ঢাকা ০৬:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo পীরগঞ্জে দুর্গাপূজা উপলক্ষে পৌর বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির শাড়ি লুঙ্গি বিতরণ Logo অধিদপ্তরের কাছে পাত্তাই পাচ্ছে না স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় Logo বন্দর লিজের আগে জনগণের মতামত নেওয়ার আহ্বান সাইফুল হকের Logo বন্ধ হচ্ছে না শেয়ারবাজারের বিনিয়োগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিএএসএম Logo প্লাস্টিক দূষণ কমাতে উৎপাদনকারীদের দায়িত্ব নেওয়ার তাগিদ Logo সিলেটকে নান্দনিক ও শান্তির নগরী করার প্রতিশ্রুতি বিকেএম প্রার্থী আতাউরের Logo সম্প্রীতি নষ্টের চেষ্টা ঠেকাতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে: এমপি ফাহমিদা Logo জার্মানির সব রেলস্টেশনে অ্যালকোহল নিষিদ্ধ Logo ট্রাম্প প্রশাসনে শীর্ষ পদ হারাচ্ছেন নারীরা Logo ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসায় সব ধরনের নিয়োগ কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

প্লাস্টিক দূষণ কমাতে উৎপাদনকারীদের দায়িত্ব নেওয়ার তাগিদ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:১৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক: পরিবেশের সুরক্ষায় প্লাস্টিক দূষণ কমানোর ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। সম্প্রতি আয়োজিত এক বিশেষ সেমিনারের কারিগরি অধিবেশনে প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার নানা দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, যত্রতত্র প্লাস্টিক ছড়িয়ে পড়ার কারণে প্রকৃতি ও মানবস্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রচলিত ব্যবস্থার পরিবর্তন আনা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রকল্পের জাতীয় বিশেষজ্ঞ মাকসুদ সিনহা। তিনি তার উপস্থাপনায় বর্ধিত উৎপাদক দায়বদ্ধতা বা ইপিআর নীতির সফল বাস্তবায়নের বিভিন্ন কৌশল তুলে ধরেন। উৎপাদকদের নিজ দায়িত্বে ব্যবহৃত পণ্যের প্যাকেট ও প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ এবং পুনর্ব্যবহারের ব্যবস্থা করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। নীতিটি সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে বাজারে প্লাস্টিকের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হারে কমবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

আলোচকরা জানান, কেবল সাধারণ মানুষকে সচেতন করে প্লাস্টিক দূষণ রোধ করা সম্ভব নয়। এর জন্য পণ্য প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলোকেও আইনি কাঠামোর মধ্যে এনে সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব অর্পণ করতে হবে। উৎপাদকদের ওপর নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দিলে তারা বিকল্প ও পরিবেশবান্ধব উপাদান ব্যবহারে বাধ্য হবে। এতে সামগ্রিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়ায় একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে তারা মনে করেন।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে নীতিনির্ধারক, গবেষক এবং শিল্প উদ্যোক্তাদের সমন্বয়ে একটি যৌথ কর্মপরিকল্পনা তৈরির ওপর জোর দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট সবাই মিলে সম্মিলিতভাবে কাজ করলে প্লাস্টিকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে দেশকে রক্ষা করা সম্ভব হবে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই নীতি বাস্তবায়ন শুরু করার জন্য সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানান অংশগ্রহণকারীরা।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পীরগঞ্জে দুর্গাপূজা উপলক্ষে পৌর বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির শাড়ি লুঙ্গি বিতরণ

প্লাস্টিক দূষণ কমাতে উৎপাদনকারীদের দায়িত্ব নেওয়ার তাগিদ

আপডেট সময় ০৫:১৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: পরিবেশের সুরক্ষায় প্লাস্টিক দূষণ কমানোর ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। সম্প্রতি আয়োজিত এক বিশেষ সেমিনারের কারিগরি অধিবেশনে প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার নানা দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, যত্রতত্র প্লাস্টিক ছড়িয়ে পড়ার কারণে প্রকৃতি ও মানবস্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রচলিত ব্যবস্থার পরিবর্তন আনা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রকল্পের জাতীয় বিশেষজ্ঞ মাকসুদ সিনহা। তিনি তার উপস্থাপনায় বর্ধিত উৎপাদক দায়বদ্ধতা বা ইপিআর নীতির সফল বাস্তবায়নের বিভিন্ন কৌশল তুলে ধরেন। উৎপাদকদের নিজ দায়িত্বে ব্যবহৃত পণ্যের প্যাকেট ও প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ এবং পুনর্ব্যবহারের ব্যবস্থা করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। নীতিটি সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে বাজারে প্লাস্টিকের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হারে কমবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

আলোচকরা জানান, কেবল সাধারণ মানুষকে সচেতন করে প্লাস্টিক দূষণ রোধ করা সম্ভব নয়। এর জন্য পণ্য প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলোকেও আইনি কাঠামোর মধ্যে এনে সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব অর্পণ করতে হবে। উৎপাদকদের ওপর নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দিলে তারা বিকল্প ও পরিবেশবান্ধব উপাদান ব্যবহারে বাধ্য হবে। এতে সামগ্রিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়ায় একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে তারা মনে করেন।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে নীতিনির্ধারক, গবেষক এবং শিল্প উদ্যোক্তাদের সমন্বয়ে একটি যৌথ কর্মপরিকল্পনা তৈরির ওপর জোর দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট সবাই মিলে সম্মিলিতভাবে কাজ করলে প্লাস্টিকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে দেশকে রক্ষা করা সম্ভব হবে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই নীতি বাস্তবায়ন শুরু করার জন্য সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানান অংশগ্রহণকারীরা।