আপডেট সময়
১১:০১:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬
২
বার পড়া হয়েছে
হাজারো শিক্ষার্থীর জীবনে আলো ছড়িয়ে দেওয়া শিক্ষাগুরু শাহনাজ পারভীন | একজন শিক্ষক: প্রজন্মের কারিগর
শিক্ষা ডেস্ক: শিক্ষকতা কেবল একটি পেশা নয়, বরং সমাজ পরিবর্তনের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার। আর এই কথাটিকেই বাস্তবে রূপ দিয়েছেন বগুড়ার শেরপুর উপজেলার এক নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক। তিনি প্রতিদিন বিদ্যালয়ের পাঠদান শেষ করে নিজের বাড়িতে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বিনামূল্যে শিক্ষা প্রদান করে আসছেন। তাঁর এই নিরলস পরিশ্রম ও আত্মত্যাগের ফলে হাজারো শিক্ষার্থীর জীবনে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে পড়েছে, যা স্থানীয় সমাজে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।এই মহতী উদ্যোগের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি মর্যাদাপূর্ণ বিশ্বসেরা ৫০ জন শিক্ষকের সংক্ষিপ্ত তালিকায় স্থান অর্জন করেছেন। প্রথম আলোর বিশেষ আয়োজন প্রজন্মের কারিগর শীর্ষক অনুষ্ঠানে তাঁর এই সংগ্রামের গল্প তুলে ধরা হয়। ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্সের সহযোগিতায় এবং এইচ এম আতিফ ওয়াফিকের উপস্থাপনায় এই আয়োজনে তাঁর শিক্ষক হয়ে ওঠার পেছনের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও সাফল্যের দিকগুলো বিস্তারিতভাবে আলোচিত হয়েছে।প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান শেষে বিকেলবেলা দরিদ্র ও অবহেলিত শিশুদের পড়ানোই তাঁর মূল রুটিন। আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারণে যেসব শিশু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল, তারা তাঁর কাছে এসে নতুনভাবে স্বপ্ন দেখার সুযোগ পাচ্ছে। অত্যন্ত আন্তরিকতা ও মাতৃসুলভ স্নেহে তিনি শুধু পুঁথিগত বিদ্যায় শিক্ষার্থীদের সীমাবদ্ধ রাখেননি, বরং তাদের নৈতিক শিক্ষায় বলীয়ান করে গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন।তাঁর এই ব্যতিক্রমী অবদান কেবল স্থানীয় পর্যায়েই নয়, বরং জাতীয় গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রশংসিত হয়েছে। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের শিক্ষকদের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছেন এই শিক্ষক। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, তাঁর মতো গুণী ও উৎসর্গীকৃত শিক্ষকদের হাত ধরেই দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আরও বেশি আলোকিত ও দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে।
শিক্ষা ডেস্ক: শিক্ষকতা কেবল একটি পেশা নয়, বরং সমাজ পরিবর্তনের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার। আর এই কথাটিকেই বাস্তবে রূপ দিয়েছেন বগুড়ার শেরপুর উপজেলার এক নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক। তিনি প্রতিদিন বিদ্যালয়ের পাঠদান শেষ করে নিজের বাড়িতে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বিনামূল্যে শিক্ষা প্রদান করে আসছেন। তাঁর এই নিরলস পরিশ্রম ও আত্মত্যাগের ফলে হাজারো শিক্ষার্থীর জীবনে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে পড়েছে, যা স্থানীয় সমাজে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
এই মহতী উদ্যোগের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি মর্যাদাপূর্ণ বিশ্বসেরা ৫০ জন শিক্ষকের সংক্ষিপ্ত তালিকায় স্থান অর্জন করেছেন। প্রথম আলোর বিশেষ আয়োজন প্রজন্মের কারিগর শীর্ষক অনুষ্ঠানে তাঁর এই সংগ্রামের গল্প তুলে ধরা হয়। ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্সের সহযোগিতায় এবং এইচ এম আতিফ ওয়াফিকের উপস্থাপনায় এই আয়োজনে তাঁর শিক্ষক হয়ে ওঠার পেছনের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও সাফল্যের দিকগুলো বিস্তারিতভাবে আলোচিত হয়েছে।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান শেষে বিকেলবেলা দরিদ্র ও অবহেলিত শিশুদের পড়ানোই তাঁর মূল রুটিন। আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারণে যেসব শিশু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল, তারা তাঁর কাছে এসে নতুনভাবে স্বপ্ন দেখার সুযোগ পাচ্ছে। অত্যন্ত আন্তরিকতা ও মাতৃসুলভ স্নেহে তিনি শুধু পুঁথিগত বিদ্যায় শিক্ষার্থীদের সীমাবদ্ধ রাখেননি, বরং তাদের নৈতিক শিক্ষায় বলীয়ান করে গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন।
তাঁর এই ব্যতিক্রমী অবদান কেবল স্থানীয় পর্যায়েই নয়, বরং জাতীয় গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রশংসিত হয়েছে। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের শিক্ষকদের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছেন এই শিক্ষক। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, তাঁর মতো গুণী ও উৎসর্গীকৃত শিক্ষকদের হাত ধরেই দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আরও বেশি আলোকিত ও দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে।