ঢাকা ০৮:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo ঢাকায় এনআরবি ওয়ার্ল্ড সামিট, আসবেন হাজারের বেশি প্রবাসী Logo মন্ত্রী-উপদেষ্টাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর জরুরি বৈঠক শেষে এলো যে সিদ্ধান্ত Logo প্রেমের খোঁজে বিশ্বের অবিবাহিতদের বিনা খরচে ফিনল্যান্ড ভ্রমণের আমন্ত্রণ—চলছে আবেদন Logo ভারতকে হারিয়ে নিউজিল্যান্ডের শেষ ভালোর সুখস্মৃতি Logo কাল শিল্পকলায় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিল্পীদের নিয়ে আয়োজন Logo সকালে স্কুল শুরু করতে হয় কেন Logo চট্টগ্রামে মিয়ানমারে পাচারের সময় এক হাজার মণ সিমেন্ট জব্দ Logo ৩৪০ হজযাত্রীর চিকিৎসা ব্যয়ের ১০ কোটি টাকা ফেরত দিল সৌদি আরব Logo জামায়াত জোটে কী হচ্ছে, এনসিপিসহ শরিকদের সাথে দূরত্ব বাড়ছে? Logo আমেরিকার রাজনীতিতে বাংলাদেশিদের কেন সক্রিয় হতে হবে
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

মন্ত্রী-উপদেষ্টাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর জরুরি বৈঠক শেষে এলো যে সিদ্ধান্ত

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৮:১৬:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক: তৈরি পোশাক খাতের উৎপাদন কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখা এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। সম্প্রতি সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের এক উচ্চপর্যায়ের জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দেশের বর্তমান সার্বিক পরিস্থিতি এবং শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তা নিয়ে এই বৈঠকে দীর্ঘ আলোচনা করা হয়। বৈঠকে সরকারের শীর্ষ নীতিনির্ধারকরা উপস্থিত থেকে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করেন।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সরকারের এই কঠোর অবস্থানের কথা জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে, আসন্ন ডিসেম্বর মাসকে সামনে রেখে একটি মহল তৈরি পোশাক শিল্পে কৃত্রিম অস্থিরতা তৈরির অপচেষ্টা চালাতে পারে। এই ধরনের যেকোনো নাশকতামূলক বা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সরকার অত্যন্ত কঠোরভাবে এবং রাজনৈতিক শক্তির মাধ্যমেই মোকাবিলা করবে। শিল্পকারখানার উৎপাদন চাকা সচল রাখতে সরকার সব ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত রয়েছে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।

দেশের অর্থনীতিতে পোশাক খাতের অসামান্য অবদানের কথা মাথায় রেখে সরকার উৎপাদন প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের ব্যাঘাত ঘটাতে দিতে নারাজ। কারখানাগুলোর স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখার পাশাপাশি শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বাহিনীগুলোকে যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, পোশাক খাতের স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখা এবং সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা রোধে সরকার আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। দেশের অর্থনৈতিক ও জননিরাপত্তার স্বার্থে সরকার যেকোনো মূল্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বদ্ধপরিকর। সরকারের এই সময়োপযোগী ও কঠোর পদক্ষেপে শিল্পাঞ্চলে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে এবং সাধারণ মানুষ স্বস্তিতে থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকায় এনআরবি ওয়ার্ল্ড সামিট, আসবেন হাজারের বেশি প্রবাসী

মন্ত্রী-উপদেষ্টাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর জরুরি বৈঠক শেষে এলো যে সিদ্ধান্ত

আপডেট সময় ০৮:১৬:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: তৈরি পোশাক খাতের উৎপাদন কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখা এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। সম্প্রতি সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের এক উচ্চপর্যায়ের জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দেশের বর্তমান সার্বিক পরিস্থিতি এবং শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তা নিয়ে এই বৈঠকে দীর্ঘ আলোচনা করা হয়। বৈঠকে সরকারের শীর্ষ নীতিনির্ধারকরা উপস্থিত থেকে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করেন।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সরকারের এই কঠোর অবস্থানের কথা জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে, আসন্ন ডিসেম্বর মাসকে সামনে রেখে একটি মহল তৈরি পোশাক শিল্পে কৃত্রিম অস্থিরতা তৈরির অপচেষ্টা চালাতে পারে। এই ধরনের যেকোনো নাশকতামূলক বা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সরকার অত্যন্ত কঠোরভাবে এবং রাজনৈতিক শক্তির মাধ্যমেই মোকাবিলা করবে। শিল্পকারখানার উৎপাদন চাকা সচল রাখতে সরকার সব ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত রয়েছে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।

দেশের অর্থনীতিতে পোশাক খাতের অসামান্য অবদানের কথা মাথায় রেখে সরকার উৎপাদন প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের ব্যাঘাত ঘটাতে দিতে নারাজ। কারখানাগুলোর স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখার পাশাপাশি শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বাহিনীগুলোকে যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, পোশাক খাতের স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখা এবং সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা রোধে সরকার আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। দেশের অর্থনৈতিক ও জননিরাপত্তার স্বার্থে সরকার যেকোনো মূল্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বদ্ধপরিকর। সরকারের এই সময়োপযোগী ও কঠোর পদক্ষেপে শিল্পাঞ্চলে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে এবং সাধারণ মানুষ স্বস্তিতে থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন।