ঢাকা ০৪:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

এআই এজেন্ট, যে সহকারী নিজেই কাজ করে ফেলে

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:৪৫:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

প্রযুক্তি ডেস্ক: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির দুনিয়ায় আসছে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন। এতদিন আমরা যে চ্যাটবট বা এআই সহকারীর সঙ্গে অভ্যস্ত ছিলাম, তারা মূলত ব্যবহারকারীর প্রশ্নের উত্তর দেওয়া বা নির্দিষ্ট কিছু তথ্য খুঁজে দেওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে এই ধারায় বড় ধরনের রূপান্তর ঘটতে শুরু করেছে। এর ফলে ব্যবহারকারীদের দৈনন্দিন ও দাপ্তরিক কাজ আরও সহজ ও স্বয়ংক্রিয় হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রথাগত চ্যাটবট আর নতুন প্রজন্মের এআই এজেন্টের কাজের ধরনে মৌলিক কিছু পার্থক্য রয়েছে। সাধারণ চ্যাটবট শুধু টেক্সটভিত্তিক উত্তর দিতে পারে, কিন্তু নতুন এই সহকারী সরাসরি কোনো জটিল কাজের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিতে পারে। ব্যবহারকারী কেবল মুখে বা লিখে একটি সাধারণ নির্দেশনা দেবেন, আর সেই নির্দেশ বাস্তবায়নের পুরো প্রক্রিয়াটি নিজে থেকেই সম্পন্ন করবে এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা।

এই প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করা, প্রয়োজনীয় অনলাইন ফর্ম পূরণ করা কিংবা নির্দিষ্ট ব্যক্তির কাছে ইলেকট্রনিক মেইল পাঠানোর মতো বিরক্তিকর কাজগুলো খুব সহজেই করা সম্ভব। ফলে ব্যবহারকারীকে প্রতিটি ধাপে আলাদা করে নির্দেশনা দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। পুরো কাজের প্রবাহ বা ওয়ার্কফ্লো পরিকল্পনা করে তা নিখুঁতভাবে শেষ করার অসাধারণ ক্ষমতা রয়েছে এই এজেন্টগুলোর।

প্রযুক্তির এই নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হওয়ার ফলে বিশ্বজুড়ে উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে করপোরেট দুনিয়া, তথ্যপ্রযুক্তি খাত এবং ব্যক্তিগত সেবামূলক কাজে এই স্বয়ংক্রিয় সহকারীদের ব্যবহার নাটকীয় পরিবর্তন আনবে। গবেষক ও প্রযুক্তিবিদরা মনে করছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই রূপান্তর মানবসভ্যতাকে কাজের এক নতুন ও উন্নত যুগে প্রবেশ করাবে।

ট্যাগস :

মানুষের মতো দর–কষাকষি করতে এআই এজেন্টকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে অ্যানথ্রপিক

এআই এজেন্ট, যে সহকারী নিজেই কাজ করে ফেলে

আপডেট সময় ০২:৪৫:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

প্রযুক্তি ডেস্ক: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির দুনিয়ায় আসছে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন। এতদিন আমরা যে চ্যাটবট বা এআই সহকারীর সঙ্গে অভ্যস্ত ছিলাম, তারা মূলত ব্যবহারকারীর প্রশ্নের উত্তর দেওয়া বা নির্দিষ্ট কিছু তথ্য খুঁজে দেওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে এই ধারায় বড় ধরনের রূপান্তর ঘটতে শুরু করেছে। এর ফলে ব্যবহারকারীদের দৈনন্দিন ও দাপ্তরিক কাজ আরও সহজ ও স্বয়ংক্রিয় হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রথাগত চ্যাটবট আর নতুন প্রজন্মের এআই এজেন্টের কাজের ধরনে মৌলিক কিছু পার্থক্য রয়েছে। সাধারণ চ্যাটবট শুধু টেক্সটভিত্তিক উত্তর দিতে পারে, কিন্তু নতুন এই সহকারী সরাসরি কোনো জটিল কাজের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিতে পারে। ব্যবহারকারী কেবল মুখে বা লিখে একটি সাধারণ নির্দেশনা দেবেন, আর সেই নির্দেশ বাস্তবায়নের পুরো প্রক্রিয়াটি নিজে থেকেই সম্পন্ন করবে এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা।

এই প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করা, প্রয়োজনীয় অনলাইন ফর্ম পূরণ করা কিংবা নির্দিষ্ট ব্যক্তির কাছে ইলেকট্রনিক মেইল পাঠানোর মতো বিরক্তিকর কাজগুলো খুব সহজেই করা সম্ভব। ফলে ব্যবহারকারীকে প্রতিটি ধাপে আলাদা করে নির্দেশনা দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। পুরো কাজের প্রবাহ বা ওয়ার্কফ্লো পরিকল্পনা করে তা নিখুঁতভাবে শেষ করার অসাধারণ ক্ষমতা রয়েছে এই এজেন্টগুলোর।

প্রযুক্তির এই নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হওয়ার ফলে বিশ্বজুড়ে উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে করপোরেট দুনিয়া, তথ্যপ্রযুক্তি খাত এবং ব্যক্তিগত সেবামূলক কাজে এই স্বয়ংক্রিয় সহকারীদের ব্যবহার নাটকীয় পরিবর্তন আনবে। গবেষক ও প্রযুক্তিবিদরা মনে করছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই রূপান্তর মানবসভ্যতাকে কাজের এক নতুন ও উন্নত যুগে প্রবেশ করাবে।