ঢাকা ০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo বন্ধ হচ্ছে না শেয়ারবাজারের বিনিয়োগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিএএসএম Logo প্লাস্টিক দূষণ কমাতে উৎপাদনকারীদের দায়িত্ব নেওয়ার তাগিদ Logo সিলেটকে নান্দনিক ও শান্তির নগরী করার প্রতিশ্রুতি বিকেএম প্রার্থী আতাউরের Logo সম্প্রীতি নষ্টের চেষ্টা ঠেকাতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে: এমপি ফাহমিদা Logo জার্মানির সব রেলস্টেশনে অ্যালকোহল নিষিদ্ধ Logo ট্রাম্প প্রশাসনে শীর্ষ পদ হারাচ্ছেন নারীরা Logo ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসায় সব ধরনের নিয়োগ কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ Logo ১২২ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ৮৪তম, ক্ষুধা কমানোয় অগ্রগতি ধীর Logo মার্কিন চুক্তি আসলে চুক্তি নয়, এটা ট্রাম্পের আদেশনামা: আনু মুহাম্মদ Logo পঞ্চবটি-মুক্তারপুর দোতলা সড়ক পরিদর্শনে মন্ত্রী, দিলেন মান নিশ্চিতের নির্দেশ
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

১২২ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ৮৪তম, ক্ষুধা কমানোয় অগ্রগতি ধীর

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:৪৬:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক: বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সার্বিক খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টির অবস্থা নিয়ে প্রকাশিত নতুন এক প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অবস্থানের অবনতি লক্ষ্য করা গেছে। প্রকাশিত বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মোট ১২২টি দেশের তালিকাভুক্তির মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান দাঁড়িয়েছে ৮৪তম। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশের সামগ্রিক আর্থসামাজিক উন্নয়ন ঘটলেও শিশুদের পুষ্টির মান বাড়ানোর ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত গতি বজায় রাখা সম্ভব হয়নি।

প্রতিবেদনের তথ্য বিশ্লেষণ করে জানা যায়, পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের শারীরিক বিকাশের ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত নেতিবাচক চিত্র উঠে এসেছে। এই বয়সের শিশুদের মধ্যে উচ্চতার তুলনায় ওজন কমে যাওয়ার প্রবণতা, যা তীব্র অপুষ্টি বা কৃশকায় হিসেবে পরিচিত, তা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। শিশুদের এই পুষ্টিহীনতার চিত্রটি দেশের সার্বিক স্বাস্থ্য খাতের জন্য একটি বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, খাদ্য উৎপাদন ও প্রাপ্যতা কিছুটা বাড়লেও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের সুযোগ এখনও সীমিত। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর পক্ষে শিশুসুলভ পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে শিশুদের শরীরে। এছাড়া সচেতনতার অভাব এবং গ্রামীণ ও শহর অঞ্চলের বস্তিগুলোতে স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাত্রার ঘাটতিও এই পরিস্থিতির জন্য অনেকাংশে দায়ী।

দীর্ঘমেয়াদি এই পুষ্টিহীনতা রোধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। সংশ্লিষ্ট নীতি নির্ধারক ও পুষ্টিবিদরা তাই জরুরি ভিত্তিতে বহুমুখী পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি আরও জোরদার করা এবং শিশুখাদ্যের মান নিশ্চিতকরণ।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বন্ধ হচ্ছে না শেয়ারবাজারের বিনিয়োগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিএএসএম

১২২ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ৮৪তম, ক্ষুধা কমানোয় অগ্রগতি ধীর

আপডেট সময় ০৩:৪৬:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সার্বিক খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টির অবস্থা নিয়ে প্রকাশিত নতুন এক প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অবস্থানের অবনতি লক্ষ্য করা গেছে। প্রকাশিত বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মোট ১২২টি দেশের তালিকাভুক্তির মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান দাঁড়িয়েছে ৮৪তম। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশের সামগ্রিক আর্থসামাজিক উন্নয়ন ঘটলেও শিশুদের পুষ্টির মান বাড়ানোর ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত গতি বজায় রাখা সম্ভব হয়নি।

প্রতিবেদনের তথ্য বিশ্লেষণ করে জানা যায়, পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের শারীরিক বিকাশের ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত নেতিবাচক চিত্র উঠে এসেছে। এই বয়সের শিশুদের মধ্যে উচ্চতার তুলনায় ওজন কমে যাওয়ার প্রবণতা, যা তীব্র অপুষ্টি বা কৃশকায় হিসেবে পরিচিত, তা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। শিশুদের এই পুষ্টিহীনতার চিত্রটি দেশের সার্বিক স্বাস্থ্য খাতের জন্য একটি বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, খাদ্য উৎপাদন ও প্রাপ্যতা কিছুটা বাড়লেও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের সুযোগ এখনও সীমিত। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর পক্ষে শিশুসুলভ পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে শিশুদের শরীরে। এছাড়া সচেতনতার অভাব এবং গ্রামীণ ও শহর অঞ্চলের বস্তিগুলোতে স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাত্রার ঘাটতিও এই পরিস্থিতির জন্য অনেকাংশে দায়ী।

দীর্ঘমেয়াদি এই পুষ্টিহীনতা রোধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। সংশ্লিষ্ট নীতি নির্ধারক ও পুষ্টিবিদরা তাই জরুরি ভিত্তিতে বহুমুখী পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি আরও জোরদার করা এবং শিশুখাদ্যের মান নিশ্চিতকরণ।