আপডেট সময়
০৮:০২:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
১
বার পড়া হয়েছে
খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার ঝুঁকিতে ১ কোটি ৮১ লাখ মানুষ
জাতীয় ডেস্ক: বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি বা ডব্লিউএফপির সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে দেশের খাদ্য পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর এই চার মাসের মধ্যে দেশের প্রায় এক কোটি ৮১ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার ঝুঁকিতে পড়তে পারেন। এই হিসাবটি দেশের সামগ্রিক জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশের জন্য খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে বড় ধরনের সংকটের ইঙ্গিত দেয়।সংস্থাটির তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বিগত সময়ের তুলনায় এই ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের সংখ্যা এক লাফে প্রায় ২৮ লাখ বৃদ্ধি পেয়েছে। মূলত দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা এবং বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাবে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান নিম্নমুখী হয়েছে। এর ফলে প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীর পক্ষে নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার জোগাড় করা কঠিন হয়ে পড়েছে।সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বর্তমান পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে অপুষ্টির হার বৃদ্ধির পাশাপাশি দরিদ্র পরিবারগুলোর বেঁচে থাকার লড়াই আরও কঠিন হয়ে উঠবে। বিশেষ করে গ্রামীণ জনপদ এবং শহরাঞ্চলের ভাসমান ও দিনমজুর মানুষগুলো এই সংকটের শিকার হচ্ছে বেশি। সময়ের সাথে সাথে এই জনগোষ্ঠীর ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় তাদের খাদ্য নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে।এই ক্রমবর্ধমান সংকট মোকাবিলায় জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের তাগিদ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি আরও জোরদার করা এবং হতদরিদ্র মানুষের মাঝে খাদ্য সহায়তা বাড়ানোর ওপর তারা বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সাথে সমন্বয় করে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ না করলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
জাতীয় ডেস্ক: বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি বা ডব্লিউএফপির সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে দেশের খাদ্য পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর এই চার মাসের মধ্যে দেশের প্রায় এক কোটি ৮১ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার ঝুঁকিতে পড়তে পারেন। এই হিসাবটি দেশের সামগ্রিক জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশের জন্য খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে বড় ধরনের সংকটের ইঙ্গিত দেয়।
সংস্থাটির তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বিগত সময়ের তুলনায় এই ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের সংখ্যা এক লাফে প্রায় ২৮ লাখ বৃদ্ধি পেয়েছে। মূলত দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা এবং বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাবে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান নিম্নমুখী হয়েছে। এর ফলে প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীর পক্ষে নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার জোগাড় করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বর্তমান পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে অপুষ্টির হার বৃদ্ধির পাশাপাশি দরিদ্র পরিবারগুলোর বেঁচে থাকার লড়াই আরও কঠিন হয়ে উঠবে। বিশেষ করে গ্রামীণ জনপদ এবং শহরাঞ্চলের ভাসমান ও দিনমজুর মানুষগুলো এই সংকটের শিকার হচ্ছে বেশি। সময়ের সাথে সাথে এই জনগোষ্ঠীর ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় তাদের খাদ্য নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে।
এই ক্রমবর্ধমান সংকট মোকাবিলায় জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের তাগিদ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি আরও জোরদার করা এবং হতদরিদ্র মানুষের মাঝে খাদ্য সহায়তা বাড়ানোর ওপর তারা বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সাথে সমন্বয় করে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ না করলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।