আপডেট সময়
১১:৪৬:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
১
বার পড়া হয়েছে
পূজার ছুটিতে চালু থাকবে তৈরি পোশাক কারখানা
অর্থনীতি ডেস্ক: আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকার টানা কয়েকদিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করলেও এর আওতাধীন থাকছে না দেশের রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক খাত। সরকারি ও বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ছুটি বলবৎ থাকলেও পোশাক কারখানাগুলোতে উৎপাদন কার্যক্রম যথারীতি চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তৈরি পোশাকশিল্পের শীর্ষ সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। মূলত বৈদেশিক বাণিজ্যের ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ক্রেতার চালান পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ এবং নিট পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর দায়িত্বশীল নেতারা জানান, বছরের শুরুতেই শ্রমিক প্রতিনিধি ও মালিকপক্ষের আলোচনা সাপেক্ষে ছুটির তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। সাধারণত সেই বাৎসরিক ছুটির তালিকায় দুর্গাপূজার জন্য আলাদা কোনো সাধারণ ছুটি বরাদ্দ থাকে না। তবে কারখানার উৎপাদন চালু থাকলেও সনাতন ধর্মাবলম্বী শ্রমিক ও কর্মচারীরা এই সময়ে পূজার ছুটি উপভোগ করার সুযোগ পান। এক্ষেত্রে তাঁদের এই ছুটি সাধারণ ছুটির বদলে নৈমিত্তিক বা অর্জিত ছুটি হিসেবে গণ্য করা হয়।জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পূজার ছুটির প্রজ্ঞাপন জারির পর শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকেও একটি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। ওই নির্দেশনায় জানানো হয়, বেসরকারি খাতের কলকারখানা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সাধারণ ছুটি নির্ধারণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মালিক ও শ্রমিকপক্ষের পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। সম্প্রতি বিজিএমইএর পক্ষ থেকেও শ্রম আইন ও বিধিমালা মেনে নিজ নিজ কারখানার শ্রমিকদের উৎসব ছুটি কার্যকর করার একটি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ফলে সামগ্রিক আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই কারখানাগুলোতে কাজের পরিবেশ বজায় রাখা হচ্ছে।এদিকে পোশাক খাতের ছুটি নিয়ে কিছুদিন আগে কিছু গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্টরা অভিযোগ করেন। বিজিএমইএর ঢাকা ও চট্টগ্রাম কার্যালয়ের জন্য স্বল্পসময়ের ছুটি ঘোষণার বিষয়টি ভুলভাবে পুরো তৈরি পোশাক খাতের ছুটি হিসেবে প্রচার করা হলে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। পরে সেই ভুল সংশোধন করতে ছুটির একটি অংশ বাতিল করা হয়। অন্যদিকে শ্রমিক সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, সনাতন ধর্মাবলম্বী শ্রমিকদের পূজা উপলক্ষে আলাদা কোনো উৎসব ছুটি না দিয়ে তাঁদের নিজেদের অর্জিত ছুটি থেকে কেটে নেওয়া হলে তা প্রকৃত অর্থে উৎসব ছুটির মর্যাদা পায় না।
অর্থনীতি ডেস্ক: আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকার টানা কয়েকদিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করলেও এর আওতাধীন থাকছে না দেশের রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক খাত। সরকারি ও বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ছুটি বলবৎ থাকলেও পোশাক কারখানাগুলোতে উৎপাদন কার্যক্রম যথারীতি চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তৈরি পোশাকশিল্পের শীর্ষ সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। মূলত বৈদেশিক বাণিজ্যের ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ক্রেতার চালান পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ এবং নিট পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর দায়িত্বশীল নেতারা জানান, বছরের শুরুতেই শ্রমিক প্রতিনিধি ও মালিকপক্ষের আলোচনা সাপেক্ষে ছুটির তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। সাধারণত সেই বাৎসরিক ছুটির তালিকায় দুর্গাপূজার জন্য আলাদা কোনো সাধারণ ছুটি বরাদ্দ থাকে না। তবে কারখানার উৎপাদন চালু থাকলেও সনাতন ধর্মাবলম্বী শ্রমিক ও কর্মচারীরা এই সময়ে পূজার ছুটি উপভোগ করার সুযোগ পান। এক্ষেত্রে তাঁদের এই ছুটি সাধারণ ছুটির বদলে নৈমিত্তিক বা অর্জিত ছুটি হিসেবে গণ্য করা হয়।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পূজার ছুটির প্রজ্ঞাপন জারির পর শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকেও একটি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। ওই নির্দেশনায় জানানো হয়, বেসরকারি খাতের কলকারখানা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সাধারণ ছুটি নির্ধারণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মালিক ও শ্রমিকপক্ষের পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। সম্প্রতি বিজিএমইএর পক্ষ থেকেও শ্রম আইন ও বিধিমালা মেনে নিজ নিজ কারখানার শ্রমিকদের উৎসব ছুটি কার্যকর করার একটি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ফলে সামগ্রিক আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই কারখানাগুলোতে কাজের পরিবেশ বজায় রাখা হচ্ছে।
এদিকে পোশাক খাতের ছুটি নিয়ে কিছুদিন আগে কিছু গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্টরা অভিযোগ করেন। বিজিএমইএর ঢাকা ও চট্টগ্রাম কার্যালয়ের জন্য স্বল্পসময়ের ছুটি ঘোষণার বিষয়টি ভুলভাবে পুরো তৈরি পোশাক খাতের ছুটি হিসেবে প্রচার করা হলে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। পরে সেই ভুল সংশোধন করতে ছুটির একটি অংশ বাতিল করা হয়। অন্যদিকে শ্রমিক সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, সনাতন ধর্মাবলম্বী শ্রমিকদের পূজা উপলক্ষে আলাদা কোনো উৎসব ছুটি না দিয়ে তাঁদের নিজেদের অর্জিত ছুটি থেকে কেটে নেওয়া হলে তা প্রকৃত অর্থে উৎসব ছুটির মর্যাদা পায় না।