ঢাকা ০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo পরিবার ও কর্মজীবনে সম্পর্ক ভালো রাখতে আবেগীয় বুদ্ধিমত্তার ওপর গুরুত্ব Logo আউশ, আলু ও গমের উৎপাদন কমেছে Logo পীরগঞ্জে দুর্গাপূজা উপলক্ষে পৌর বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির শাড়ি লুঙ্গি বিতরণ Logo অধিদপ্তরের কাছে পাত্তাই পাচ্ছে না স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় Logo বন্দর লিজের আগে জনগণের মতামত নেওয়ার আহ্বান সাইফুল হকের Logo বন্ধ হচ্ছে না শেয়ারবাজারের বিনিয়োগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিএএসএম Logo প্লাস্টিক দূষণ কমাতে উৎপাদনকারীদের দায়িত্ব নেওয়ার তাগিদ Logo সিলেটকে নান্দনিক ও শান্তির নগরী করার প্রতিশ্রুতি বিকেএম প্রার্থী আতাউরের Logo সম্প্রীতি নষ্টের চেষ্টা ঠেকাতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে: এমপি ফাহমিদা Logo জার্মানির সব রেলস্টেশনে অ্যালকোহল নিষিদ্ধ
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

সিলেটকে নান্দনিক ও শান্তির নগরী করার প্রতিশ্রুতি বিকেএম প্রার্থী আতাউরের

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:০১:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

রাজনীতি ডেস্ক: সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে নগরীকে একটি আধুনিক, নান্দনিক এবং নাগরিকবান্ধব জনপদ হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মনোনীত মেয়র প্রার্থী আলহাজ মাওলানা আতাউর রহমান। সম্প্রতি নগরীর একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি তার নির্বাচনী পরিকল্পনার মূল দিকগুলো তুলে ধরেন। সাংবাদিকদের সঙ্গে এই মতবিনিময় সভায় তিনি সিলেটের সামগ্রিক উন্নয়নে তার সুদূরপ্রসারী ভাবনার কথা জানান এবং পনেরো দফার একটি প্রাথমিক নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন।

ঘোষিত এই পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ হলো যুক্তরাজ্যের বিখ্যাত টেমস নদীর আদলে সুরমা নদীর ওপর দুটি নান্দনিক সেতু নির্মাণ। পাশাপাশি নগরীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে খাবার সরবরাহের মতো জনকল্যাণমুখী উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। সম্প্রতি খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় আমিরের সিলেট সফরকালে তাকে দলীয় মেয়র প্রার্থী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয় বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

এ সময় মেয়র পদপ্রার্থী আতাউর রহমান সিলেটের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত নাগরিক সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে তা সমাধানের দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, অপরিকল্পিত নগরায়ন, দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা, ত্রুটিপূর্ণ ড্রেনেজ ব্যবস্থা, বেহাল সড়ক যোগাযোগ, তীব্র যানজট এবং বিশুদ্ধ পানির সংকট নগরবাসীর জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। এই সমস্যাগুলোর স্থায়ী নিরসনে তিনি আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং কার্যকর ড্রেন নির্মাণের ওপর বিশেষ জোর দেওয়ার কথা জানান।

তার পনেরো দফা অঙ্গীকারের মধ্যে আরও রয়েছে নগরীতে সবুজায়ন বৃদ্ধি, দুর্নীতি প্রতিরোধ, ডিজিটাল পদ্ধতিতে নাগরিক সেবা প্রদান এবং প্রবাসীদের জন্য বিশেষ সেবামূলক কার্যক্রম চালু করা। এছাড়া যুবসমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে নানা উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনাও তার রয়েছে। প্রবাসে অর্জিত অভিজ্ঞতা সিলেটের উন্নয়নে কাজে লাগানোর আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি দলমত নির্বিশেষে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন এবং সিলেটকে একটি শান্তির নগরী হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পরিবার ও কর্মজীবনে সম্পর্ক ভালো রাখতে আবেগীয় বুদ্ধিমত্তার ওপর গুরুত্ব

সিলেটকে নান্দনিক ও শান্তির নগরী করার প্রতিশ্রুতি বিকেএম প্রার্থী আতাউরের

আপডেট সময় ০৫:০১:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

রাজনীতি ডেস্ক: সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে নগরীকে একটি আধুনিক, নান্দনিক এবং নাগরিকবান্ধব জনপদ হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মনোনীত মেয়র প্রার্থী আলহাজ মাওলানা আতাউর রহমান। সম্প্রতি নগরীর একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি তার নির্বাচনী পরিকল্পনার মূল দিকগুলো তুলে ধরেন। সাংবাদিকদের সঙ্গে এই মতবিনিময় সভায় তিনি সিলেটের সামগ্রিক উন্নয়নে তার সুদূরপ্রসারী ভাবনার কথা জানান এবং পনেরো দফার একটি প্রাথমিক নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন।

ঘোষিত এই পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ হলো যুক্তরাজ্যের বিখ্যাত টেমস নদীর আদলে সুরমা নদীর ওপর দুটি নান্দনিক সেতু নির্মাণ। পাশাপাশি নগরীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে খাবার সরবরাহের মতো জনকল্যাণমুখী উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। সম্প্রতি খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় আমিরের সিলেট সফরকালে তাকে দলীয় মেয়র প্রার্থী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয় বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

এ সময় মেয়র পদপ্রার্থী আতাউর রহমান সিলেটের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত নাগরিক সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে তা সমাধানের দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, অপরিকল্পিত নগরায়ন, দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা, ত্রুটিপূর্ণ ড্রেনেজ ব্যবস্থা, বেহাল সড়ক যোগাযোগ, তীব্র যানজট এবং বিশুদ্ধ পানির সংকট নগরবাসীর জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। এই সমস্যাগুলোর স্থায়ী নিরসনে তিনি আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং কার্যকর ড্রেন নির্মাণের ওপর বিশেষ জোর দেওয়ার কথা জানান।

তার পনেরো দফা অঙ্গীকারের মধ্যে আরও রয়েছে নগরীতে সবুজায়ন বৃদ্ধি, দুর্নীতি প্রতিরোধ, ডিজিটাল পদ্ধতিতে নাগরিক সেবা প্রদান এবং প্রবাসীদের জন্য বিশেষ সেবামূলক কার্যক্রম চালু করা। এছাড়া যুবসমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে নানা উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনাও তার রয়েছে। প্রবাসে অর্জিত অভিজ্ঞতা সিলেটের উন্নয়নে কাজে লাগানোর আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি দলমত নির্বিশেষে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন এবং সিলেটকে একটি শান্তির নগরী হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।