ঢাকা ০৮:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

পরিবেশগত প্রভাব নিরূপণে বুড়িমারী স্থলবন্দরে জনমত যাচাই সভা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:১৬:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক: লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলায় অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ বুড়িমারী স্থলবন্দরকে আরও পরিবেশসম্মত, টেকসই ও আধুনিক রূপ দিতে একটি বিশেষ জনমত যাচাই সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে আয়োজিত এই সভায় সংশ্লিষ্ট এলাকার পরিবেশগত প্রভাব নিরূপণ এবং এর সম্ভাব্য সমাধান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। মূলত বাণিজ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের পাশাপাশি স্থানীয় পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত অ্যাক্সিলারেটিং ট্রান্সপোর্ট অ্যান্ড ট্রেড কানেকটিভিটি ইন ইস্টার্ন সাউথ এশিয়া বা অ্যাকসেস-বাংলাদেশ ফেজ-১ প্রকল্পের আওতায় এই সভাটি আয়োজন করা হয়। বন্দরের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে প্রকল্পটির বিভিন্ন নির্মাণগত দিক উপস্থিত জনসাধারণের সামনে তুলে ধরা হয় এবং এ বিষয়ে তাদের সুচিন্তিত মতামত আহ্বান করা হয়। জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক বিজন কুমার রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রকল্পটির পরিচালক সিদ্দিকুর রহমান। এছাড়া বুড়িমারী স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান, স্থানীয় ভূমি কর্মকর্তা, পুলিশ ইমিগ্রেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের নেতাসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেন।

সভায় অংশ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রকল্পের বিভিন্ন দিক নিয়ে নিজেদের মতামত ও শঙ্কার কথা খোলামেলাভাবে তুলে ধরেন। বিশেষ করে জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া এবং উন্নয়নমূলক কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর সীমান্ত এলাকার সাধারণ মানুষের চলাচলে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি হতে পারে কি না, সে বিষয়ে তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেন। একইসঙ্গে এই বিশাল অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জনস্বার্থ রক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোরালো দাবি জানান এলাকাবাসী।

অন্যদিকে, উপস্থিত বক্তারা স্থানীয় জনগণের প্রতিটি যৌক্তিক দাবি ও পরিবেশগত বিষয়গুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন। এই আধুনিকায়ন সম্পন্ন হলে বুড়িমারী স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে এবং সামগ্রিক বাণিজ্যিক কার্যক্রমের গতিশীলতা অর্জিত হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। পরিশেষে, এই প্রকল্পের মাধ্যমে এলাকার অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ার পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগস :

‘ক্ষমতার বদহজম’ এবং আজকের রাজনীতি

পরিবেশগত প্রভাব নিরূপণে বুড়িমারী স্থলবন্দরে জনমত যাচাই সভা

আপডেট সময় ০৬:১৬:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলায় অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ বুড়িমারী স্থলবন্দরকে আরও পরিবেশসম্মত, টেকসই ও আধুনিক রূপ দিতে একটি বিশেষ জনমত যাচাই সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে আয়োজিত এই সভায় সংশ্লিষ্ট এলাকার পরিবেশগত প্রভাব নিরূপণ এবং এর সম্ভাব্য সমাধান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। মূলত বাণিজ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের পাশাপাশি স্থানীয় পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত অ্যাক্সিলারেটিং ট্রান্সপোর্ট অ্যান্ড ট্রেড কানেকটিভিটি ইন ইস্টার্ন সাউথ এশিয়া বা অ্যাকসেস-বাংলাদেশ ফেজ-১ প্রকল্পের আওতায় এই সভাটি আয়োজন করা হয়। বন্দরের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে প্রকল্পটির বিভিন্ন নির্মাণগত দিক উপস্থিত জনসাধারণের সামনে তুলে ধরা হয় এবং এ বিষয়ে তাদের সুচিন্তিত মতামত আহ্বান করা হয়। জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক বিজন কুমার রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রকল্পটির পরিচালক সিদ্দিকুর রহমান। এছাড়া বুড়িমারী স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান, স্থানীয় ভূমি কর্মকর্তা, পুলিশ ইমিগ্রেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের নেতাসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেন।

সভায় অংশ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রকল্পের বিভিন্ন দিক নিয়ে নিজেদের মতামত ও শঙ্কার কথা খোলামেলাভাবে তুলে ধরেন। বিশেষ করে জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া এবং উন্নয়নমূলক কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর সীমান্ত এলাকার সাধারণ মানুষের চলাচলে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি হতে পারে কি না, সে বিষয়ে তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেন। একইসঙ্গে এই বিশাল অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জনস্বার্থ রক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোরালো দাবি জানান এলাকাবাসী।

অন্যদিকে, উপস্থিত বক্তারা স্থানীয় জনগণের প্রতিটি যৌক্তিক দাবি ও পরিবেশগত বিষয়গুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন। এই আধুনিকায়ন সম্পন্ন হলে বুড়িমারী স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে এবং সামগ্রিক বাণিজ্যিক কার্যক্রমের গতিশীলতা অর্জিত হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। পরিশেষে, এই প্রকল্পের মাধ্যমে এলাকার অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ার পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্টরা।