ঢাকা ০১:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনে সবকিছু ধ্বংস হয়ে গেছে: রাষ্ট্রপতি Logo হেলথ ইন্স্যুরেন্সের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে ছাড়, খরচ নিয়ন্ত্রণে বাড়ছে সুবিধা Logo ন্যাশনাল ব্যাংকের মহাখালী শাখায় ১–২ লাখ টাকা গ্রাহকেরা পাচ্ছেন Logo বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে শূন্য পদ ৫ লাখ ২২ হাজার Logo কিশোরগঞ্জে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে জামায়াতের মতবিনিময় Logo দুর্নীতি মামলায় আবেদপুত্র সিয়ামের ৪ বছরের কারাদণ্ড Logo ১৯২ নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের জন্য ৪১ কোটি টাকা বরাদ্দ চায় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ Logo এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা নতুন বেতনকাঠামোয় কবে বেতন পাবেন, কী বলছে মন্ত্রণালয় Logo গ্রেপ্তারের আগে সৌদির টিকিট কাটেন প্রকৌশলী আলফোজান
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

দুর্নীতি মামলায় আবেদপুত্র সিয়ামের ৪ বছরের কারাদণ্ড

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:৪৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

অপরাধ ডেস্ক: অবৈধ উপায়ে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দায়ের করা একটি দুর্নীতি মামলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্র সংগঠনের সাবেক এক নেতাকে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। আদালতের রায়ে তাকে চার বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং এই রায় বিচার অঙ্গনে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। গত কয়েকদিন আগে ঢাকার একটি বিশেষ জজ আদালত এই চাঞ্চল্যকর মামলার রায় ঘোষণা করেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের কঠোর তদন্ত এবং সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে আদালত এই নির্দেশ প্রদান করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত ওই ব্যক্তির নাম সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়াম, যিনি অতীতে ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন এবং ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করতেন। তিনি আলোচিত সরকারি কর্ম কমিশন বা পিএসসি প্রশ্নফাঁস কেলেঙ্কারির ঘটনায় অভিযুক্ত সৈয়দ আবেদ আলী জীবনের সন্তান। পিতার বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের পর সিয়ামের বিরুদ্ধেও অবৈধ সম্পদ অর্জনের এই অভিযোগ আনা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে আদালতে প্রমাণিত হয়।

গত বছরের জুলাই মাসে প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে তাকে দলীয় পদ থেকে চিরতরে অব্যাহতি দেওয়া হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারিতে আসার পর থেকেই তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির বিভিন্ন অভিযোগ একে একে ডালপালা মেলতে শুরু করে। বিভিন্ন মাধ্যম থেকে প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনা করে তদন্তকারীরা তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের প্রাথমিক সত্যতা পান এবং মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।

সর্বশেষ আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক বিএম তারিকুল কবীর সব নথিপত্র পর্যালোচনা করে এই রায় ঘোষণা করেন। বিচারক নির্ধারিত দিনে বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে জনাকীর্ণ আদালতে এই রায় পাঠ করেন, যা বিভিন্ন গণমাধ্যমে গুরুত্বের সঙ্গে প্রচার করা হয়েছে। এই রায়ের মাধ্যমে দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগের কঠোর অবস্থানের আরও একটি বার্তা দিল সংশ্লিষ্ট আদালত।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনে সবকিছু ধ্বংস হয়ে গেছে: রাষ্ট্রপতি

দুর্নীতি মামলায় আবেদপুত্র সিয়ামের ৪ বছরের কারাদণ্ড

আপডেট সময় ১১:৪৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

অপরাধ ডেস্ক: অবৈধ উপায়ে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দায়ের করা একটি দুর্নীতি মামলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্র সংগঠনের সাবেক এক নেতাকে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। আদালতের রায়ে তাকে চার বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং এই রায় বিচার অঙ্গনে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। গত কয়েকদিন আগে ঢাকার একটি বিশেষ জজ আদালত এই চাঞ্চল্যকর মামলার রায় ঘোষণা করেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের কঠোর তদন্ত এবং সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে আদালত এই নির্দেশ প্রদান করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত ওই ব্যক্তির নাম সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়াম, যিনি অতীতে ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন এবং ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করতেন। তিনি আলোচিত সরকারি কর্ম কমিশন বা পিএসসি প্রশ্নফাঁস কেলেঙ্কারির ঘটনায় অভিযুক্ত সৈয়দ আবেদ আলী জীবনের সন্তান। পিতার বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের পর সিয়ামের বিরুদ্ধেও অবৈধ সম্পদ অর্জনের এই অভিযোগ আনা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে আদালতে প্রমাণিত হয়।

গত বছরের জুলাই মাসে প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে তাকে দলীয় পদ থেকে চিরতরে অব্যাহতি দেওয়া হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারিতে আসার পর থেকেই তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির বিভিন্ন অভিযোগ একে একে ডালপালা মেলতে শুরু করে। বিভিন্ন মাধ্যম থেকে প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনা করে তদন্তকারীরা তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের প্রাথমিক সত্যতা পান এবং মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।

সর্বশেষ আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক বিএম তারিকুল কবীর সব নথিপত্র পর্যালোচনা করে এই রায় ঘোষণা করেন। বিচারক নির্ধারিত দিনে বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে জনাকীর্ণ আদালতে এই রায় পাঠ করেন, যা বিভিন্ন গণমাধ্যমে গুরুত্বের সঙ্গে প্রচার করা হয়েছে। এই রায়ের মাধ্যমে দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগের কঠোর অবস্থানের আরও একটি বার্তা দিল সংশ্লিষ্ট আদালত।