আপডেট সময়
০১:৩০:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
০
বার পড়া হয়েছে
দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনে সবকিছু ধ্বংস হয়ে গেছে: রাষ্ট্রপতি
রাজনীতি ডেস্ক: দীর্ঘদিনের স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী শাসনের কারণে দেশের প্রায় সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংসের মুখে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, বিগত বছরগুলোতে লাগামহীন স্বেচ্ছাচারিতা এবং দুর্নীতির কারণে রাষ্ট্রের প্রতিটি খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে বর্তমান সময়ে এই সংকটময় পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার একটি সোনালী সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে তিনি মনে করেন। দেশ ও জাতিকে সামনে এগিয়ে নিতে দেশের সব স্তরের মানুষকে ধৈর্য ধারণ করার আহ্বান জানান তিনি।সম্প্রতি গাজীপুরের বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট বা বারি পরিদর্শন শেষে এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন। প্রতিষ্ঠানটি ঘুরে দেখার পাশাপাশি তিনি এর বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেন। এই পরিদর্শনের সময় কৃষি খাতের বিভিন্ন সমস্যা ও এর সম্ভাব্য সমাধান নিয়েও আলোচনা হয়।বর্তমান সময়ে কৃষিকাজ যথেষ্ট লাভজনক না হওয়ার কারণে বহু মানুষ এই পেশা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেন মির্জা ফখরুল। এই বিরূপ পরিস্থিতি থেকে দ্রুত উত্তরণ ঘটাতে হলে সরাসরি প্রকৃত কৃষকদের হাতে সরকারি প্রণোদনা পৌঁছে দেওয়ার ওপর জোর দেন তিনি। মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করে সরাসরি কৃষকদের সহায়তা প্রদান করলে কৃষি খাত আবার ঘুরে দাঁড়াবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।কৃষি খাতের মৌলিক সংকটগুলো দূর করতে হলে গবেষণার পরিধি বাড়ানোর বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেন বিএনপির এই শীর্ষ নেতা। তিনি কৃষি বিজ্ঞানীদের সুযোগ-সুবিধা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর দাবি জানিয়ে বলেন, প্রয়োজনে আইন সংশোধন করে তাদের জন্য স্থায়ী পেনশনের ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়া উৎপাদিত শাকসবজি ও ফলমূল দীর্ঘ সময় ধরে সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত হিমাগার বা কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি এবং এই খাতে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
রাজনীতি ডেস্ক: দীর্ঘদিনের স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী শাসনের কারণে দেশের প্রায় সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংসের মুখে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, বিগত বছরগুলোতে লাগামহীন স্বেচ্ছাচারিতা এবং দুর্নীতির কারণে রাষ্ট্রের প্রতিটি খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে বর্তমান সময়ে এই সংকটময় পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার একটি সোনালী সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে তিনি মনে করেন। দেশ ও জাতিকে সামনে এগিয়ে নিতে দেশের সব স্তরের মানুষকে ধৈর্য ধারণ করার আহ্বান জানান তিনি।
সম্প্রতি গাজীপুরের বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট বা বারি পরিদর্শন শেষে এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন। প্রতিষ্ঠানটি ঘুরে দেখার পাশাপাশি তিনি এর বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেন। এই পরিদর্শনের সময় কৃষি খাতের বিভিন্ন সমস্যা ও এর সম্ভাব্য সমাধান নিয়েও আলোচনা হয়।
বর্তমান সময়ে কৃষিকাজ যথেষ্ট লাভজনক না হওয়ার কারণে বহু মানুষ এই পেশা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেন মির্জা ফখরুল। এই বিরূপ পরিস্থিতি থেকে দ্রুত উত্তরণ ঘটাতে হলে সরাসরি প্রকৃত কৃষকদের হাতে সরকারি প্রণোদনা পৌঁছে দেওয়ার ওপর জোর দেন তিনি। মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করে সরাসরি কৃষকদের সহায়তা প্রদান করলে কৃষি খাত আবার ঘুরে দাঁড়াবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
কৃষি খাতের মৌলিক সংকটগুলো দূর করতে হলে গবেষণার পরিধি বাড়ানোর বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেন বিএনপির এই শীর্ষ নেতা। তিনি কৃষি বিজ্ঞানীদের সুযোগ-সুবিধা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর দাবি জানিয়ে বলেন, প্রয়োজনে আইন সংশোধন করে তাদের জন্য স্থায়ী পেনশনের ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়া উৎপাদিত শাকসবজি ও ফলমূল দীর্ঘ সময় ধরে সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত হিমাগার বা কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি এবং এই খাতে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।