আপডেট সময়
০৮:৩০:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
২
বার পড়া হয়েছে
২,৪৮০ পদে নার্স ও মিডওয়াইফ নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু কবে
চাকরি ডেস্ক: দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ সামাল দিতে এবং স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত করতে বড় ধরনের জনবল নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ থেকে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনে বা পিএসসিতে এসব শূন্য পদের চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে। এর আওতায় সরাসরি দশম গ্রেডের এক হাজার ৫৬৬ জন সিনিয়র স্টাফ নার্স এবং ৯১৪ জন মিডওয়াইফ নিয়োগ দেওয়া হবে। দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে নার্সের তীব্র সংকট থাকায় এই নিয়োগপ্রক্রিয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।প্রাথমিকভাবে সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হলেও কিছু দাপ্তরিক তথ্যের অসংগতির কারণে তা দীর্ঘসূত্রতায় পড়ে। চলতি বছর প্রথম দিকে চাহিদাপত্র পাঠানো হলেও পিএসসির আপত্তির কারণে তা সংশোধন করতে বেশ কিছুদিন সময় লেগে যায়। তবে সম্প্রতি সব ধরনের প্রশাসনিক জটিলতা ও ভুলত্রুটি দূর করে সংশੋধিত চাহিদাপত্রটি পিএসসিতে জমা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে কাঙ্ক্ষিত এই পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পথ এখন অনেকটাই সুগম হয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।সিনিয়র স্টাফ নার্সের পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে মাতৃ ও নবজাতক স্বাস্থ্যসেবা আরও জোরদার করতে ৯১৪ জন মিডওয়াইফ নিয়োগের নতুন চাহিদাপত্রও পিএসসিতে পাঠানো হয়েছে। নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত বিধি অনুসরণ করে এই শূন্য পদগুলোতে নিয়োগের জন্য দাপ্তরিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। সরকারের নীতিনির্ধারক মহলের মতে, মাতৃ ও শিশুমৃত্যুর হার কমিয়ে আনতে দক্ষ মিডওয়াইফদের ভূমিকা অপরিসীম এবং পর্যায়ক্রমে এই খাতে আরও জনবল যুক্ত করা হবে।এদিকে বিভিন্ন প্রশাসনিক জটিলতার কারণে নিয়োগপ্রক্রিয়া ধীরগতিতে চলায় চাকরিপ্রার্থীরা কিছুটা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, স্বাস্থ্য খাতের মতো জরুরি একটি সেবা খাতে দাপ্তরিক দীর্ঘসূত্রতা এড়ানো উচিত এবং দ্রুত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা দরকার। অন্যদিকে পিএসসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, নিয়ম ও চেকলিস্ট অনুযায়ী সমস্ত কাগজপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে এবং খুব দ্রুতই পরবর্তী কার্যক্রম শুরু হবে।
চাকরি ডেস্ক: দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ সামাল দিতে এবং স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত করতে বড় ধরনের জনবল নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ থেকে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনে বা পিএসসিতে এসব শূন্য পদের চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে। এর আওতায় সরাসরি দশম গ্রেডের এক হাজার ৫৬৬ জন সিনিয়র স্টাফ নার্স এবং ৯১৪ জন মিডওয়াইফ নিয়োগ দেওয়া হবে। দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে নার্সের তীব্র সংকট থাকায় এই নিয়োগপ্রক্রিয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রাথমিকভাবে সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হলেও কিছু দাপ্তরিক তথ্যের অসংগতির কারণে তা দীর্ঘসূত্রতায় পড়ে। চলতি বছর প্রথম দিকে চাহিদাপত্র পাঠানো হলেও পিএসসির আপত্তির কারণে তা সংশোধন করতে বেশ কিছুদিন সময় লেগে যায়। তবে সম্প্রতি সব ধরনের প্রশাসনিক জটিলতা ও ভুলত্রুটি দূর করে সংশੋধিত চাহিদাপত্রটি পিএসসিতে জমা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে কাঙ্ক্ষিত এই পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পথ এখন অনেকটাই সুগম হয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
সিনিয়র স্টাফ নার্সের পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে মাতৃ ও নবজাতক স্বাস্থ্যসেবা আরও জোরদার করতে ৯১৪ জন মিডওয়াইফ নিয়োগের নতুন চাহিদাপত্রও পিএসসিতে পাঠানো হয়েছে। নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত বিধি অনুসরণ করে এই শূন্য পদগুলোতে নিয়োগের জন্য দাপ্তরিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। সরকারের নীতিনির্ধারক মহলের মতে, মাতৃ ও শিশুমৃত্যুর হার কমিয়ে আনতে দক্ষ মিডওয়াইফদের ভূমিকা অপরিসীম এবং পর্যায়ক্রমে এই খাতে আরও জনবল যুক্ত করা হবে।
এদিকে বিভিন্ন প্রশাসনিক জটিলতার কারণে নিয়োগপ্রক্রিয়া ধীরগতিতে চলায় চাকরিপ্রার্থীরা কিছুটা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, স্বাস্থ্য খাতের মতো জরুরি একটি সেবা খাতে দাপ্তরিক দীর্ঘসূত্রতা এড়ানো উচিত এবং দ্রুত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা দরকার। অন্যদিকে পিএসসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, নিয়ম ও চেকলিস্ট অনুযায়ী সমস্ত কাগজপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে এবং খুব দ্রুতই পরবর্তী কার্যক্রম শুরু হবে।