আপডেট সময়
১২:৪৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
১
বার পড়া হয়েছে
সরকারের ব্যর্থতায় অর্থনৈতিক সংকট আরও প্রকট হয়েছে: এবি পার্টি
রাজনীতি ডেস্ক: দেশের চলমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে আমার বাংলাদেশ পার্টি বা এবি পার্টি। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে বর্তমান সরকারের নীতিনির্ধারণী ব্যর্থতার কারণে দেশের অর্থনীতি গভীর সংকটের মুখে পড়েছে। দেশের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে নেতারা এই মন্তব্য করেন যে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান দিন দিন আরও কঠিন হয়ে উঠছে।এবি পার্টির নেতা মজিবুর রহমান মঞ্জু সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে উল্লেখ করেছেন যে দেশের ব্যাংকিং খাত এবং শেয়ারবাজারে এখনো কোনো ইতিবাচক বা দৃশ্যমান পরিবর্তন আসেনি। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এসব খাতের অনিয়ম ও দুর্বলতা দূর করতে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এর ফলে বিনিয়োগকারীদের আস্থা যেমন কমেছে, তেমনি সামগ্রিক আর্থিক ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের স্থবিরতা তৈরি হয়েছে।তিনি আরও আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন যে দেশের অন্যতম প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত তৈরি পোশাকশিল্প এবং শ্রমিক রপ্তানি বা জনশক্তি খাতে নতুন করে নানা ধরনের সংকট দানা বাঁধছে। এসব খাতের ওপর নির্ভর করে দেশের অর্থনীতি বহুলাংশে টিকে থাকলেও নীতিনির্ধারকদের উদাসীনতার কারণে সেখানেও অস্থিরতা বিরাজ করছে। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা এবং শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও নানা চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে।বিশ্লেষকদের মতে দেশের এই অর্থনৈতিক ভঙ্গুর দশা কাটাতে অবিলম্বে সুনির্দিষ্ট ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন। অন্যথায় দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক কাঠামো আরও বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এ পরিস্থিতিতে সরকারের তরফ থেকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সচেতন মহল।
রাজনীতি ডেস্ক: দেশের চলমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে আমার বাংলাদেশ পার্টি বা এবি পার্টি। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে বর্তমান সরকারের নীতিনির্ধারণী ব্যর্থতার কারণে দেশের অর্থনীতি গভীর সংকটের মুখে পড়েছে। দেশের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে নেতারা এই মন্তব্য করেন যে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান দিন দিন আরও কঠিন হয়ে উঠছে।
এবি পার্টির নেতা মজিবুর রহমান মঞ্জু সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে উল্লেখ করেছেন যে দেশের ব্যাংকিং খাত এবং শেয়ারবাজারে এখনো কোনো ইতিবাচক বা দৃশ্যমান পরিবর্তন আসেনি। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এসব খাতের অনিয়ম ও দুর্বলতা দূর করতে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এর ফলে বিনিয়োগকারীদের আস্থা যেমন কমেছে, তেমনি সামগ্রিক আর্থিক ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের স্থবিরতা তৈরি হয়েছে।
তিনি আরও আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন যে দেশের অন্যতম প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত তৈরি পোশাকশিল্প এবং শ্রমিক রপ্তানি বা জনশক্তি খাতে নতুন করে নানা ধরনের সংকট দানা বাঁধছে। এসব খাতের ওপর নির্ভর করে দেশের অর্থনীতি বহুলাংশে টিকে থাকলেও নীতিনির্ধারকদের উদাসীনতার কারণে সেখানেও অস্থিরতা বিরাজ করছে। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা এবং শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও নানা চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে দেশের এই অর্থনৈতিক ভঙ্গুর দশা কাটাতে অবিলম্বে সুনির্দিষ্ট ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন। অন্যথায় দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক কাঠামো আরও বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এ পরিস্থিতিতে সরকারের তরফ থেকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সচেতন মহল।