরকারের নীতিমালার অংশ হিসেবেই সাধারণত শপিংমল ও দোকানপাট একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত চালু রাখার নির্দেশনা দিয়ে আসছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়। তারই ধারাবাহিকতায় গত ৫ অক্টোবর বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে বিশেষ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল, যেখানে দুর্গাপূজার সময় ক্রেতা সমাগমের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সময় বাড়ানোর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিদ্যুৎ বিভাগের ওই বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করে উল্লেখ করা হয়েছিল যে, দুর্গাপূজা উৎসব উপলক্ষে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত বিভিন্ন শপিং মল, মার্কেট ও দোকানপাট সকাল এগারোটা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। একই সঙ্গে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল যে, ২৩ অক্টোবর থেকে আবারও পূর্বের নিয়ম অর্থাৎ সকাল এগারোটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত এসব প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার সিদ্ধান্ত স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হবে। নির্ধারিত সেই সময়সীমা সফলভাবে শেষ হওয়ার পর থেকেই মূলত আগের সেই নিয়মটি দেশজুড়ে পুনরায় বহাল করা হয়েছে।

নতুন এই নিয়মের ফলে এখন থেকে শপিংমল ও দোকানপাট খোলা রাখার সময় আবারও দুই ঘণ্টা কমে গেল, যা সাধারণ মানুষের চলাফেরা ও ব্যবসায়িক লেনদেনে প্রভাব ফেলবে। ব্যবসায়ীরা এখন থেকে রাত আটটার মধ্যেই তাদের সমস্ত কার্যক্রম গুটিয়ে প্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে বাধ্য থাকবেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের সরকারি এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে দেশের সব ব্যবসায়ী ও বিপণন বিতানের মালিকরা পূর্বের মতোই সহযোগিতা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :

সন্তানদের কখনো এই পেশায় আসতে দেব না—২১ বছরে ২৫ বার বদলি হওয়া আইএএস কর্মকর্তা

দুই ঘণ্টা কমল শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখার সময়

আপডেট সময় ০৬:৪৮:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শপিংমল, মার্কেট ও দোকানপাট খোলা রাখার ক্ষেত্রে যে বিশেষ সময়সীমা দেওয়া হয়েছিল তার মেয়াদ সম্প্রতি শেষ হয়েছে। এর ফলে পূর্বের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী এখন থেকে দেশের সব বিপণন বিতান ও দোকানপাট রাত আটটার পরিবর্তে নির্দিষ্ট সময়েই বন্ধ করতে হবে। মূলত পূজার ছুটির দিনগুলোতে ক্রেতাদের কেনাকাটার সুবিধার্থে সময় কিছুটা বাড়িয়ে রাত দশটা পর্যন্ত করা হয়েছিল। নির্দিষ্ট সেই সময়সীমা পার হওয়ায় আজ থেকে স্বাভাবিক নিয়মে ফিরে গেছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো।

বিদ্যুৎ সাশ্রয় এবং দেশের সার্বিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর ও সুশৃঙ্খল রাখার উদ্দেশ্যে সরকার চলতি বছর বেশ কয়েকবার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার সময় পরিবর্তন করেছে। সরকারের নীতিমালার অংশ হিসেবেই সাধারণত শপিংমল ও দোকানপাট একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত চালু রাখার নির্দেশনা দিয়ে আসছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়। তারই ধারাবাহিকতায় গত ৫ অক্টোবর বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে বিশেষ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল, যেখানে দুর্গাপূজার সময় ক্রেতা সমাগমের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সময় বাড়ানোর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিদ্যুৎ বিভাগের ওই বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করে উল্লেখ করা হয়েছিল যে, দুর্গাপূজা উৎসব উপলক্ষে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত বিভিন্ন শপিং মল, মার্কেট ও দোকানপাট সকাল এগারোটা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। একই সঙ্গে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল যে, ২৩ অক্টোবর থেকে আবারও পূর্বের নিয়ম অর্থাৎ সকাল এগারোটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত এসব প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার সিদ্ধান্ত স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হবে। নির্ধারিত সেই সময়সীমা সফলভাবে শেষ হওয়ার পর থেকেই মূলত আগের সেই নিয়মটি দেশজুড়ে পুনরায় বহাল করা হয়েছে।

নতুন এই নিয়মের ফলে এখন থেকে শপিংমল ও দোকানপাট খোলা রাখার সময় আবারও দুই ঘণ্টা কমে গেল, যা সাধারণ মানুষের চলাফেরা ও ব্যবসায়িক লেনদেনে প্রভাব ফেলবে। ব্যবসায়ীরা এখন থেকে রাত আটটার মধ্যেই তাদের সমস্ত কার্যক্রম গুটিয়ে প্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে বাধ্য থাকবেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের সরকারি এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে দেশের সব ব্যবসায়ী ও বিপণন বিতানের মালিকরা পূর্বের মতোই সহযোগিতা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।