ঢাকা ০৪:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

ভাঙা ল্যাপটপ আর কোলের সন্তান নিয়ে যেভাবে ঘুরে দাঁড়ালেন মিতু আক্তার

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:৪৫:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

লাইফস্টাইল ডেস্ক: অভাব-অনটন আর শত প্রতিকূলতা জয় করে নিজের ভাগ্য বদলানোর এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন মিতু আক্তার। শূন্য হাতে জীবনযুদ্ধ শুরু করলেও তিনি আজ কেবল নিজের স্বাবলম্বিতাই অর্জন করেননি, বরং এলাকার একদল তরুণ-তরুণীর জন্য পথপ্রদর্শক হয়ে উঠেছেন। জীবনের কঠিনতম সময়েও হাল ছাড়েননি এই নারী, বরং সমস্ত বাধা পেরিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার অদম্য জেদ তাকে আজকের এই অবস্থানে নিয়ে এসেছে।

মিতুর এই পথচলাটি কখনোই সহজ ছিল না। কোলের ছোট সন্তানকে সামলানোর পাশাপাশি তার সম্বল বলতে ছিল মাত্র একটি ভাঙা ল্যাপটপ। এই সীমিত সম্পদ দিয়েই তিনি অনলাইন ভিত্তিক কাজের দুনিয়ায় প্রবেশ করেন এবং নিজের ভাগ্য পরিবর্তনের কঠিন লড়াই শুরু করেন। দিনের পর দিন অক্লান্ত পরিশ্রম ও ধৈর্য ধরে তিনি কাজ চালিয়ে যান, যা তার সফলতার ভিত্তি স্থাপন করে দেয়।

প্রযুক্তির নানা জটিলতা এবং আর্থিক সংকটের মধ্যেও তিনি কখনোই নিজের লক্ষ্য থেকে সরে আসেননি। ভাঙা ল্যাপটপটি বারবার সমস্যা তৈরি করলেও তিনি দমে যাননি, বরং কাজের প্রতি তার নিষ্ঠা ও একাগ্রতা তাকে ধীরে ধীরে সাফল্যের দেখা এনে দেয়। তার এই লড়াইয়ের গল্প আশেপাশের মানুষের মধ্যেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে শুরু করে।

বর্তমানে মিতু আক্তারের সফলতার পরিধি কেবল নিজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। তার এই ঘুরে দাঁড়ানোর অনুপ্রেরণা থেকে এলাকার অন্তত ১০ জন তরুণ-তরুণী নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে এবং কর্মসংস্থানের পথ খুঁজে পেয়েছে। নিজের সাফল্যের পাশাপাশি অন্যদেরও আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তুলতে তিনি এখন সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন, যা সমাজ পরিবর্তনে এক দারুণ উদাহরণ তৈরি করেছে।

ট্যাগস :

মানুষের মতো দর–কষাকষি করতে এআই এজেন্টকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে অ্যানথ্রপিক

ভাঙা ল্যাপটপ আর কোলের সন্তান নিয়ে যেভাবে ঘুরে দাঁড়ালেন মিতু আক্তার

আপডেট সময় ০৩:৪৫:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

লাইফস্টাইল ডেস্ক: অভাব-অনটন আর শত প্রতিকূলতা জয় করে নিজের ভাগ্য বদলানোর এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন মিতু আক্তার। শূন্য হাতে জীবনযুদ্ধ শুরু করলেও তিনি আজ কেবল নিজের স্বাবলম্বিতাই অর্জন করেননি, বরং এলাকার একদল তরুণ-তরুণীর জন্য পথপ্রদর্শক হয়ে উঠেছেন। জীবনের কঠিনতম সময়েও হাল ছাড়েননি এই নারী, বরং সমস্ত বাধা পেরিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার অদম্য জেদ তাকে আজকের এই অবস্থানে নিয়ে এসেছে।

মিতুর এই পথচলাটি কখনোই সহজ ছিল না। কোলের ছোট সন্তানকে সামলানোর পাশাপাশি তার সম্বল বলতে ছিল মাত্র একটি ভাঙা ল্যাপটপ। এই সীমিত সম্পদ দিয়েই তিনি অনলাইন ভিত্তিক কাজের দুনিয়ায় প্রবেশ করেন এবং নিজের ভাগ্য পরিবর্তনের কঠিন লড়াই শুরু করেন। দিনের পর দিন অক্লান্ত পরিশ্রম ও ধৈর্য ধরে তিনি কাজ চালিয়ে যান, যা তার সফলতার ভিত্তি স্থাপন করে দেয়।

প্রযুক্তির নানা জটিলতা এবং আর্থিক সংকটের মধ্যেও তিনি কখনোই নিজের লক্ষ্য থেকে সরে আসেননি। ভাঙা ল্যাপটপটি বারবার সমস্যা তৈরি করলেও তিনি দমে যাননি, বরং কাজের প্রতি তার নিষ্ঠা ও একাগ্রতা তাকে ধীরে ধীরে সাফল্যের দেখা এনে দেয়। তার এই লড়াইয়ের গল্প আশেপাশের মানুষের মধ্যেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে শুরু করে।

বর্তমানে মিতু আক্তারের সফলতার পরিধি কেবল নিজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। তার এই ঘুরে দাঁড়ানোর অনুপ্রেরণা থেকে এলাকার অন্তত ১০ জন তরুণ-তরুণী নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে এবং কর্মসংস্থানের পথ খুঁজে পেয়েছে। নিজের সাফল্যের পাশাপাশি অন্যদেরও আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তুলতে তিনি এখন সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন, যা সমাজ পরিবর্তনে এক দারুণ উদাহরণ তৈরি করেছে।