ঢাকা ১০:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

৮০ টাকার নিচে শুধু পেঁপে আর কুমড়া, সব সবজির দামই চড়া

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৯:০০:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

অর্থনীতি ডেস্ক: শীত মৌসুম পুরোপুরি শুরুর আগেই রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে সব ধরনের সবজির দাম ব্যাপক চড়া রয়েছে। সাধারণ ক্রেতাদের সাধ্যের মধ্যে থাকা পণ্যের তালিকা সংকুচিত হয়ে এসেছে এবং বাজারে পেঁপে ও মিষ্টিকুমড়া ছাড়া প্রায় সব সবজির দামই এখন অনেক বেশি। কারওয়ান বাজার ও মোহাম্মদপুর টাউন হল বাজারসহ রাজধানীর প্রধান বাজারগুলোতে ক্রেতাদের সবজি কিনতে গিয়ে বাড়তি অর্থ গুণতে হচ্ছে। বিক্রেতারা বলছেন, মৌসুম পরিবর্তনের এই সময়ে বাজারে সবজির সরবরাহ কিছুটা কম থাকে এবং পরিবহন খরচ বৃদ্ধির কারণেও দামের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ সাধারণ সবজি যেমন ফুলকপি, ঝিঙা, লাউ, কচুমুখি ও পটোল প্রতি কেজি ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। শীতের আগাম জাতের মুলা এবং ঢ্যাঁড়স কিনতে হলেও ক্রেতাদের প্রতি কেজির জন্য একই দাম দিতে হচ্ছে। এছাড়া মানভেদে বেগুন ও কাঁকরোল প্রতি কেজি ১০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। তবে শীতের আগাম শিম ও টমেটোর বাজারদর বেশ উদ্বেগজনক, যেখানে প্রতি কেজি শিম ১৬০ টাকা এবং পাকা টমেটো ১৮০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে। এর বিপরীতে তুলনামূলক কম দামে কেবল প্রতি কেজি পেঁপে ৩০ টাকা এবং মিষ্টিকুমড়া ৫০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।

সবজির বাজারের তীব্র অসন্তোষের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি মিলেছে ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের বাজারে। তীব্র গরমের প্রকোপ কিছুটা কমায় খামারে মুরগির উৎপাদন ও সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা কমেছে। বর্তমানে রাজধানীর বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায় এবং সোনালি মুরগি ৩২০ থেকে ৩৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া কয়েকদিন আগে ডিমের ডজন ১৬০ টাকা পর্যন্ত উঠলেও বর্তমানে তা কমে ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকায় নেমে এসেছে এবং সাদা ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়।

এদিকে চাল ও মসলা জাতীয় পণ্যের বাজার গত কয়েকদিনের দামেই অপরিবর্তিত রয়েছে। বাজারে পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৫৫ থেকে ৬০ টাকায় এবং দেশি রসুন ১৪০ টাকা ও আমদানি করা রসুন ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা মরিচের দাম স্থিতিশীল থেকে প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিকোচ্ছে। চালের বাজারে কিছুদিন আগে কেজিতে সামান্য বৃদ্ধি পাওয়ার পর তা সেখানেই স্থির রয়েছে, যেখানে মোটা চাল ৫৫ টাকা এবং সরু নাজিরশাইল চাল মানভেদে ৮০ থেকে ৮৬ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, শীতকালীন সবজির পূর্ণ সরবরাহ বাজারে শুরু হলে সামগ্রিক পণ্যের দাম কিছুটা সহনীয় পর্যায়ে নেমে আসবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

৮০ টাকার নিচে শুধু পেঁপে আর কুমড়া, সব সবজির দামই চড়া

আপডেট সময় ০৯:০০:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: শীত মৌসুম পুরোপুরি শুরুর আগেই রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে সব ধরনের সবজির দাম ব্যাপক চড়া রয়েছে। সাধারণ ক্রেতাদের সাধ্যের মধ্যে থাকা পণ্যের তালিকা সংকুচিত হয়ে এসেছে এবং বাজারে পেঁপে ও মিষ্টিকুমড়া ছাড়া প্রায় সব সবজির দামই এখন অনেক বেশি। কারওয়ান বাজার ও মোহাম্মদপুর টাউন হল বাজারসহ রাজধানীর প্রধান বাজারগুলোতে ক্রেতাদের সবজি কিনতে গিয়ে বাড়তি অর্থ গুণতে হচ্ছে। বিক্রেতারা বলছেন, মৌসুম পরিবর্তনের এই সময়ে বাজারে সবজির সরবরাহ কিছুটা কম থাকে এবং পরিবহন খরচ বৃদ্ধির কারণেও দামের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ সাধারণ সবজি যেমন ফুলকপি, ঝিঙা, লাউ, কচুমুখি ও পটোল প্রতি কেজি ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। শীতের আগাম জাতের মুলা এবং ঢ্যাঁড়স কিনতে হলেও ক্রেতাদের প্রতি কেজির জন্য একই দাম দিতে হচ্ছে। এছাড়া মানভেদে বেগুন ও কাঁকরোল প্রতি কেজি ১০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। তবে শীতের আগাম শিম ও টমেটোর বাজারদর বেশ উদ্বেগজনক, যেখানে প্রতি কেজি শিম ১৬০ টাকা এবং পাকা টমেটো ১৮০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে। এর বিপরীতে তুলনামূলক কম দামে কেবল প্রতি কেজি পেঁপে ৩০ টাকা এবং মিষ্টিকুমড়া ৫০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।

সবজির বাজারের তীব্র অসন্তোষের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি মিলেছে ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের বাজারে। তীব্র গরমের প্রকোপ কিছুটা কমায় খামারে মুরগির উৎপাদন ও সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা কমেছে। বর্তমানে রাজধানীর বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায় এবং সোনালি মুরগি ৩২০ থেকে ৩৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া কয়েকদিন আগে ডিমের ডজন ১৬০ টাকা পর্যন্ত উঠলেও বর্তমানে তা কমে ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকায় নেমে এসেছে এবং সাদা ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়।

এদিকে চাল ও মসলা জাতীয় পণ্যের বাজার গত কয়েকদিনের দামেই অপরিবর্তিত রয়েছে। বাজারে পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৫৫ থেকে ৬০ টাকায় এবং দেশি রসুন ১৪০ টাকা ও আমদানি করা রসুন ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা মরিচের দাম স্থিতিশীল থেকে প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিকোচ্ছে। চালের বাজারে কিছুদিন আগে কেজিতে সামান্য বৃদ্ধি পাওয়ার পর তা সেখানেই স্থির রয়েছে, যেখানে মোটা চাল ৫৫ টাকা এবং সরু নাজিরশাইল চাল মানভেদে ৮০ থেকে ৮৬ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, শীতকালীন সবজির পূর্ণ সরবরাহ বাজারে শুরু হলে সামগ্রিক পণ্যের দাম কিছুটা সহনীয় পর্যায়ে নেমে আসবে।