ঢাকা ০১:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo বাংলাদেশের বিশ্বকাপের ম্যাচ দেখতে ৯ লাখ আবেদন Logo রাজনৈতিক দলে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতিনিধিত্বে উদ্যোগ কম Logo সরকারের ব্যর্থতায় অর্থনৈতিক সংকট আরও প্রকট হয়েছে: এবি পার্টি Logo ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসার গভর্নিং বডি–এডহক কমিটি বাতিলের সিদ্ধান্ত স্থগিত Logo সরকারি হাসপাতালে এসেও ওষুধের দাম,পরীক্ষা–নিরীক্ষার খরচে যেভাবে ফতুর হচ্ছেন রোগীরা Logo জরুরি পরিস্থিতির জন্য খাবার-পানি মজুত করতে বলছে বিভিন্ন দেশ, কীসের আশঙ্কা Logo জলবায়ু রক্ষাকারী গাছের লাখো বীজ ছড়িয়ে দিচ্ছে ড্রোন Logo এআইয়ের নিয়ন্ত্রণ মানুষের হাতেই থাকা উচিত: স্যাম অল্টম্যান Logo মরুর দেশের দুম্বা পালন করা হচ্ছে বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গায়, কতটা লাভজনক Logo সাইবার হামলায় অকেজো ইউরোপের সাত দেশের সুপারমার্কেট ফ্রিজ
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসার গভর্নিং বডি–এডহক কমিটি বাতিলের সিদ্ধান্ত স্থগিত

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:৩১:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

শিক্ষা ডেস্ক: দেশের ফাজিল এবং কামিল মাদ্রাসার গভর্নিং বডি ও এডহক কমিটি বাতিলের সরকারি সিদ্ধান্তের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছে উচ্চ আদালত। সম্প্রতি মাদ্রাসার গভর্নিং বডির একজন সাবেক সভাপতির দায়ের করা রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে এই গুরুত্বপূর্ণ আদেশ প্রদান করা হয়। বিচারপতির বেঞ্চ এই বিষয়ে একটি রুলও জারি করেছেন, যা শিক্ষাঙ্গনে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আদালতের এই বেঞ্চের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী এবং বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ার। রিট আবেদনকারীর পক্ষের আইনজীবীদের যুক্তি শোনার পর আদালত এই অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কেন এই সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তার সুনির্দিষ্ট জবাব চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে।

এর আগে শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মাদ্রাসার পরিচালনা পর্ষদ ও এডহক কমিটি ভেঙে দেওয়ার ব্যাপারে একটি নির্দেশনা জারি করেছিল। ওই নির্দেশনার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেই মূলত আদালতের দারস্থ হয়েছিলেন সংশ্লিষ্ট সাবেক সভাপতিরা। তাদের দাবি ছিল, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই ঢালাওভাবে পুরনো কমিটিগুলো বাতিল করা হয়েছে, যা মাদ্রাসার স্বাভাবিক প্রশাসনিক কার্যক্রমে অচলাবস্থার সৃষ্টি করছে।

আদালতের এই আদেশের ফলে আপাতত ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসার বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ ও কমিটিগুলোর কার্যক্রম চালিয়ে যেতে আইনি কোনো বাধা থাকছে না বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। তবে রুলের চূড়ান্ত শুনানি এবং মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই আদেশের প্রভাব কতদূর বিস্তৃত থাকবে, তা নিয়ে আইনি মহলে পর্যালোচনা চলছে। শিক্ষা প্রশাসন এখন আদালতের পরবর্তী নির্দেশনা এবং নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের বিশ্বকাপের ম্যাচ দেখতে ৯ লাখ আবেদন

ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসার গভর্নিং বডি–এডহক কমিটি বাতিলের সিদ্ধান্ত স্থগিত

আপডেট সময় ১২:৩১:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

শিক্ষা ডেস্ক: দেশের ফাজিল এবং কামিল মাদ্রাসার গভর্নিং বডি ও এডহক কমিটি বাতিলের সরকারি সিদ্ধান্তের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছে উচ্চ আদালত। সম্প্রতি মাদ্রাসার গভর্নিং বডির একজন সাবেক সভাপতির দায়ের করা রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে এই গুরুত্বপূর্ণ আদেশ প্রদান করা হয়। বিচারপতির বেঞ্চ এই বিষয়ে একটি রুলও জারি করেছেন, যা শিক্ষাঙ্গনে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আদালতের এই বেঞ্চের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী এবং বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ার। রিট আবেদনকারীর পক্ষের আইনজীবীদের যুক্তি শোনার পর আদালত এই অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কেন এই সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তার সুনির্দিষ্ট জবাব চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে।

এর আগে শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মাদ্রাসার পরিচালনা পর্ষদ ও এডহক কমিটি ভেঙে দেওয়ার ব্যাপারে একটি নির্দেশনা জারি করেছিল। ওই নির্দেশনার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেই মূলত আদালতের দারস্থ হয়েছিলেন সংশ্লিষ্ট সাবেক সভাপতিরা। তাদের দাবি ছিল, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই ঢালাওভাবে পুরনো কমিটিগুলো বাতিল করা হয়েছে, যা মাদ্রাসার স্বাভাবিক প্রশাসনিক কার্যক্রমে অচলাবস্থার সৃষ্টি করছে।

আদালতের এই আদেশের ফলে আপাতত ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসার বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ ও কমিটিগুলোর কার্যক্রম চালিয়ে যেতে আইনি কোনো বাধা থাকছে না বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। তবে রুলের চূড়ান্ত শুনানি এবং মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই আদেশের প্রভাব কতদূর বিস্তৃত থাকবে, তা নিয়ে আইনি মহলে পর্যালোচনা চলছে। শিক্ষা প্রশাসন এখন আদালতের পরবর্তী নির্দেশনা এবং নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।