আপডেট সময়
০৭:৪৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
০
বার পড়া হয়েছে
প্রশ্নপত্র ফাঁসের পরও আগের নিয়োগ কমিটি বহাল রেখে পরীক্ষা
জাতীয় ডেস্ক: উপজেলা সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদের স্থগিত হওয়া নিয়োগ পরীক্ষা আগামী ১৬ অক্টোবর শুক্রবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এর আগে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটলেও আগের সেই নিয়োগ কমিটি বহাল রেখেই এই পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর। অথচ পরীক্ষার্থীদের মনে আস্থা ফিরিয়ে আনতে এই নিয়োগ কমিটি পুনর্গঠন করা প্রয়োজন ছিল বলে মনে করছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা এবং কমিটির অন্তত একজন সদস্য।এর আগে গত শনিবার ২৪২টি পদের বিপরীতে প্রায় তিন লাখ ১৯ হাজার প্রার্থীর অংশগ্রহণে ঢাকার আটানব্বইটি কেন্দ্রে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পরীক্ষা শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে পড়ে এবং মূল প্রশ্নপত্রের সঙ্গে হুবহু মিলে যায়। এর ফলে কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে ওই নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করতে বাধ্য হয় এবং ঘটনা তদন্তের জন্য পাঁচ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।তদন্ত কমিটি নির্ধারিত সময়ে প্রতিবেদন জমা দিতে না পেরে আরও দুই দিন সময় চেয়েছে এবং কমিটির প্রধান জানিয়েছেন যে তথ্য-উপাত্ত যাচাই-বাছাই ও প্রযুক্তিসংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের সহায়তায় কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তবে প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো গুরুতর ঘটনার দায় নিয়োগ কমিটি এড়াতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্ট অনেকে। এমনকি কমিটির কেউ কেউ স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়ানোর অনুরোধ জানালেও কর্তৃপক্ষ তা আমলে নেয়নি বলে জানা গেছে।অন্যদিকে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোতাহার হোসেন দাবি করেছেন যে, প্রশ্ন ফাঁসের মূল হোতারা এখনো চিহ্নিত না হওয়ায় এই কমিটিকে এককভাবে দায়ী করা যায় না। তাছাড়া এই কমিটি পুনর্গঠন করার কোনো আইনি এখতিয়ার তাদের অধিদপ্তরের নেই এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মতামত সাপেক্ষে কেবল যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ই তা করতে পারে। অন্যদিকে প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি হিসেবে প্রশ্ন তৈরি ও ছাপানোর স্থান মতিঝিলের কার্যালয় থেকে সরিয়ে সচিবালয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে স্থানান্তর করা হয়েছে।
জাতীয় ডেস্ক: উপজেলা সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদের স্থগিত হওয়া নিয়োগ পরীক্ষা আগামী ১৬ অক্টোবর শুক্রবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এর আগে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটলেও আগের সেই নিয়োগ কমিটি বহাল রেখেই এই পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর। অথচ পরীক্ষার্থীদের মনে আস্থা ফিরিয়ে আনতে এই নিয়োগ কমিটি পুনর্গঠন করা প্রয়োজন ছিল বলে মনে করছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা এবং কমিটির অন্তত একজন সদস্য।
এর আগে গত শনিবার ২৪২টি পদের বিপরীতে প্রায় তিন লাখ ১৯ হাজার প্রার্থীর অংশগ্রহণে ঢাকার আটানব্বইটি কেন্দ্রে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পরীক্ষা শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে পড়ে এবং মূল প্রশ্নপত্রের সঙ্গে হুবহু মিলে যায়। এর ফলে কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে ওই নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করতে বাধ্য হয় এবং ঘটনা তদন্তের জন্য পাঁচ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
তদন্ত কমিটি নির্ধারিত সময়ে প্রতিবেদন জমা দিতে না পেরে আরও দুই দিন সময় চেয়েছে এবং কমিটির প্রধান জানিয়েছেন যে তথ্য-উপাত্ত যাচাই-বাছাই ও প্রযুক্তিসংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের সহায়তায় কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তবে প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো গুরুতর ঘটনার দায় নিয়োগ কমিটি এড়াতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্ট অনেকে। এমনকি কমিটির কেউ কেউ স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়ানোর অনুরোধ জানালেও কর্তৃপক্ষ তা আমলে নেয়নি বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোতাহার হোসেন দাবি করেছেন যে, প্রশ্ন ফাঁসের মূল হোতারা এখনো চিহ্নিত না হওয়ায় এই কমিটিকে এককভাবে দায়ী করা যায় না। তাছাড়া এই কমিটি পুনর্গঠন করার কোনো আইনি এখতিয়ার তাদের অধিদপ্তরের নেই এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মতামত সাপেক্ষে কেবল যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ই তা করতে পারে। অন্যদিকে প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি হিসেবে প্রশ্ন তৈরি ও ছাপানোর স্থান মতিঝিলের কার্যালয় থেকে সরিয়ে সচিবালয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে স্থানান্তর করা হয়েছে।