আপডেট সময়
১২:০১:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
০
বার পড়া হয়েছে
সবাইকে সঙ্গে নিয়ে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে
জাতীয় ডেস্ক: সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে একটি কাঙ্ক্ষিত ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে দেশের আপামর জনসাধারণের সুখ-দুঃখে বর্তমান সরকার সবসময় পাশে থাকবে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা হবে। জনগণের সম্মিলিত অংশগ্রহণের মাধ্যমেই কেবল দেশের প্রকৃত উন্নয়ন ও অগ্রগতি নিশ্চিত করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।সাম্প্রतिक সময়ে রংপুরের পাগলাপীর এলাকা পরিদর্শনের সময় আয়োজিত একটি বিশেষ পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন। সাম্প্রতিক ওই সফরে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি এবং সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার কথা শুনে তিনি এই দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। মূলত দেশের প্রতিটি প্রান্তে সুশাসন এবং সম্প্রীতির বার্তা পৌঁছে দেওয়ার অংশ হিসেবেই এই সফরের আয়োজন করা হয়েছিল।এই সফরের মূল উদ্দেশ্য ছিল শারদীয় দুর্গোৎসবের মহানবমীর পবিত্র তিথিতে স্থানীয় পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করা এবং সনাতন ধর্মাবলম্বী নাগরিকদের আন্তরিক শারদীয় শুভেচ্ছা জানানো। ধর্মীয় সম্প্রতি বজায় রাখার এই উদ্যোগে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ দারুণ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন এবং সরকারের এই সদিচ্ছাকে স্বাগত জানান। প্রধানমন্ত্রী মণ্ডপ পরিদর্শনের সময় আয়োজকদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়ে খোঁজখবর নেন।এদিকে প্রধানমন্ত্রীর এই আগমনকে কেন্দ্র করে সৈয়দপুর থেকে শুরু করে রংপুরের পাগলাপীর পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে ব্যাপক জনসমাগম ঘটে। প্রিয় নেতাকে একনজর দেখার জন্য বিভিন্ন বয়සী নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ কয়েক কিলোমিটারজুড়ে রাস্তায় অপেক্ষা করতে থাকেন। উৎসুক জনতা করতাল ও হাত নেড়ে তাকে স্বাগত জানালে প্রধানমন্ত্রীও গাড়ি থেকে হাত নেড়ে তাদের ভালোবাসার উষ্ণ প্রতিদান জানান, যা পুরো এলাকায় এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি করে।
জাতীয় ডেস্ক: সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে একটি কাঙ্ক্ষিত ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে দেশের আপামর জনসাধারণের সুখ-দুঃখে বর্তমান সরকার সবসময় পাশে থাকবে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা হবে। জনগণের সম্মিলিত অংশগ্রহণের মাধ্যমেই কেবল দেশের প্রকৃত উন্নয়ন ও অগ্রগতি নিশ্চিত করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।
সাম্প্রतिक সময়ে রংপুরের পাগলাপীর এলাকা পরিদর্শনের সময় আয়োজিত একটি বিশেষ পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন। সাম্প্রতিক ওই সফরে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি এবং সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার কথা শুনে তিনি এই দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। মূলত দেশের প্রতিটি প্রান্তে সুশাসন এবং সম্প্রীতির বার্তা পৌঁছে দেওয়ার অংশ হিসেবেই এই সফরের আয়োজন করা হয়েছিল।
এই সফরের মূল উদ্দেশ্য ছিল শারদীয় দুর্গোৎসবের মহানবমীর পবিত্র তিথিতে স্থানীয় পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করা এবং সনাতন ধর্মাবলম্বী নাগরিকদের আন্তরিক শারদীয় শুভেচ্ছা জানানো। ধর্মীয় সম্প্রতি বজায় রাখার এই উদ্যোগে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ দারুণ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন এবং সরকারের এই সদিচ্ছাকে স্বাগত জানান। প্রধানমন্ত্রী মণ্ডপ পরিদর্শনের সময় আয়োজকদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়ে খোঁজখবর নেন।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর এই আগমনকে কেন্দ্র করে সৈয়দপুর থেকে শুরু করে রংপুরের পাগলাপীর পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে ব্যাপক জনসমাগম ঘটে। প্রিয় নেতাকে একনজর দেখার জন্য বিভিন্ন বয়සী নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ কয়েক কিলোমিটারজুড়ে রাস্তায় অপেক্ষা করতে থাকেন। উৎসুক জনতা করতাল ও হাত নেড়ে তাকে স্বাগত জানালে প্রধানমন্ত্রীও গাড়ি থেকে হাত নেড়ে তাদের ভালোবাসার উষ্ণ প্রতিদান জানান, যা পুরো এলাকায় এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি করে।