ঢাকা ০৩:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo জাতীয় প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সাংবাদিকদের মিলনমেলা Logo চট্টগ্রামে বিএনপির নেতা-কর্মীদের যে বার্তা দিয়ে এলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমির নির্বাচনে রুকনদের গোপন ভোট Logo ভারতের আন্দোলনকে নেপাল ও বাংলাদেশে সরকার পরিবর্তনের আন্দোলনের সঙ্গে তুলনা করা যাবে না, বললেন অভিজিৎ দিপকে Logo মাদক পার্টি: সরানো হলো অতিরিক্ত ডিআইজি জহিরকে Logo রাজধানী থেকে সাবেক দুই মেয়রসহ ৩ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার Logo রণদাপ্রসাদ সাহা বাড়ির পূজামণ্ডপে মন্ত্রীসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকেরা Logo ভারতে জয়শঙ্কর-রুবিও দ্বিপক্ষীয় বৈঠক, গুরুত্ব পেল জ্বালানি ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা Logo জনদুর্ভোগ নিরসন ও অপকর্ম দমনের পরিবর্তে সরকার বিরোধী দলের চরিত্র হননে ব্যস্ত: শফিকুর রহমান Logo ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সবার সমান অধিকার নিশ্চিত করতে চায় সরকার: শেখ রবিউল আলম
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

মাদক পার্টি: সরানো হলো অতিরিক্ত ডিআইজি জহিরকে

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:০১:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক: বিতর্কিত মাদক পার্টিতে যোগ দেওয়ার অভিযোগ ওঠার পর পুলিশ প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ে বড় ধরনের রদবদল করা হয়েছে। অভিযুক্ত অতিরিক্ত ডিআইজি জহিরুল ইসলামকে তার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং তাকে নতুন কর্মস্থলে সংযুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। পুলিশ সদরদপ্তরের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। দায়িত্বশীল পদে থেকে এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়ানোর অভিযোগ ওঠার পরই প্রশাসন এই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গত কিছুদিন আগে একটি বিশেষ স্থানে আয়োজিত অননুমোদিত মাদক আসরে জহিরুল ইসলামের উপস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন মহলে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আসলে তাৎক্ষণিকভাবে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কায় এবং নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করার স্বার্থেই তাকে বর্তমান পদ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশের একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উঠলে তা কখনোই বরদাস্ত করা হয় না। জহিরুল ইসলামের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি এবং তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে আগের দায়িত্বে বহাল রাখা প্রশাসনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী ছিল বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

এই ঘটনার পর পুলিশ বাহিনীতে শৃঙ্খলা বজায় রাখার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহলের মতে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের এমন বিতর্কিত কর্মকাণ্ড পুরো বাহিনীর ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই এ ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে কঠোর ও দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি ছিল, যা বর্তমান পদত্যাগের মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়েছে।

ট্যাগস :

জাতীয় প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সাংবাদিকদের মিলনমেলা

মাদক পার্টি: সরানো হলো অতিরিক্ত ডিআইজি জহিরকে

আপডেট সময় ০২:০১:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: বিতর্কিত মাদক পার্টিতে যোগ দেওয়ার অভিযোগ ওঠার পর পুলিশ প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ে বড় ধরনের রদবদল করা হয়েছে। অভিযুক্ত অতিরিক্ত ডিআইজি জহিরুল ইসলামকে তার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং তাকে নতুন কর্মস্থলে সংযুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। পুলিশ সদরদপ্তরের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। দায়িত্বশীল পদে থেকে এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়ানোর অভিযোগ ওঠার পরই প্রশাসন এই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গত কিছুদিন আগে একটি বিশেষ স্থানে আয়োজিত অননুমোদিত মাদক আসরে জহিরুল ইসলামের উপস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন মহলে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আসলে তাৎক্ষণিকভাবে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কায় এবং নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করার স্বার্থেই তাকে বর্তমান পদ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশের একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উঠলে তা কখনোই বরদাস্ত করা হয় না। জহিরুল ইসলামের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি এবং তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে আগের দায়িত্বে বহাল রাখা প্রশাসনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী ছিল বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

এই ঘটনার পর পুলিশ বাহিনীতে শৃঙ্খলা বজায় রাখার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহলের মতে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের এমন বিতর্কিত কর্মকাণ্ড পুরো বাহিনীর ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই এ ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে কঠোর ও দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি ছিল, যা বর্তমান পদত্যাগের মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়েছে।